* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*
বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

 

বাংলাদেশ বার্তা: বিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা. বার্তা বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাকে ধুয়ে মুছে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে পরস্পর প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হবো। ঈদু-উল-আযহা সব মুসলমানদের একটি মহান উৎসর্গের দিন। চলো যাই আমরা আমাদের মনের কুপ্রবৃত্তিকে উৎসর্গ করি।

২১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা। সারাদেশের মানুষকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ঈদ মোবারক। সেই সঙ্গে আমি ভয়ংকর এ দুঃসময়ে দেশবাসীসহ আমাদের সাংবাদিক ভাই যারা মারা গেছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং যারা এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন তাদের সুস্থতা কামনা করছি। আপনারা সবাই যাতে সুস্থ থাকেন সেই দোয়া করছি।

ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার প্রতি অপরিমেয় অনুগত্যের এক অপূর্ব ও অদ্বিতীয় নিদর্শন। একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য্য ও সহনশীলতা অপরিহার্য। পবিত্র ঈদ-উল-আযহার মহান আদর্শ ও শিক্ষাকে আমাদের চিন্তায়, চেতনায় এবং কর্মে প্রতিফলন ঘটাতে হবে। চেষ্টা করতে হবে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সফল, কার্যকর এবং শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে।

ঈদ উল আযহার চেতনার আলোকে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সহনশীলতা, সহমর্মিতা, ধৈর্য্যশীলতা ও ত্যাগী মনোভাবকে প্রাধান্য দেয়া এবং চর্চা করাই হউক আমাদের পাথেয়। আমরা সকলে পবিত্র ঈদুল আযহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নিয়ে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

পবিত্র ঈদ-উল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধিময় বার্তা। মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ঈদ-উল আযহা হলো নেক বান্দাদের জন্য পুরষ্কার স্বরূপ। পবিত্র ঈদ-উল আযহা আমাদের ধনী-দরিদ্রের, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে এক কাতারে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়।

দেশের এই দুর্যোগময়কালে সবার উচিৎ অসহায়-গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের যথাসাধ্য সাহায্য করা। যাতে তারাও আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মহামারি থেকে নিজেকে রক্ষা করুন ও ঘরে থাকুন এবং আমার পক্ষ থেকে সর্বন্তরের জনগণকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল আযহা’র শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। 

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

নাফিসা উমরের প্রার্থনা কি মঞ্জউর হয়ে গেল

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ নাফিসা উমর। কাশ্মিরের এক মেয়ে। যার একটি দোয়া (প্রার্থনা)-র কথা উল্লেখ করেছেন সাংবাদিক অরবিন্দ মিশ্র। কাশ্মিরে লকডাউন ছিল দীর্ঘ সাতমাস। এটা নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা কথা উঠতে থাকে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকজন সাংসদকে এনে কাশ্মির পরিদর্শন করানো হয়। এর আয়োজন ও ব্যবস্থা করে ভারত সরকার। সেই পরিদর্শকদলের সঙ্গে থাকার অনুমতি দেওয়া হয় দেশের কয়েকজন 'বাছাই করা' সাংবাদিককে, যাতে কাশ্মির নিয়ে রিপোর্টিং করা হলেও তা যেন সরকারের প্রতিকূলে না যায়। সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন ইকোনমিক টাইমসের অরবিন্দ মিশ্র। কয়েকদিন আগে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ওই কাশ্মির ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি পোস্ট করেন, যেটি ভাইরাল হয়। এখানে পেশ করলাম সেই ভাইরাল হওয়া পোস্টটির সম্পাদিত বঙ্গায়ন :


শ্রীনগরের এক গলির মুখে একটি বাড়ির জানালায় দেখতে পাই এক পর্দানশীন মেয়েকে। মেয়েটি আওয়াজ দিতে আমি থেমে যাই। আমাকে দেখে বলেন, 'ভাইয়া ! আপনি বিলালের বন্ধু, দিল্লিতে থাকেন, তাই না?'
আমি বললাম, হ্যাঁ।
তখন মেয়েটি বললেন, 'বিলাল আপনার খুব তারিফ করে। বলে, আপনি খুব বুঝদার মানুষ। মানুষের দুঃখ বোঝেন। আমি নাফিসা উমর। বিলালের ফুফাতো বোন...'

সময়ের স্বল্পতা বুঝে মেয়েটি তাড়াহুড়ো করে যে কথাগুলো বলেছিলেন, তাঁর সেই কথাগুলো শুনে আমি কয়েকদিন ঘুমাতে পারিনি। আর সেই কথাগুলো আজ আপনাদের কাছে বলাটা জরুরি মনে করছি। নাফিসা বলেছিলেন :

'যদি কোনো জায়গায় লাগাতার সাত মাস ধরে কারফিউ চলে, 
বাড়ি থেকে বের হওয়া দূরের কথা, বাইরে উঁকি দেওয়াও কঠিন হয়,
এলাকাজুড়ে ৮–৯ লক্ষ সেনা মোতায়েন থাকে,
ইন্টারনেট বন্ধ থাকে,
মোবাইল বন্ধ থাকে,
ল্যান্ডলাইন ফোনও বন্ধ থাকে,
বাড়ি বাড়ি থেকে শিশু-যুবক-বৃদ্ধসহ হাজারো বেকসুরদের গ্রেফতার করা হয়ে থাকে,
ছোট-বড় সমস্ত নেতাদের জেলবন্দি করা হয়ে থাকে,
স্কুল-কলেজ-দপ্তর সব বন্ধ থাকে,
তাহলে কীভাবে বেঁচে থাকতে পারে মানুষ?
তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা কী হবে? অসুস্থদের অবস্থা কী হবে?
এসব কথা ভাবার মতো কেউ নেই।
যদি এলাকার জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষ অবসাদে ভুগতে ভুগতে মানসিক অসুস্থতার শিকার হয়ে পড়ে,
বাচ্চারা আতঙ্কিত হয়ে থাকে,
ভবিষ্যৎ থাকে অন্ধকারে,
নির্যাতন-নিপীড়ন চরমে পৌঁছয়,
আলোর কোনো রেখা দেখা না যায়,
অবস্থা ভালো করার মতো কেউ যদি না থাকে
এবং গোটা দুনিয়া চুপচাপ তামাশা দেখতে থাকে...'

নাফিসা এরপর কাঁদতে কাঁদতে বলেন :

'আমরা সব সহ্য করছি। যথেষ্ট সহ্য করছি। কিন্তু ওই সময় অন্তর কেঁদে ওঠে, মনটা বড়ো ছটফট করে, যখন শুনতে হয়, ওদিকের কিছু লোক বলে, ''ভালোই হয়েছে, ওদের সঙ্গে এরকমই হওয়া দরকার ছিল''! তবুও আমরা ওদের জন্য, কিংবা অন্য কারোর জন্যেও, কখনো বদদোয়া করিনি, অভিশাপ দিইনি। কারোর খারাপ চাইনি। শুধু একটাই দোয়া/প্রার্থনা করেছি, যাতে সমস্ত মানুষ এবং গোটা দুনিয়া আমাদের অবস্থা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারে। অরবিন্দ ভাইয়া, আপনি দেখে নেবেন, আমার প্রার্থনা খুব শীঘ্রই মঞ্জুর হবে।'

এবার আমি জানতে চাইলাম, 'আপনি কী প্রার্থনা করেছেন, বোন?'

তখন নাফিসা ডুকরে ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে যা বলেছিলেন—আমার কানে অনেক দিন বেজেছে—এখন চোখের সামনে দেখতেও পাচ্ছি—তাঁর ব্যথা অনুভব করার চেষ্টা করবেন, হুবহু তাঁর কথাগুলোই তুলে ধরছি :

'ইয়া আল্লাহ ! যাকিছু আমাদের ওপর হচ্ছে তা যেন অন্য কারোর উপর না হয়, শুধু তুমি এমন একটা কিছু করে দাও যাতে গোটা পৃথিবী কিছুদিনের জন্য নিজেদের ঘরে বন্দি হয়ে থাকতে বাধ্য হয়, সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়, থেমে যায়। তাহলে হয়তো দুনিয়া এটা অনুভব করতে পারবে যে, আমরা বেঁচে আছি কেমন করে !'

আজ আমরা সবাই যে যার ঘরে বন্দি। আমার কানে নাফিসার সেই কথাগুলো যেন বাজছে—

'ভাইয়া, আপনি দেখে নেবেন, আমার দোয়া খুব শীঘ্রই কবুল হবে...!'

[কপিকৃত ]

বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১

হঠাৎ গ্রেপ্তার হলে কি করবেন?? কিছু আইনি পরামর্শ জেনে রাখুন !

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মনে রাখবেন - পুলিশ আমাদের বন্ধু ।

১.  বিনা ওয়ারেন্ট অথবা নোটিশ না দিয়ে পুলিশ আপনাকে গ্রেফতার করতে পারে না। (CrPC act 54 ব্যতীত)

২. গ্রেফতারের সময় আপনাকে গ্রেফতারের কারণ, গ্রেফতারকারী অফিসারের নাম, গ্রেফতারের সময় ও স্থান সম্পর্কিত একটি মেমো পুলিশ আপনাকে বা আপনার বাড়ির লোককে দিতে বাধ্য। এই জিনিসটি অবশ্যই চেয়ে নেবেন। মামলার ক্ষেত্রে এটির গুরুত্ব অপরিসীম।

৩.  গ্রেফতার করার 24 ঘন্টার মধ্যে পুলিশ আপনাকে ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে হাজির করতে বাধ্য এবং ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া আর একদিনও আপনাকে অতিরিক্ত আটকে রাখতে পারে না। কোর্ট ছুটি থাকলে সেক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেটের আবাসিক এ আপনাকে হাজির করাতে হবে।

৪. মহিলা পুলিশ ছাড়া কোনওভাবেই কোনও মহিলাকে গ্রেফতার বা তল্লাশী চালানো যায় না।

৫. আইন অনুযায়ী পুলিশ লক আপে আপনাকে কোনওপ্রকার শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার করতে পারে না। এমনকি চড় মারতেও পারে না।

এবার জেনে নিন কীভাবে পুলিশ আপনাকে হয়রানি করতে পারে ও এক্ষেত্রে কী করবেন-

১. সাধারণ ভাবে সরকারবিরোধী, শাসক দল বিরোধী কোনও পোষ্টের জন্য পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না। কারণ বাক স্বাধীনতার অধিকার আমাদের সংবিধানে স্বীকৃত। কিন্তু পুলিশ মামলা দায়ের করে অন্য ধারায়। আপনি পুলিশী হয়রানির শিকার হতে পারেন। যদি আপনি আপনার ফেসবুক পোস্টে-

ক) অশ্লীল কোনো শব্দ ব্যবহার করেন
খ) ভিত্তিহীন গুরুতর অভিযোগ করেন
গ) চরিত্রহনন করেন।

এই সমস্ত বিষয়গুলি তাই এড়িয়ে চলুন। স্বেচ্ছায় পুলিশেকে সুযোগ করে দেবেন না।

২. স্থানীয় রেপুটেড কোনো ক্রিমিন্যাল ল'ইয়ার, স্থানীয় মানবাধিকার আন্দোলনকর্মী এবং মিডিয়ার ফোন নাম্বার হাতের কাছে রাখুন।

৩. কোনও ব্যক্তি পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন জানতে পারা মাত্র তার পাশে দাঁড়ান। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে খবরটি ছড়িয়ে দিন।

এবিষয়ে বিজ্ঞ আইনজীবিদের আরও পরামর্শ সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। গন সচেতনতা তৈরিতে সহয়তা করুন।

মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতাই পারে আপনাকে সুস্থ রাখতে।

সংগ্রহঃ Law's of Bangladesh

মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১

৩৭ তম বি.সি.এস হেলথ ক্যাডারে প্রথম হয়েছেন ডা. উর্মিতা

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ডা. উর্মিতা, যিনি প্রকাশিত ৩৭ তম বি.সি.এস এর রেজাল্টে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে বি.সি.এস হেলথ ক্যাডারে প্রথম হয়েছেন।

তিনি বুয়েট আর ডি.এম.সি তে একই সাথে চান্স পেয়েছেন এবং ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়ে মেডিকেলের প্রতিটি প্রফ পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন।তিনি প্রথম বারেই বি.সি.এস দিয়ে প্রথম হন।

আমাদের উচিত নিজেদের নেগেটিভ জিনিসগুলোকে ভাইরাল হতে না দিয়ে আমাদের পজিটিভিটি আমাদের

সফলতালোকে বেশি বেশি ভাইরাল করা। প্রচার করা যা অন্যদের এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে।

সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১

দু‘আ করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম-কানুন

 

[১] দু‘আর শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করা এবং এরপর রাসূলের উপর দরুদ পাঠ করা। একইভাবে দু‘আ শেষ করা।

একবার ইবনে মাস'ঊদ (রা.) সালাতের বৈঠকে বসে প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করেন, অতঃপর রাসূলের উপর দরুদ পাঠ করেন, তারপর নিজের জন্য দু‘আ করেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘এখন চাও, তোমার প্রার্থিত বস্তু তোমাকে দেয়া হবে; এখন চাও, তোমার প্রার্থিত বস্তু তোমাকে দেয়া হবে।’’ [তিরমিযি: ২/৪৮৮, হাসান]
আরেকজন ব্যক্তি প্রথমেই নিজের জন্য চাওয়া শুরু করেন। তাকে দেখে নবীজি বলেন, ‘‘সে অনেক বেশি তাড়াহুড়া করে ফেলেছে।’’ [আবু দাউদ: ১৪৮১, হাসান]

দু‘আর শেষদিকে আবারও প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করা অতঃপর নবীজির উপর দরুদ পড়ার মাধ্যমে দু‘আ শেষ করা। [ইবনুল কায়্যিম, জালাউল আফহাম: ৩৭৫]

[২] প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা

আবু আইয়ূব আনসারি (রা.) বলেন, ‘‘নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আ করতেন, তখন নিজেকে দিয়ে শুরু করতেন।’’ [আহমাদ: ৫/১২১, মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/১৫২, হাসান]

[৩] দৃঢ় বিশ্বাস রেখে দু'আ করা

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘হে মানুষেরা! তোমরা যখন আল্লাহর কাছে চাইবে তখন কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে চাইবে; কারণ কোনো বান্দা অমনোযোগী অন্তরে দু'আ করলে আল্লাহ তার দু'আ কবুল করেন না।’’ [সহিহ আত তারগিব: ২/১৩৩, হাসান]

[৪] সম্ভব হলে প্রথমে অজু করে নেওয়া

একবার নবীজিকে আবু আমির (রা.)-এর জন্য দু‘আ করতে অনুরোধ করা হলে, তিনি প্রথমে অজু করে নেন, এরপর দু‘আ করেন। [সহিহ বুখারি: ৪৩২৩]

[৫] তিনবার করে বলা (বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ কিছু চাওয়ার ক্ষেত্রে)

ইবনু মাস‘ঊদ (রা.) বলেন, ‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলে (কখনো) তিনবার করে দু‘আ করতেন, কোনো কিছু (আল্লাহর কাছে) চাইলে তিনবার চাইতেন।’’ [সহিহ মুসলিম: ১৭৯৪]

[৬] কিবলামুখী হওয়া

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করতে চাইলে, তখন তিনি কিবলামুখী হতেন। [সহিহ বুখারি: ১০০৫]

[৭] দু‘আর মধ্যে ছন্দময় কথা না বলা

ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, আমি দেখেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবাগণ ছন্দময় কথা দু‘আর মধ্যে এড়িয়ে চলতেন। [সহিহ বুখারি: ৬৩৩৭]

[৮] দু‘আর মধ্যে আল্লাহপ্রদত্ত নিয়ামত ও নিজ অপরাধের স্বীকৃতি দেওয়া

সাইয়িদুল ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দু‘আ)-র মধ্যে আমরা এমনটি দেখি, সেখানে বলা হচ্ছে—‘‘আমার উপর তুমি যে অনুগ্রহ করেছ, তা স্বীকার করছি এবং আমার কৃত পাপের কথাও স্বীকার করছি।’’ [সহিহ বুখারি: ৬৩০৬]

[৯] নেক আমলের উসিলা দিয়ে দু‘আ করা, পাশাপাশি আল্লাহর রহমত ও বড়ত্বের উসিলায় দু‘আ করা। এছাড়া ইসমে আযম দিয়েও দু‘আ করা উত্তম। (এ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র পোস্ট দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ)

একবার তিন ব্যক্তি একটি গুহায় আটকা পড়েছিলো। একটি বিশাল পাথর গুহার মুখে এসে আটকে যায়। এমন কঠিন অবস্থায় তিনজনই তাদের বিভিন্ন নেক আমলের উসিলা দিয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলো, আল্লাহ তাদের দু‘আ কবুল করে পাথরটি সড়িয়ে দিয়েছিলেন। [সহিহ বুখারি: ২২১৫]

[১০] আল্লাহর প্রভুত্ব, মহত্ত্ব, বড়ত্ব, অমুখাপেক্ষিতা, তাঁর সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি বিষয়গুলো দু‘আর মধ্যে বারবার স্মরণ করা এবং বলতে থাকা। এটি দু‘আ কবুলের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। [ইবনু রজব, জামি‘উল উলূম ওয়াল হিকাম]

হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা (দু‘আর মধ্যে) এ বাক্য উচ্চারণ করা বন্ধ করো না—
يا ذا الجلال والإكرام
.
[ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম]
হে রাজকীয়তা ও মহানুভবতার অধিকারী!’’ [বুখারি, আত তারিখুল কাবির: ৩/২৮০, সহিহ]

[১১] স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রাচুর্যের সময় বেশি বেশি দু‘আ করা

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যার মন চায়—তার কষ্ট ও দুশ্চিন্তার সময় তার দু‘আ কবুল হোক, সে যেন প্রাচুর্যের সময় বেশি বেশি দু‘আ করে।’’ [তিরমিযি: ৩৩৮২, হাসান]

[১২] নীচু স্বরে দু‘আ করা; খুব জোরে দু‘আ না করা; কারণ এটি সীমালঙ্ঘন

আল্লাহ্ বলেন, ‘‘তোমার রবকে ডাকো কান্নাজড়িত কণ্ঠে এবং চুপে চুপে। অবশ্যই তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’’ [সূরা আ’রাফ, আয়াত: ৫৫]

[১৩] কাতর কণ্ঠে, ভীত-বিহ্ববলচিত্তে দু‘আ করা [সূরা আ’রাফ, আয়াত: ২০৫]

[১৪] দু‘আর মধ্যে হাত উত্তোলন করা [সহিহ বুখারি: ২৮৮৪, আবু দাউদ: ১৪৮৮]

[১৫] আল্লাহর সামনে নিজের অসহায়ত্ব পেশ করা [সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ৮৯, সূরা ইবরাহিম, আয়াত: ৩৭]

[১৬] দু‘আর মধ্যে অপ্রয়োজনীয় শব্দ না বলা [আবু দাউদ: ১৪৮০ ও ৯৬, সহিহ]

যেমন: ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে জান্নাতের অমুক ফলটা দিয়ো, তমুক জিনিসটা দিয়ো’’ এভাবে না বলে শুধু জান্নাত চাওয়া। কারণ জান্নাতে গেলে তো সবই পাওয়া যাবে।

[১৭] দু‘আর মধ্যে নিজ পিতা-মাতা, সকল মুসলিমদের জন্য দু‘আ করা [সূরা ইসরা, আয়াত: ২৪, সূরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১, সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]

[১৮] বেশি বেশি করে চাওয়া

হাদিসে এসেছে, ‘‘তোমাদের কেউ যখন কামনা বা প্রার্থনা করবে, তখন সে যেন বেশি করে প্রার্থনা করে। কারণ সে তো তার মালিকের কাছেই চাচ্ছে!’’ [মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/১৫০, সনদ সহিহ]

[১৯] দু‘আর সময় দৃষ্টি নত রাখা [মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/১৬৭-১৬৮]

[২০] আমীন বলে দু‘আ শেষ করা [আবু দাউদ: ১/৯৩৮]

তবে, এটি দিয়েই শেষ করতে হবে, এমন নয়। মাঝেমধ্যে সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াত, কখনো কালিমা তাইয়িবাহ্ ইত্যাদি দিয়েও দু‘আ শেষ করা যাবে। (বিস্তারিত অন্য কোনো পোস্টে ইনশাআল্লাহ্)

সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১

বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সভাপতি এস এম শাহীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  সাংবাদিক এসএম শাহীনকে বন্দর থানা সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সভাপতি এস এম শাহীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বন্দর থানা সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটির নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার ৫ই মার্চ রাত ৮টায় বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে এসে সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটির নেতৃবৃন্দরা ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় তারা বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
শুভেচ্ছা ও সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমগীর আগুন বাবু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আল-আমিন পাঠান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কার্যকরী সদস্য রাকিব পাঠান, সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম, দেলোয়ার পাঠান সহ প্রমুখ। 

রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

সতর্কী করণ বিজ্ঞপ্তিঃ গুজবে কান দিবেন না, সঠিক তথ্য জানুন নিরাপদ থাকুন

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা সরকারি অনুদান দেওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই গুজবে বিশ্বাস করে আজ শনিবার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ঢল নেমেছে। ফটোকপি ও অনলাইন সার্ভিসের দোকানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রত্যয়ন নিতে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় যায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

তবে গত বছরের মতো এ বছরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ অনুদানের জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছে। দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার শিকার শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুস্থ, প্রতিবন্ধী, গরিব ও অনগ্রসর ছাত্র-ছাত্রীরা অগ্রাধিকার পাবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সংস্কার, আসবাবপত্র, খেলার সামগ্রী এবং পাঠাগার উন্নয়নের জন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করতে পারবে। আগামী ৭ মার্চ আবেদনের শেষ সময়। তবে এটি করোনা প্রণোদনা বা স্টুডেন্ট ভাতা না।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছে, করোনাকালীন স্টুডেন্ট ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করার কথা শুনে তারা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে অনলাইনে আবেদনের জন্য ভিড় করেছেন। কিন্তু নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ঢোকা যাচ্ছে না। এ ছাড়া কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে প্রত্যয়ন দিলেও কোনো প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা ৫০-২০০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
এ ধরনের চিঠি গতবছর এসেছিল, তবে সীমিতসংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুদান পেয়েছেন। কিন্তু গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে এ বছর ধনী-দরিদ্র সকল শিক্ষার্থী প্রত্যয়ন নিয়ে আবেদন করার জন্য ভিড় করছেন।
গুজবে কান দিবেন না, সঠিক তথ্য জানুন নিরাপদ থাকুন।
বি: দ্রঃ জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করুন।

বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১

বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্য জেনে রাখুন

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।

কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার)
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

সকল অবস্থায় ধর্য্য ধারণ করা

 মনে রাখবেন ..

১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে প্রতারণা করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন।
২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।
৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসার আর কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার শেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ ) মাছের পেটের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন।
৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন, হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল।
৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায় কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ) আপনার চেয়েও হাজার গুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।
৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরন করুন, হযরত আদম (আঃ) কে, যাকে প্রথমে একাকী সঙ্গীবিহীন সৃষ্টি করা হয়েছিল।
৭) যখন কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি অবস্থার পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন কোন প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হযরত নুহ (আঃ) এর কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরি করেছিলেন।
৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই পরীক্ষায় ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য ধারন করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে। ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য ধারনকারীদের সাথেই আছেন’। [সুরা আনফালঃ ৪৬]

মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বিপদ ও সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মুমিনের রয়েছে দশটি অমোঘ অস্ত্র

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বিপদ ও সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মুমিনের রয়েছে দশটি অমোঘ অস্ত্র। যা কুরআন ও হাদীস থেকে জানা যায়।

১- সূরা আল-ফাতিহা; আর এজন্যই এ সূরার অন্য নাম হচ্ছে আল-কাফিয়া বা যথেষ্টকারী, আশ-শাফিয়া বা আরোগ্যকারী। এটি আল্লাহর গুণ হওয়ার কারণে এর দ্বারা ঝাড়ফুক করা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে।
২- “আল্লাহ আল্লাহ রাব্বী, লা উশরিকু বিহী শাইয়ান” আল্লাহ ,আল্লাহ, তিনি আমার রব্ব, আমি তার সাথে কাউকে শরীক করি না। আবু দাঊদ, হাদীস নং ১৫২৫।
৩- “লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়ালেমীন” হে আল্লাহ আপনি ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ নেই, আপনি কতই না পবিত্র! আমি তো অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছি। তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫০৫।
৪- “হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি‘মাল ওয়াকীল”। ‘আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। এটা বলেছিলেন সাহাবায়ে কিরাম, তখন তারা কোনো প্রকার সমস্যা ছাড়াই প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। সূরা আলে ইমরান, ১৭৩-১৭৪।
৫- “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় নেই, কোনো ক্ষমতাও নেই। এটি জান্নাতের গোপন ভাণ্ডারসমূহের একটি ।
৬- “আস্তাগফিরুল্লাহ” বা আস্তাগফিরুল্লাহিল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আল-হাইয়্যুল কাইয়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি”।
৭- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীম আল-হালীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল ‘আরশিল আযীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি, রাব্বিল আরশিল কারীম”। (বুখারী, হাদীস নং ৬৩৪৬, মুসলিম, ২৭৩০)
৮- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নী ‘আউযু বিকাল মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউযুবিকা মিন দ্বাল‘য়িদ দাইনি ওয়া ক্বাহরির রিজাল’। (তিরমিযী, হাদীস নং ৩৪৮৪)
৯- “ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আসতাগীসু, (ইবনুস সুন্নী, ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ” হাদীস নং ৩৩৭।)
১০- আল্লাহুম্মা রাহমাতাকা আরজূ, ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন”, ওয়া আসলিহ লী শা‘নী কুল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লা আনতা।” (আবু দাঊদ, হাদীস নং ৫০৯০।)

বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১

নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু পরামর্শ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ
 ১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।

২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবেনা ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যিক? উত্তর না হলে ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪.রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫.তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
লেখাটার প্রতিটি কথার উপরে আমল করার তৌফিক আল্লাহ আমাদের দান করুক। আমিন।

মুসলিম ফারায়েজ আইন অনুসারে সম্পত্তি বন্টন

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মুসলিম ফারায়েজ নীতি অনুসরণে নিচে দেওয়া হল

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,

( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।


২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,

( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে
থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।
৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে

১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন
২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।
৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,

(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে

(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত
হইবে।
৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে

পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন
বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার
হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন qwবঞ্ছিত
হইবে।
৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা
হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন
মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে
বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে
বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১
/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে
পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...