* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

বাজারে যেসব ওষুধ আছে, সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করা হোক

 

বাংলাদেশ বার্তা: বাজারে যেসব ওষুধ আছে, সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করা হোক বার্তা বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ স্কয়ার ফার্মার একটি ইঞ্জেকশন সেফট্রন ১ গ্রাম-এর দাম ১৯০ টাকা। একই ইঞ্জেকশন হেলথ কেয়ার ফার্মার অরিসেফ ১ গ্রাম-এর দাম ৩২০ টাকা। ঠিক একই ইঞ্জেকশন রেডিয়ান্ট ফার্মার রফেসিন ১ গ্রাম-এর দাম ৪১৫ টাকা।

হয় স্কয়ার ফার্মা নিম্মমানের কাঁচামাল দিয়ে ইঞ্জেকশন বানাচ্ছে অথবা রেডিয়ান্ট ফার্মা বেশি লাভে মার্কেটে মাল ছাড়ছে...! রেডিয়ান্ট কোম্পানির বক্তব্য- আমরা মাল্টিন্যশনাল কোম্পানি, কিন্তু ওষুধ বানায় গাজীপুরে।

নিউরো বি স্কয়ার বিক্রি করছে প্রতি ট্যাবলেট ৮ টাকা করে; সেই ওষুধ জিস্কা ফার্মা নিউবিন বিক্রি করছে ৫ টাকায়।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে- ১ গ্রাম সেফট্রন ভালো মানের কাঁচামাল দিয়ে প্রস্তুত করতে খরচ পড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা আর সেই ইঞ্জেকশন ভোক্তার হাতে যেতে দাম পড়ে ১৯০ থেকে ৪১৫ টাকা।

একটা এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ মিলিগ্রাম ট্যাব প্রস্তুত করে ফ্যাক্টরি থেকে বের হলে দাম পড়ে মাত্র ৩ টাকা। সেই এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ মিগ্রা-কে ভোক্তার কিনতে হয় ৩৫ টাকা/৫৫ টাকায়।

একেক কোম্পানি একেক ধরনের টেকনোলজি ব্যবহার করে এবং একেক কোম্পানি একেক সোর্স থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে। বাস্তবে তারা সঠিক কাঁচামাল দিয়ে বানাচ্ছে তো?

বাজারে যেসব ওষুধ আছে, সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করা হোক। তারা ১ গ্রাম ইঞ্জেকশন-এর স্থানে ৮৯০ মিলিগ্রাম দেয়নি তো? .

©শাহীদুল হক চৌধুরী

বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১

সৌদি আরব ও কুয়েতগামি অভিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের করোনা টিকা গ্রহনের জন্য ৭ টি হাসপাতাল সংরক্ষিত করা হয়েছে

বাংলাদেশ বার্তা: সৌদি আরব ও কুয়েতগামি অভিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের করোনা টিকা গ্রহনের জন্য ৭ টি হাসপাতাল সংরক্ষিত করা হয়েছে; বার্তা বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  সৌদি আরব ও কুয়েতগামি অভিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের করোনা টিকা গ্রহনের জন্য ৭ টি হাসপাতাল সংরক্ষিত করা হয়েছে। সেগুলো হলঃ


১। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
২। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
৩। শহীদ সোহারাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
৪। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
৬। শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রো-লিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা
৭। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা ।

সৌদি আরব ও কুয়েত ব্যতীত অন্যান্য দেশের প্রবাসী শ্রমিকেরা উল্লিখিত ৭ টি নির্দিষ্ট কেন্দ্র ব্যতীত অন্য কেন্দ্রে নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারবেন ।

বিদেশগামী শিক্ষার্থীগণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত হয়ে সুরক্ষা এ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে টিকার আওতায় আসবে।

এছাড়া ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশি নাগরিক www.surokkha.gov.bd এই পোর্টালে গিয়ে আপনার পরিচয় যাচাই এর জন্য শ্রেণী নির্বাচন করুন ও জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সঠিক মোবাইল নাম্বার যাচাইপূর্বক অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।

কোভিড-১৯ করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রক্রিয়াঃ

১। অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করা
২। টিকা কার্ড প্রিন্ট করা
৩। SMS নোটিফিকেশন পাওয়া
৪। টিকা কেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণ 

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...