* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*
চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১

আমাদের সমাজে প্রচলিত গুজব বা কুসংস্কার যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ 
১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!

নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ
পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।

১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
সংগৃহীত

রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২০

চট্টগ্রামে আরো ৬জন করোনা শনাক্ত

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্ক ১২ এপ্রিল ২০২০: চট্টগ্রামে আরো ৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রাম মোট রোগীর সয়খ্যা দাড়ালো ১৫জন। আজ রোববার ১২ এপ্রিল রাতে এ তত্য জানান চট্টগ্রাম বিভাগী স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ হাসান শাহরিয়ার কবীর এর মধ্যে একজন চট্টগ্রামের দামপাড়ায় (বয়স ৫৫), ফৌজদার হাট (৪৫বছর), সাতকানিয়া (৩২ বছর), সাতকানিয়ায় আরেক জন (১৯ বছর) ও পটিয়ায় ৬ বছরের েএক শিশু রেয়েছে।আরো একজনের দ্বিতীয় দফায় টেস্টে পজেটিভ পাওয়া গেছে। তার বাড়ি সাতকানিয়ায়। 

এছাড়াও চট্টগৃাম বিভাগের লক্ষীপুরে আজো একজনের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। রাত ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)।

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০

বিবেক জাগ্রত হোক; সচেতন করি সকলকে

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ লকডাউনের পূর্বেই নেপালের embassy বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় ২০০ নেপালী ডাক্তারকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নেপালে নিয়ে চলে গেছে।

ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল চট্টগ্রাম (দেবী শেঠীর হাসপাতাল) এর কার্ডিয়াক টিমের সব চিকিৎসক ও স্টাফ এই করোনা দুর্যোগে হাসপাতাল ছেড়ে তাদের দেশ ইন্ডিয়ায় চলে গেছে ।

এই করোনা দুর্যোগের মধ্যে নামী দামী এ্যাপোলো হাসপাতালও গতকাল বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। বসুন্ধরার ওই জায়গায় Ever Care নামে নতুন হাসপাতাল চালু হয়েছে। দুর্যোগ শেষ হলে আবার এপোলো হয়তো নতুন জায়গায় নতুন ভাবে আসবে।

অ্যামেরিকান অ্যাম্বাসী ইতোমধ্যে তাদের প্রায় 300 নাগরিককে বিশেষ বিমানে করে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিয়েছে।

আজ শুনলাম জাপানী নাগরিকরাও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ছেড়েছেন।

শুরু হতে যাচ্ছে করোনার ক্রিটিক্যাল ফেইজ।

একটা বৈশ্বীক মহাবিপর্যয় আমরা অতিক্রম করছি। এটা এমন একটা সময় যখন লাশের জানাযা কিংবা দাফন দেবার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। করোনা আক্রান্তের কথা শুনলে মানুষ তার বাড়িঘর ভেঙ্গে ফেলছে। আত্মীয়স্বজনরা লাশ হাসপাতালে রেখে পালাচ্ছে।

করোনা ক্রাইসিস কালীন কোন রোগী কোন হাসপাতাল দেখবে এ ব্যাপারে এতদিন নির্দিষ্ট গাইডলাইন না থাকায় রোগী ভর্তিতে জটিলতা হচ্ছিল। ইতোমধ্যে এ জটিলতা নিরসন হয়েছে।

তবে করোনা আক্রান্ত রোগীর মূল চিকিৎসা Ventilator (লাইফ সাপোর্ট) যা দেয়ার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য ও পর্যাপ্ত ICU trained ডাক্তার আমাদের নেই। আমাদের দেশে ক্রিটিকাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ, ক্রিটিকাল কেয়ার নার্স এবং অন্যন্য ক্রিটিকাল কেয়ার স্টাফের সংখ্যা এবং হাসপাতালে আইসিইউ বেড সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

এই ক্রাইসিসের সময় সরকারি নির্দেশনা মেনে নিজ গৃহে অবস্থান করুন।

দেশের চিকিৎসকদের উপরই ভরসা রাখুন এবং তাদেরকে উৎসাহিত করুন। মনে রাখুন চিকিৎসকরাও আমাদের মতো মানুষ, তাদেরও পরিবার পরিজন রয়েছে। চিকিৎসকদের মনোবল ভেঙ্গে গেলে এই মহাবিপর্যয় সামাল দেওয়ার কেউই থাকবে না।

কার্টেসী - ডা: মো: ইমরুল হাসান

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০

এবার আশার খবর শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেরেই চলেছে। আর েএই দুঃসংবাদের মাঝে আশার সংবাদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কোভিড-১৯ এর ৪টি ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস এডানম গ্যাব্রিয়াসাস বলেন, নরওয়ে এবং স্পেনে করোনা আক্রান্তদের ওপর শিগগিরই  ওষধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে। এরপর আরো ৪৫টি দেশে চালাবে। আগ্রহ দেখিয়েছে আরো অনেক দেশ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, একা কোন দেশের পক্ষেই  কোভিড-১৯ মোকাবেলা করা সম্ভব না। এর জন্য সব দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এ সব কথা বলেন সংস্থাটির মহাপরিচালক।

বিশ্ব জুড়ে করোনায় আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের ১ জনই স্বাস্থ্যকর্মী। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করার সময় স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের  ৬ জন এবং মৃত প্রতি ১০ জনের ৭ জনই ইউরোপে।

সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৭ হাজারেরও বেশি। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ লাখ ১ হাজার ৪৭৮ জন।

পূর্বকোণের সৌজন্যে

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০

কিভাবে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যসচেতন করতে পারি? সাধারণ চিকিৎসা কি?



১। ইমার্জেন্সি /জরুরি অসুস্থতা ব্যতীত হাসপাতাল বা ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়া বন্ধ করুন। প্রয়োজনে আপনার পরিচিত ডাক্তারের সাথে ফোনে, মেসেজে যোগাযোগ করুন। সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ফ্লু এর জন্য জ্বর, সর্দি ও কাশি হলে বাড়িতে অবস্থান করুন।
সাধারণ সর্দি ,কাশি ,জ্বর,গলা ব্যথা হলে নীচে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে (যা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির জন্যও চিকিৎসা)।
২। হ্যান্ডশেক ও কোলাকুলি করবেন না। কারো সাথে কথা বলতে হলে ৩-৪ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে কথা শেষ করুন।
৩। সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে মুখ, চোখ ও নাক স্পর্শ করবেন না। সাবান ও পানি কাছাকাছি না থাকলে ৭০% এলকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
৪। হাঁচি, কাশিতে টিস্যু বা রুমাল ইউজ করুন। তারপর টিস্যুটি ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। রুমাল হলে ব্যবহার এর পর ধুয়ে ফেলুন।
৫। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হবেন না। পরিবারের যিনি কাজে বের হবেন তিনি ঘরের কেনাকাটা ও প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেবেন। আমাদের গ্রামের মানুষ সচেতন হয়ে
যদি নির্দিষ্ট দূরত্ব ৩-৪ ফুট বজায় রেখে চলাচল করতে পারেন সেক্ষেত্রে হাঁটাচলায় নিষেধের প্রয়োজনীয়তা কম (তবে যাদের জ্বর কাশি সর্দি গলা ব্যথা আছে তারা ঘর থেকে বের হবেন না)।

৬। সরকার স্কুল,কলেজ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের নির্দেশনা দিয়েছেন ছেলেমেয়েদের ঘরের ভিতর রাখতে, বাইরে একসাথে মেলামেশা,একসাথে খেলাধুলা নিয়ন্ত্রণ করা এবং কোচিং সেন্টারে না পাঠানো।নইলে স্কুল বন্ধ হলেও কোন লাভ হবে না।
৭। ওয়াজ মাহফিল, কীর্তন,তীর্থযাত্রাসহ সব ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। যেহেতু সরকার কর্তৃক মসজিদে নামাজ আদায় এখনও বন্ধ করা হয়নি,যারা মসজিদে নামাজ আদায় করতে চান তাদের জন্য বলছি- অসুস্থ বা যাদের জ্বর,কাশি,সর্দি ও গলাব্যথা আছে,যারা পূর্ব থেকে ডায়াবেটিস,
হার্ট,কিডনি লিভারের রোগে ভুগছেন, বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ না করার অনুরোধ করছি। অংশগ্রহণ আপনার ও আপনার পরিবারের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
৮। যারা বড় শহর ও মফস্বল শহরে অবস্থান করছেন, অফিসে যেতে হচ্ছে তারা সিঁড়ি,লিফট, দেয়াল স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। কলিগদেরকে স্বাস্থ্য সচেতনতা হতে উৎসাহিত করুন আপনার ও তার নিরাপত্তার জন্য। দাপ্তরিক কাজে আপনার কলম আলাদা রাখুন। ফাইল পত্র স্শর্শ করে একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।আপনার মোবাইল, ল্যাপটপ, অফিস ডেস্ক পরিস্কার রাখুন।
৯। গ্রামের বাজার বা শহরের বাজার যেখানেই যান ৩-৪ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করুন। সচেতন করতে পারলে এইটা গ্রামে সম্ভব।
১০। টাকা লেনদেন এর ক্ষেত্রেও বলবো,স্পর্শ করে সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে মুখে বা শরীরের হাত দিবেন না। ব্যাংকে গেলে নিজের কলম ব্যবহার করুন।এইখানেও দূরত্ব বজায় রাখুন।এই বিষয়ে অন্যকেও উৎসাহিত করুন।
১১। বাইরের কোন পার্সেল আসলে তা রিসিভ করে ৩ দিন উষ্ণ স্থানে রেখে দিন।হকারকে আপাতত পত্রিকা দিতে নিষেধ করুন।
১২। মাস্ক নিয়ে মাতামাতির কিছু নাই। সাধারণ মাস্ক এই ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সক্ষম নয়। যিনি অসুস্থ এবং যারা সেই অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা দিবেন,তারাই মাস্ক ব্যবহার করুন।
১৩। সাধারণ করোনা ভাইরাস তাপ সংবেদনশীল। কিন্তু SARS CoV-2 এর বিষয়ে কোন ধরনের তথ্য নাই যদিও চীনে এই ভাইরাস ঠান্ডার চেয়ে গরমে কম সংক্রমণ ঘটেছে।তাই বলে গরমে এই ভাইরাস কাবু হবে এমন ভাবার কারণ নাই।
১৪। বর্তমানে COVID-19 চিকিৎসায় বিভিন্ন দেশের প্রটোকলে Remdesivir,Ritonavir,Lopinavir,  Osaltimavir, Cloroquine, Hydroxycloroquine ইত্যাদি এন্টি ভাইরাল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তবে কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেন্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের Genome পরিবর্তন এর মাধ্যমে।আর এইসব ঔষধ বাসায় দেয়ার সুযোগ নাই। খুব খারাপ রোগী যাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদেরকে দেয়া হয়। কোভিড-১৯ এর প্রিভেন্টিভ কোন ঔষধ/ভ্যাক্সিন নাই। এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ঔষধ নিয়ে অনেক কিছু সেয়ার করা হয় যে ঔষধগুলোর কোন ভিত্তি নাই। সেগুলো এড়িয়ে চলুন।

১৫। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর প্রিয় কিছু খাবার যেমন বার্লি, খেজুর,ডুমুর,আঙ্গুর,মধু, তরমুজ,দুধ, মাশরুম,অলিভ অয়েল,ডালিম-বেদানা, ভিনেগার, জমজমের পানি এবং এই ধরনের যে সমস্ত খাবার স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায় তা খেতে পারেন। লেবু,টক জাতীয় ফল খেতে পারেন। উপরোক্ত খাবারগুলো শরীরের ইমিউনিটি বুস্ট করে। বিভিন্ন মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের ঔষধ, লতাপাতার কথা বলা হয় যার কোন ভিত্তি নাই। এইগুলো এড়িয়ে চলুন।
১৬। SARS CoV-2 ভাইরাসজনিত জ্বর, কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা হলে বিশেষ কোন ঔষধ নেই। সাধারণ ফ্লু এর জন্য যে ঔষধ আমরা ব্যবহার করি তাই যথেষ্ট।
নীচের ঔষধ ৭ দিন পর্যন্ত খাবেন।
1. Tab Nap Extend/Ace XR(Paracetamol 665mg).....4-7 days
1+1+1....৩-৪ দিন অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী
Age>12 Years
500 mg,8 hourly, Age 6-12 Years
125-250 mg,8 hourly ,Age 2-6 Years
2. Tab Fexo 180 mg(Fexofenadin)
0+0+1......7 days
>12 Years,hourly
60 mg ,12 hourly,Age 6-12 Years
30mg,12 hourly,Age 2-6 Years
3. ORS N 1 packet+500ml পানি দিনে ২-৩ বার নাক যদি বন্ধ থাকে Antazol Drop Packet এ নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।
4. স্বাভাবিক খাবার খাবেন। ORS সহ মোট ২.৫-৩.০ লিটার তরল খাবেন। কুসুম গরম পানি খাবেন ও কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন। বিশ্রামে থাকবেন। ঘরে অবস্থান করবেন যা হোম কোয়ারান্টাইন বলে পরিচিতি।যদি জ্বর, কাশি ,সর্দি, গলা ব্যথা ৭ দিনের বেশি হলে অথবা বুকে চাপ লাগলে, শ্বাসকষ্ট হলে, তবে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,সিভিল সার্জনের হট লাইনে যোগাযোগ করবেন।
মনে রাখবেন সাধারণ চিকিৎসায় ৮০-৮৫ ভাগ কোভিড-১৯ রুগী ভাল হয়ে যায়। অতএব করোনা আক্রান্ত সন্দেহ হলেও আতংকিত হবেন না।১৫-২০ রোগীর ভাগ হাসপাতালের সাপোর্ট লাগে যা আমাদের দেশে অপ্রতুল।
Dr Abdus Salam Osmani (Abu)
www.chunati.com

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...