* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*
সমসাময়িক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমসাময়িক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

ঢাকা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে মসজিদে নামাজ না পড়তে পেরে ক্ষুদ্ধ মুসল্লীরা

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরকার দ্বিতীয় সপ্তাহের অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর থেকে কঠোর লক-ডাউন ঘোষণা করেছে। 

অপর দিকে বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের বহুকাংখিত, বহুপ্রত্যাশিত  পবিত্র রজান মাস ও শুরু হয়েছে ১৪ এপ্রিল থেকে। পুরো একমাস ব্যাপী রোজা পালন শেষে রয়েছে, ঈদুল ফিতর। এই মাসে মুসলমানদের ধর্মীয় তৎরপতা অনেকাংশে বেড়ে যায়। করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকার মসজিদগুলিকে গড়ে মাত্র ২০ জনকে প্রবেশ করে নামাজের অনুমোদন দিয়েছেন।  

প্রতি বচরের ন্যায় এ বছরও সাধারণ মুসল্লীগন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করতে চায়। 

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার জামে মসজিদ জহুর নামাজের সময় মসজিদ কতৃপক্ষ খুলে না দেয়ায় উপস্থিত বিক্ষুদ্ধ শতাধিক মুসল্লী মসজিদের বাহিরেই জহুর নামাজ আদায় করেন।

আজ প্রথম রমজান (বুধবার) জহুর নামাজের জন্য অন্যান্য দিনের মত অন্যান্য মসজিদের পাশাপাশি চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার জামে মসজিদ জহুর নামাজের  আযান দেয়া হয়। এই মসজিদের মুসল্লীদের একটি অংশ মসজদি েপ্রবেশ করার জন্য এগিয়ে কিন্তু মসজিদ কতৃপক্ষ দরজা খলে না দেয়ায় মুসল্লীরা মসজিদের প্রবেশ করতে পারে নাই। কতৃপক্ষের একজন সদস্যকে পাওয়া গেলে তিনি দরজা খুলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, দরজা  ‍খুললে মসজিদে মুসল্লীর ঢল সামলানো যাবে না। এই পরিস্তিতি দায় কে নিবে।

উপস্থিত মুসল্লীরা কতৃপক্ষ এবং রমজান মাসে সরকারের  মসজিদের বিষয়ে এমন   সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, করোনা-19 একটি গজব। এই গজব থেকে বাঁচতে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার সাথে সাথে মহান আল্লাহর সাহায্যের জন্য তার কাছে বেশিবেশি ধরনা দিতে হবে। এমনিতেই রমজান মাস গুনাহ মাপের মাস।  এই সময় মসজিদে বসে মহামারী করোনাসহ সকল প্রকার সমস্যা থেকে বাচাঁর জন্য  মহান আল্লাহর দরবারে হাজির হয়ে এবাদত-বন্দিগীর পাশাপাশি গুনাহ মাপের জন্য একটি বড় সুযোগের মাস এই রমজান।  

মুসল্লীরা আরো বলেন, এই মসজিদে বিভিন্ন ইদ উৎসবে ১০ হাজারের অধিক মুসল্লী এবাদত-বন্দেগী করে। সেখানে মাত্র ২০জন মুসল্লীর অনুমোদন ?

তারা বলেন, সরকার নির্ধারিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনেও  ২/৩ হাজার মুসল্লী এখানে নামাজ আদায় করতে  পারবে। বিষয়টি কতৃপক্ষসহ সকলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

মুসল্লীরা পরে তাদের মধ্য হতে একজনকে ইমাম করে জামায়াতের সাথে জহুর নামাজ আদায় করেন।

মসজিদ না খুলে দেয়ায় রাস্তায় মসজিদের সামনে নামাজ আদায় করছে অপর েএকটি মসজিদে লিংকে ক্লিক করে দেখুন।

মানুষের প্সারতিক্রারিয়া দেখুন এই লিংকে পৃথিবীর সব চলছে ,,,, শুধু মাএ মসজিদ বন্ধ ।।

শহরের কিছু কিছু মহল্লায় এমনকি বাড়ির ছাদের মুসলিম জনগোষ্ঠী এই রমজানে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে নিয়েছে।

চট্টগ্রামের নাজির বাড়ি অপর একটি মসজিদের মুসল্লীগণ সরকারের নিকট মসজিদে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী বেশি সংখ্যক মুসল্লীকে নামাজ আদায়ের সুযোগ দানের দাবী করছেন।



রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

কিভাবে সম্ভব যে আমরা দুইজন একই জান্নাতে অবস্থান করব?!!!

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ একটার দিকে হানিফ পরিবহনে উঠলাম। আমার কোণাকুণি সামনের সিটে বসেছেন হুজুরটাইপ একজন লোক।

.
তিনি বাস ছাড়ার পরপরই সুপারভাইজারকে বললেন ভাই আমি জুমা পড়বো। নামাজের খুতবার আগে দাঁড়াবেন। সোয়া একটায় দাঁড়ালেই চলবে।
.
বাস যখন চৌদ্দগ্রাম বাজার পার হচ্ছে তখন সোয়া একটা। তিনি উঠে গিয়ে সুপারভাইজারকে বললেন "ভাই সোয়া একটা বাজে। দাঁড়ান না! খুতবা না শুনলে জুমা সম্পূর্ণ হয় না!"
.
আমার তখন চোখে ঘুম ঘুম ভাব। হালকা করে কানে বাজছে ভদ্রলোকের সাথে সুপারভাইজারের বাতচিত। শুধু সুপারভাইজার না আরো কয়েকজন যাত্রী বলছে নামাজ দেড়টায়। একটা পঁচিশে দাঁড়ালেই হবে।
বাসের সে যাত্রীদের মত আমরা অনেকেই জুমার নামাজ পড়াটাকে দায়সারা গোছের বানিয়ে ফেলেছি। শুক্রবার দুপুরে খুতবার শেষ দিকে মসজিদে ঢুকি ও ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর কত দ্রুত মসজিদ থেকে বের হওয়া যায় সে রাস্তা খুঁজি।
.
আমি চোখ খুলেই বললাম সুপারভাইজার সাহেব, বাস দাঁড় করান। ওযু করার একটা সময়ও লাগবে তো!
ভদ্রলোক বললেন আমার ওযু আছে ভাই।
.
অন্যদের অব্যাহত একটা পঁচিশ দাবির মুখে আমার কন্ঠ হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো। বাস ড্রাইভার একটা পঁচিশে দেখেন রাস্তার পাশে মসজিদ পাচ্ছেন না! আরো মিনিট তিনেক পর ফেনীর ফতেহপুরের দিকে একটা মসজিদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। ততক্ষণে নামাজ প্রায় শেষ!
.
ভদ্রলোক দৌড়ে গিয়ে নামাজ ধরতে ধরতে ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়েছেন!
.
বাসে এতগুলো পুরুষ মানুষ। কারো কোন বিকার নেই শুধু ওই ব্যক্তি ছাড়া। আমি বাসের জানালা দিয়ে কড়া রোদে দাঁড়িয়ে তাকে নামাজ আদায় করতে দেখছি। জুমা মিস করে ফেলায় সম্ভবত জোহরের নামাজ আদায় করছিলেন।
.
এতক্ষণ বাস একটা পঁচিশে দাঁড়াতে বলা লোকগুলো দ্রুত আশেপাশে চা দোকান খোঁজা শুরু করলো। কেউ কেউ বেনসন সিগারেট না পাওয়ায় বিরক্ত। গ্রামের দোকানে বেনসন না পাওয়া শীর্ষক হতাশা শুনলাম দুজনের গলায়। একজন বিস্কুট কীভাবে পাঁচ টাকা পিস হয় তা নিয়ে দোকানদারের সাথে ঝগড়া করছে।
এক মহিলা বাচ্চার জন্য চিপস কিনতে এসেছেন। শুকনা সুপারি দিয়ে পান খাচ্ছেন দু'জন। আর আমি জানালা দিয়ে ওই আল্লাহর বান্দাকে দেখছি।
সুপারভাইজার তখন ইমাম সাহেব কেনো নামাজ তাড়াতাড়ি শুরু করেছেন এটা নিয়ে রাগে গজগজ করছেন!
.
দশ মিনিট পর বাস ছাড়লো। সুপারভাইজার বারবার লোকটাকে শুনিয়ে বলছিলো : "আইজকা আগে দাঁড়াই গেছে ইমাম সাব।"
.
আমি ভেবেছিলাম ভদ্রলোক খুব রেগে যাবেন। আমাকে অবাক করে দিয়ে তিনি একটা কথাও বলেননি। শুধু মাথা নিচু করে নিজের আসনে বসে ছিলেন।
আমার কোণাকুণি সামনের সিটে বসেছিলেন বলে আমি তাকে দেখছিলাম।
.
পুরোটা পথ আর মাথা তোলেননি। সুপারভাইজারও আর কিছু বলেননি। শুধু মসজিদ্দা স্কুল পার হওয়ার সময় বলেছিলেন আমাকে রয়েল সিমেন্ট কোম্পানির সামনে নামাই দিয়েন। ভদ্রলোক উঠে সামনে যাচ্ছিলেন। সুপারভাইজার তার ব্যাগটা হাতে নিয়ে বললো ভাই কিছু মনে করিয়েন না!
.
লোকটা আমাকে সর্বোচ্চ অবাক করে দিয়ে সুপারভাইজারের চোখের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কাঁপিয়ে দুই চোখে পানি ঝরিয়ে দিয়ে বললো -
"ভাই জুমার নামাজটা পড়তে পারলাম না!"
.
একজন বাবা তার দুই দশক ধরে লালিত পালিত একমাত্র কন্যাকে পাত্রস্থ করার সময় "আমার মেয়েটাকে দেখে রেখো" বলতে যেভাবে কাঁদে একজন মানুষ এক ওয়াক্ত জুমার নামাজ পড়তে না পেরে যেনো তেমন আবেগেই কথাটা বললো!

এই ঘটনাটার পড়ে আমি নিজেকে নিয়ে ভাবিঃ
ঐ ভদ্রলোক যে জান্নাতের স্বপ্ন দেখেন, আমিও সে একই জান্নাতের স্বপ্ন দেখি। তাহলে আমাদের মধ্যে এত পার্থক্য কেন! কিভাবে সম্ভব যে আমরা দুইজন একই জান্নাতে অবস্থান করব?!!!
***COLLECTED***

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০

বিভিন্ন সময় হজ্ব বাতিল করা হয়েছিল। এবারও করোনার কারনে বন্ধ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে আল্লাহর রহমত কামনা করি।

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে, আব্বাসীয়দের সময়, ইসমাঈল বিন ইউসুফের মক্কা আক্রমণের কারণে।
২) ৯৩০ সালে কট্টর শিয়া গ্রুপ কারমাতিদের আক্রমণে সে বছর ৩০,০০০ হাজি শহিদ হয়েছিল। তারা হাজিদেরকে হত্যা করে তাদের লাশ জমজম কুপে ফেলে দিয়েছিল। ফিরে যাওয়ার সময় তারা সাথে করে হাজরে আসওয়াদ বাহরাইনে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে হাজরে আসওয়াদ পুনরুদ্ধার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এক দশক হজ্ব বন্ধ ছিল।
৩) ৯৮৩ থেকে ৯৯০ সাল পর্যন্ত হজ্ব বাতিল হয়েছিল রাজনীতির কারণে। ইরাক ও সিরিয়া ভিত্তিক আব্বাসীয় খিলাফত এবং মিসর ভিত্তিক ফাতেমীয় খিলাফতের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে সেবার ৮ বছর পর্যন্ত হজ্ব বন্ধ ছিল।
৪) শুধু যুদ্ধ-বিগ্রহ না, মহামারীর কারণেও হজ্ব বাতিল হয়েছিল। প্রথমে ১৮১৪ সালে হেজাজ প্রদেশে প্লেগের কারণে ৮,০০০ মানুষ মারা যাওয়ায় হজ্ব বাতিল করা হয়।
৫) ১৮৩১ সালে ভারত থেকে যাওয়া হজ্বযাত্রীদের মাধ্যমে মক্কায় প্লেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং চারভাগের তিনভাগ হাজী মৃত্যুবরণ করে। ফলে সে বছর হজ্ব বাতিল করা হয়। এছাড়াও ১৮৩৭ থেকে ১৮৫৮ সালের মধ্যে প্লেগ এবং কলেরার কারণে তিন বারে মোট ৭ বছর হজ্ব বন্ধ ছিল।

এবারও যদি হজ্ব বন্ধ হয়, সেটা হবে খুবই দুঃখজনক একটা ঘটনা। কিন্তু একইসাথে এটাও লক্ষ্যণীয়, অতীতেও হজ্ব বাতিল হয়েছিল। ইসলাম অবাস্তব কোনো ধর্ম না, এলিয়েনদের জন্য আসা ধর্ম না। এটা মানুষের জন্য আসা ধর্ম। এবং মানুষের সাধ্যের বাইরে এখানে কিছু করতে বলা হয়নি।
তথ্যসূত্র: হারাম শরিফের ওয়েবসাইট, মিডল ইস্ট আই, টিআরটি, দ্য নিউ আরব।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...