* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*
সমাজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমাজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

বাঁচতে চায় ছাদিকুর রহমান মিছবাহ: সহযোগিতার আবেদন

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মাদার বাজারের এক সময়ের সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাবসায়ী ছাদিকুর রহমান মিছবাহ। সবাই যাকে এক নামে চিনতো। সেই মিছবাহ মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে ২০১৮ সালে। 

২০১৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত মিছবাহ এর চিকিৎসা বাবদ ৪/৫ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। এখনও ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা লাগবে। 

যা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব না, মিছবার বাবা নেই এমন কি কোন ভাই ও নেই। একমাত্র মা তিনি নিজেও এখন অসুস্থ।


 

এতোদিন আত্মীয়স্বজন এবং এলাকার দানশীল ব্যক্তি এবং প্রবাসীদের সহোযোগিতায় সাধ্যমত চিকিৎসা চালিয়েছেন। এখন তা ও সম্ভব হচ্ছে না। প্রতি মাসে দুইবার কেমোথেরাপী দিতে হয়। যার ব্যায় নিতান্ত ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা।

 আজ ৪/৫ মাস চলছে মুখে খাবার বন্ধ। গলায় শ্বাসনালীতে পাইপ লাগানো আছে।

 

ঠিকানাঃ-

নামঃ- ছাদিকুর রহমান মিছবাহ

গ্রামঃ- লতিব পুর

ডাকঃ- লতিব পুর

থানাঃ- ওসমানী নগর

উপজেলাঃ- ওসমানী নগর

জেলাঃ- সিলেট।

মোবাইল নংঃ- ০১৭১১-৯৮৩৩২৬


 বৃদ্ধ ও অসহায় মায়ের একমাত্র সন্তান এবং ৩ জন অবুঝ সন্তানের পিতা ছাদিকুর রহমান মিছবাহ বাঁচতে চায়! তাই সকলের সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছেন।

সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে চাইলে সরাসরি এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

📞+88-01711-983326

 Bkash  (Personal) Number: 01711-983326

 

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে গ্রামের মানুষকে মসজিদমুখী করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ!

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ সময়ের কাঁটা তখন ভোর ৫টা ছুঁই ছুঁই। সরকারতালুক গ্রামের রাস্তায় সকল বয়সী মানুষের আনাগোনা। সবার গন্তব্য মসজিদে, ফজরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন তাঁরা। এ যেন এক অন্যরকম দৃশ্য। মহুর্তের মধ্যে মুসল্লীদের পদাচারণায় মসজিদ পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। একসাথে নামাজ আদায় করলো প্রায় ২শতাধিক মুসল্লী। এমন চিত্র প্রতিদিন দেখা যায় মিরসরাই উপজেলার ১ নং করেরহাট ইউনিয়নের সরকারতালুক জামে মসজিদে। যে মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে ১০ থেকে ১২জন মুসল্লী আসতো এখন তা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুইশ’র বেশি। সবার মাঝে অন্যরকম ভ্রাতৃত্য সৃষ্টি হয়েছে।

মসজিদ নির্মাণের প্রতিযোগিতা আর মসজিদের শোভাবর্ধন নিয়েই আমরা চিন্তিত কিন্তু মসজিদের মুসল্লীদের

আত্মীক উন্নতি, মানুষকে মসজিদমূখী করা নিয়ে নেই কোনো কর্মসূচী। মসজিদের ইমাম সাহেব থেকে কমিটি কেউ দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম মাওলানা নিজাম উদ্দিন মিয়াজী। মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সরকারতালুক গ্রামের মানুষ।
মাওলানা নিজাম উদ্দিন মিয়াজী সরকারতালুক গ্রামের জামে মসজিদের দায়িত্ব যেদিন নিয়েছেন তখন ফজরের নামাজে মুসল্লীর সংখ্যা ১০ থেকে ১২ জন। গ্রামের এত মানুষের বসবাস ফজরের নামাজে মুসল্লীর সংখ্যা এত নগণ্য তা মানসিকভাবে মেনে নেয়নি ইমাম সাহেব।
তখনই প্রতিজ্ঞা করেন ফজরের নামাজে গ্রমের সব পুরুষদের মসজিদমুখী করবেন। একটু ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ নেন তিনি। কোমর বেঁধে নামলেন , প্রতিদিন ৫০ জনকে পালাক্রমে মোবাইলে কল দিতেন, গ্রামের মানুষের দুয়ারে গিয়ে বোঝাতেন। মসজিদ পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করলেন।
পরিশ্রম ব্যর্থ হয়নি ইমাম সাহেবের। গ্রামের মানুষের সদিচ্ছা ইমাম সাহেবের ডাকে সাড়া দিয়ে গ্রামের শিশু থেকে তরুণ, যুবক থেকে বায়োজোষ্ঠ সবার অংশগ্রহণে অন্যান্য ওয়াক্তের ন্যায় প্রতিদিন ফজরের নামাজে মসজিদ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
নিয়মিত মুসল্লী প্রশিক্ষণ,বিষয় ভিত্তিক বাস্তবসম্মত জীবনাচারণ সম্পর্কে নিয়মিত গ্রুমিং করেন ইমাম নিজাম উদ্দিন।
প্রত্যেক শুক্রবার ফজরের নামাজ আদায়ের পর সব মুসল্লী একসাথে নাস্তা করে মসজিদ প্রাঙ্গনে। ব্যাক্তি উদ্যোগের সপ্তাহের যেকোনো দিন সম্মিলিত ভাবে নাস্তা করানো হয়।
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমরুল আলম জানান, ফজরের নামাজ মসজিদে পড়া হতো না আমার, এখন রোজ ফজরে মসজিদে নামাজ আদায় করা হয়। পুরো গ্রামের মানুষের অংশগ্রহণে এখন ফজরের ওয়াক্তে মসজিদ পূর্ণ হয়ে যায়। পুরো কৃতিত্ব ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন মিয়াজী সাহেবের। ইমাম সাহেব আলোকিত মানুষ। আলো দিয়ে যাচ্ছেন পুরো গ্রামে।
মসজিদের ইমাম নিজাম উদ্দিন মিয়াজী বলেন, মসজিদ কমিটির সহযোগিতা, গ্রামের মানুষের সদিচ্ছায় সম্ভব হয়েছে। গ্রামে একটা মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে। ফজরের নামাজে অংশগ্রহন অল্প কজন বাকি আছে। তারা নামাজে আসলে পুরষ্কৃত করা হবে তাদের। তিনি আরো বলেন, মুসল্লীদের নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক মুসল্লী প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ বিবাহিত পুরুষ ‘মানসিক' নির্যাতনের শিকার!!

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ বিবাহিত পুরুষ ‘মানসিক' নির্যাতনের শিকার বলে একটি বেসরকারি সংস্থার নিজস্ব গবেষণায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ মেন'স রাইটস ফাউন্ডেশন নামে ওই সংগঠনটি বলছে, সামাজিক লজ্জার ভয়ে অনেকেই এসব বিষয় প্রকাশ করতে চান না৷

তাদের দাবি, সামাজিক লজ্জার ভয়ে পরিচয় প্রকাশ করেন না অভিযোগকারীরা৷ বিবাহিত অনেক পুরুষের নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়ে একমত মানবাধিকারকর্মীরাও৷ তারা বলছেন, পুরুষদের নির্যাতিত হওয়ার খবর তাদের কাছে আসে৷ তবে যেই নির্যাতিত হোক তার আইনি সুরক্ষার দাবি জানান তারা৷
সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু বেসরকারি সংস্থা আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালন করছে৷ ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেন'স রাইটস ফাউন্ডেশন প্রতিবছর ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশে পুরুষ দিবস পালন করছে৷ চলতি বছরও ছোট পরিসরে এমন আয়োজন করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি৷
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শেখ খাইরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্যাতিত পুরুষদের' পরামর্শ ও আইনি লড়াইয়ে সহযোগিতা দিতে এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ৷
তিনি বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিন যে ফোন আসছে তাতে আমরা দেখেছি, নীরবে চোখের জল ফেলছেন অনেক পুরুষ৷ লজ্জায় তারা নির্যাতনের কথা বলতে পারছেন না৷ কোনো নারী নির্যাতিত হলে তিনি তো বিচার চাইতে পারেন৷ অনেক সংগঠন তার পাশে দাঁড়ায়৷ নির্যাতিত পুরুষদের সহযোগিতার জন্য আমরা এ সংগঠনটি করেছি৷
নিজেও এমন নির্যাতনের শিকার দাবি করে তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার হয়ে আমি অনেক মানবাধিকার সংগঠনের কাছে গিয়েছি৷ তারা কেউই নির্যাতিত পুরুষদের পাশে দাঁড়াতে রাজি হয়নি৷ অনেকটা বাধ্য হয়েই আমরা এই সংগঠন করেছি৷ এখন আমরা নির্যাতনের শিকার পুরুষকে আইনি লড়াইয়ে সহযোগিতা করছি৷ তাদের পরামর্শ দিচ্ছি৷ জাতীয় সংসদে পুরুষ নির্যাতনবিরোধী আইন করার জন্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি৷ এই আইনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রচারণাও চালাচ্ছি৷
সংগঠনটির গবেষণার বিষয়ে জানতে চাইলে আলম বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিন যে অভিযোগ আসে তার ভিত্তিতেই আমরা গবেষণাটি করেছি৷ তবে সমস্যা হলো, কেউই লিখিত অভিযোগ করতে চান না৷ ফলে আমাদের কাছে এ বিষয়ে কোনো দলিলাদি নেই৷
সংগঠনটির দাবি, বিদেশ থেকে ফোন করেও অনেকে তাদের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ করছে৷
বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটে কিনা জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সানজীদা আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের সমাজে পুরুষ একই সঙ্গে কিন্তু নির্যাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ৷ কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্রেণিভেদে তারা নির্যাতিত হলেও হতে পারে৷
তিনি বলেন, গত বছর আমাদের এখানে (বাংলাদেশে) ছোট পরিসরে পুরুষ দিবস উদযাপিত হয়েছে৷ পুরুষ নির্যাতন নিয়ে আমরা এখনো কোন গবেষণা বা পরিসংখ্যান পাইনি৷ পুরুষরা যত বেশি পুরুষ হিসেবে নির্যাতিত হয়ে থাকেন তার চেয়ে অনেক বেশি শ্রেণী, অবস্থান ও আর্থ-সামাজিক দুর্বল অবস্থানের কারণে নির্যাতিত হন৷ একই কারণে নারীও নির্যাতিত হন৷ আমি মনে করি সব নির্যাতনেরই আইনী সুরক্ষা থাকা প্রয়োজন৷

বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০

শুধু ছেলেদেরই নয়, মেয়েদেরও সঠিক সময়ে বিয়ে দেওয়া জরুরি


বাংলাশে বার্তা ডেস্কঃ যৌন ক্ষুধা কি সাধারণ ক্ষুধার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ? ক্ষুধা লাগলে খেতে হয়। খাবার না পেলে চুরি করে হলেও মানুষ খাবার সংগ্রহ করে। তাহলে, যৌন ক্ষুধা নিবারণ করার সুযোগ করে না দিলে তো মানুষ স্বাভাবিকভাবেই হারামের দিকে পা বাড়াবে। দেখুন! বিয়ে কত সহজ ছিলো সাহাবাদের সময়ে!

সাহল বিন সা’দ (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, একবার এক নারী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললো, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার নিজেকে আপনার জন্য উপহার দিতে এসেছি (পরোক্ষ ভাষায় বিয়ের প্রস্তাব)।’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকিয়ে তার আপাদমস্তক লক্ষ্য করে মাথা নিচু করলেন।
সেই নারী যখন দেখলো যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ফায়সালা দিচ্ছেন না, তখন সে বসে পড়লো। এমন সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের একজন বললো, ‘যদি আপনার কোন প্রয়োজন না থাকে, তবে এই নারীর সাথে আমার বিয়ে দিয়ে দিন।’ তিনি বললেন, ‘‘তোমার কাছে কি (মোহর দেওয়ার মতো) কিছু আছে?’’ সে বললো, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! কিছুই নেই।’
তিনি বললেন, ‘‘তুমি তোমার পরিবারের কাছে ফিরে যাও এবং দেখো কিছু পাও কি না!’’ এরপর লোকটি চলে গেলো এবং ফিরে এসে বললো, ‘আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কিছুই পেলাম না।’ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘দেখো, একটি লোহার আংটি হলেও!’’ তারপর সে চলে গেলো এবং ফিরে এসে বললো, ‘আল্লাহর কসম! একটি লোহার আংটিও পেলাম না। কিন্তু এই যে আমার লুঙ্গি আছে।’ সাহল (রা.) বলেন, তার কোন চাদর ছিলো না।
অথচ লোকটি বললো, ‘এটাই আমার পরনের লুঙ্গি; এর অর্ধেক দিতে পারি।’ এ কথা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তোমার লুঙ্গি দিয়ে সে কি করবে? তুমি পরিধান করলে তার গায়ে কোনো কিছু থাকবে না। আর সে পরিধান করলে তোমার গায়ে কোনো কিছু থাকবে না।’’ তখন লোকটি বসে পড়লো এবং অনেকক্ষণ সে বসেছিল। তারপর উঠে গেলো।

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে আনলেন। যখন সে ফিরে আসলো, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘তোমার কতটুকু কুরআন মুখস্থ আছে?’’ সে গুণে বললো, ‘অমুক অমুক সূরা মুখস্থ আছে।’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘তুমি কি এ সকল সূরা মুখস্থ তিলাওয়াত করতে পারো?’’ সে বললো, ‘হ্যাঁ!’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘যাও, তুমি যে পরিমাণ কুরআন মুখস্থ করেছো, এর বিনিময়ে এ মহিলার সাথে তোমার বিবাহ দিলাম।’’ [সহিহ বুখারি: ৫০৩০, সহিহ মুসলিম: ১৪২৫]
.
অথচ, এখন ছেলেকে এস্টাবলিশড হতে হয়, ক্যারিয়ার গঠন করতে হয়, বিয়ের আগেই টাকাওয়ালা হতে হয়, সরকারি চাকরিজীবী হতে হয়! কত পরিকল্পনা! সেই সোনালী যামানায় এত কিছু চিন্তা করতে হতো না। যদি বুঝা যেতো, ছেলে পরিশ্রম করে বউয়ের চাহিদা পূরণ করতে পারবে এবং এবং সে এ ব্যাপারে আন্তরিক থাকবে, তাহলে সহজেই কণেকে এমন ছেলের হাতে তুলে দেওয়া হতো। তাই বলে কি তারা না খেয়ে থাকতো? জি না, আল্লাহই তাদের রিযিকের ব্যবস্থা করতেন। আবার বর্তমানে যেভাবে ‘আগুন সুন্দরী’ খোঁজা হয়, ৫ ফুট ৩/৪ ইঞ্চি খোঁজা হয়, দুধেআলতা দেখা হয় এগুলো তখন ছিলো না। কিংবা এখনকার মতো তখন যৌতুকের জন্য ছেলেপক্ষ দিওয়ানা ছিলো না।
.
আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসউদ (রা.) বলেন: ‘‘আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কিছু যুবক ছিলাম, যাদের কিছুই ছিলো না। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা সামর্থ্য রাখো, তাদের উচিত বিয়ে করে ফেলা। কেননা বিয়ে দৃষ্টি অবনতকারী ও লজ্জাস্থানকে হেফাযতকারী। আর যার সামর্থ্য নেই, তার উচিত রোজা রাখা। কেননা রোজা যৌন-উত্তেজনা প্রশমনকারী।’’ [সহিহ বুখারি: ৫০৬৬, সহিহ মুসলিম: ১৪০০]
.
মেয়েদের ক্ষেত্রেও একই কথা। কারণ ছেলেদের যৌন-চাহিদার কথা অনেক সময় দৃশ্যমান হলেও মেয়েরা লজ্জায় কিছু বলতে পারে না। আবার মেয়েদের যতটা-না যৌন চাহিদার প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন একজন উত্তম জীবনসঙ্গী, যার সাথে সে একান্তে সময় কাটাতে পারে। এজন্য মেয়েরা যখন বিয়ের মাধ্যমে এই সুযোগটি লাভ করতে পারে না, তখন হারাম রিলেশনে জড়ায়। কিন্তু দিনে দিনে তার থেকে লাজুকতা ও কোমলতা হারিয়ে যেতে থাকে। অনেক সময় সে ছেলে বন্ধুর প্ররোচনায় অশ্লীল চ্যাট করে, ন্যুডিটি আদান-প্রদান করে আবার অনেক সময় নিজেই এসবে অভ্যস্ত হয়ে যায়, ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে দেয়। তাই, শুধু ছেলেদেরই নয়, মেয়েদেরও সঠিক সময়ে বিয়ে দেওয়া জরুরি।
.
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা যে ছেলের দ্বীনদারি ও চরিত্রের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হতে পারবে, সে যদি প্রস্তাব দেয়, তাহলে তার কাছে (তোমাদের মেয়েকে) বিয়ে দিয়ে দাও। যদি তা না করো, তবে পৃথিবীতে মহা-বিপর্যয় সৃষ্টি হবে।’’ [তিরমিযি: ১০৮৪, হাদিসটি হাসান]
.
সম্মানিত অভিভাবক, আপনি বাস্তবতায় আসুন। নিজের অবিবাহিত (ব্যাচেলর) জীবনকে স্মরণ করুন। আপনার সন্তান এখন সেই সময়টি অতিবাহিত করছে। আপনি সেই সময়টিতে যা কামনা করতেন, আপনার সন্তান এখন সেটি কামনা করে। আপনি তখন যেভাবে মন খারাপ করে থাকতেন, আপনার সন্তান এখন তেমনটা করে। আশা করি, বুঝেছেন। না বোঝার তো কিছু নেই। দয়া করে সমাজের দোহাই দিয়ে নিজের সন্তানকে হারামে জর্জরিত করে রাখবেন না। সন্তানের প্রতি এই অবহেলায় সন্তানের গুনাহের দায় আপনি এড়াতে পারবেন না। আল্লাহর কসম! আল্লাহর পাকড়াও থেকে রেহাই পাবেন না।
.
ফাতেমা খাতুন, কেশরহাট, মোহনপুর, রাজশাহী ।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

আজব মানুষঃ আব্দুল হান্নান চৌধুরী

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ২৪ অক্টোবর ২০২০

নুপু‌রের দাম হাজার টাকা স্থান কিন্তু পা‌য়ে
‌টু‌পির দাম কম হ‌লেও স্থান তার মাথার শি‌রে,
নু‌নে কখ‌নো পোকা ধ‌রে‌নি মিষ্ট‌ি‌তে তা ভরপুর
‌সা‌রিবদ্ধ পিঁপড়া এ‌সে ক‌রে সাবাড় তা দস্তুর।

মৃত মানুষ‌কে স্মরণ ক‌রে ম‌োমের বা‌তি জ্বা‌লি‌য়ে
জন্ম‌দিবস পালন ক‌রে বাতিটা আবার নি‌ভি‌য়ে,
‌মো‌মের বা‌তির নেই প‌্র‌য়োজন মৃত কো‌নো মানু‌ষের
তবুও জ্বালায় সেথায় বা‌তি নাই সীমা অপচ‌য়ের।

মদ বেচ‌তে যায়না কেউ মানু‌ষের ঘ‌রে ঘ‌রে
‌কিনতু গোয়ালা যায় সেথায় দুধ বেচার ত‌রে,
দু‌ধে পা‌নি মেশা‌নো দো‌ষ, স‌‌েতো সবাই জা‌নে
কিন্তু ম‌দে পা‌নি মি‌শি‌য়ে সানন্দ‌ে সে টা‌নে।

জা‌নোয়ার য‌দি ব‌লে তা‌কে ভিষন রে‌গে উ‌ঠে
বা‌ঘের বাচ্চা বলল‌ে আবার আনন্দ‌ে মে‌তে উ‌ঠে ,
বাঘও যে জা‌নোয়ারে‌র দল সে‌টি নাই তার মাথায়
বা‌ঘের বাচ্চা শু‌নে তাই‌তো খু‌শি‌তে ‌সে লাফায়।

মানুষগু‌লো এমন আজব সোজা প‌থে চ‌লেনা
বাকাঁ প‌থেই আগ্রহ বে‌শি শেষ‌টি তার বু‌ঝে না।

প্রথম প্রকাশ ২০ আগষ্ট ২০১৯

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

গভীর রাতে পুকুরে বিষ ঢেলে ধ্বংস করে দিল ঢাবি’র মাস্টার্স করা সিরাজের সব স্বপ্ন!

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  সিরাজ ইসলাম, আমাদের বন্ধু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স কমপ্লিট করে স্বপ্ন দেখেছিলো উদ্যোক্তা হওয়ার। ভিন্নপথে হাঁটতে গিয়ে গ্রাম্য মোড়লদের রোষানলে সব হারিয়ে এখন পথে বসেছে। দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিচারের আশায়।

নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার নিজ গ্রামেই ধার-কর্জ করে ১৩ বিঘা জমির পুকুরে শুরু করেছিলেন মাছ চাষ। একটু একটু করে স্বপ্নগুলোও বড় হচ্ছিলো। আর মাত্র একটি মাস গেলেই প্রথম দফায় মাছ বিক্রি শুরু করতে পারতেন। সব ঠিকঠাকই চলছিলো।
কিন্তু গ্রাম্য কয়েকজন মোড়লের সিরাজের এমন উত্থান ভালো লাগেনি। সোমবার গভীর রাতে পুকুরে বিষ ঢেলে দেয়। এরপর ধীরে ধীরে মাছ মরতে শুরু করে। একদিন না যেতেই পুকুরে মাছের দাপাদাপির পরিবর্তে সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।
ছেলেটি বিশ্ববিদ্যায়ে পড়াশোনা শেষ করে নিশ্চিত জীবনের চাকরির পিছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে গিয়েছিলো। প্রায় ২০ লাখ টাকারও বেশি ধার-কর্জ করা। সবাইকে আশ্বাস দিয়েছিলো, মাছ বিক্রি শুরু হলেই সবার ধার-দেনা পরিশোধ করে দিবে। কিন্তু সব লন্ডভন্ড। নিম্নবিত্ত পরিবারে এতবড় ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সাধ্য নেই।
সব ছেড়েছুড়ে উদ্যেক্তা হতে চাওয়া ছেলেটি পরিবারের মুখের দিকেও তাকাতে পারছে না। ধারদেনা শোধ করবে কিভাবে সেই উপায়ও জানা নেই। বিচার পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন না।
কোনোরকম পূর্ব শত্রুতা ছাড়াই এমন জঘন্য কাজ মানুষ করতে পারে !!!
(নওগাঁয় প্রশাসনের কেউ পরিচিত থাকলে সিরাজের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি।
সিরাজের মোবাইল নাম্বার-0 1715-922875, ফেসবুকঃ Siraz Al Islam
মূল লেখাঃ Sanaul Haque Sunny

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০

চট্টগ্রামের বিশেষ কিছু এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের ১৩ তম ব্যাচ, অজেয়'১৩ বা Invincible '13 এর সকল সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ও সহযোগিতায় চট্টগ্রামের বিশেষ কিছু এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য যেমনঃ চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবন, নুডলস ও সাবান বিতরণ করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন সময়ে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের ফলে সমাজের স্বল্প আয়ের মানুষ যেমনঃ সাধারণ শ্রমিক, দিনমজুর ও অন্যান্য নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই তাদের মুখে অন্ততঃ দু'বেলা আহার যোগাতে তাঁদের এই মহান প্রচেষ্টা।
অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে ধন্যবাদ, তাঁদের জন্য অনেক অনেক দুয়া আর শুভকামনা। আল্লাহ তাঁদের এই কাজকে কবুল করুন, তাঁদের সামর্থ বাড়িয়ে দিন আর এ কাজ যেন অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার হয়।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...