* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

জেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃপ্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা। কারণঃ

১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার)
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

অবশেষে ই পাসপোর্ট হাতে পেলাম


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ অবশেষে ই পাসপোর্ট হাতে পেলাম। চট্টগ্রামে এখন ই-পাসপোর্ট দিচ্ছে। ভুলেও নতুন করে এমআরপি করতে যাবেন না অনেক লম্বা লাইন। যারা ই-পাসপোর্ট করবেন তাদের জন্য কয়েকটি টিপস।

# পুরো কাজটাই নিজে নিজে অনলাইনে করতে পারবেন সুতরাং কোন ধরনের দালাল ধরার দরকার নেই।
# ব্যাংকের কাগজটি অবশ্যই গাম দিয়ে লাগাতে হবে।
# আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকলেও আপনি নতুন করে এই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
# পাসপোর্ট আবেদন করার সময় আপনাকে অবশ্যই একটি বিষয় মনে রাখতে হবে সেটি হচ্ছে পাসপোর্টটি আপনি কেন করছেন। আপনি যদি এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে কনভার্ট করেন সেক্ষেত্রে আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকলেও কোনো অসুবিধা নেই।তবে আপনি যদি কোন ডাটা পরিবর্তন করতে চান সে ক্ষেত্রে ডাটা চেঞ্জ অপশন টি ক্লিক করে দিতে হবে।
# ই পাসপোর্ট ফরম পূরণ করার সময় আপনি দেখবেন কিছু কিছু জায়গা অপশনাল কিন্তু আপনি যখন ফরমটি সাবমিট করতে যাবেন তখন তারা আপনার অপশনাল জায়গাগুলো আপনি ফিলাপ না করলে আপনার ফর্মটি বাতিল করে দেবে। সেজন্য আপনি অপশনাল এবং কম্পলসারি সব ধরনের ফরম ফিলাপ করে যাবেন কোন ঘর বাকি রাখবেন না।
# যেদিন আপনাকে অ্যাপার্টমেন্ট দিবে সেদিন সঠিক সময়ে লাইনে দাঁড়াবেন আধা ঘন্টার মধ্যে আপনার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।
# মনে রাখবেন একবার অনলাইনে ফরম পূরণ করে ফেললে আপনি কোনোভাবেই চেঞ্জ করতে পারবেন না। যদি চেঞ্জ করতে হয় কারণ আপনি যদি কোনো ভুল করেন তবে আপনাকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদনটি ক্যানসেল করতে হবে। তারপর 24 ঘন্টা পরে আপনি আবার সংশোধন করে আবেদন করতে পারবেন সুতরাং কনফার্ম করার আগে অবশ্যই সবকিছু দেখে শুনে নেবেন।
# ছবি এবং বায়োমেট্রিক করতে শুধু মাত্র আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা সময় লাগে।
# জরুরী কিংবা এক্সপ্রেস পাসপোর্ট করার দরকার নেই । শুধু শুধু কিছু এক্সট্রা টাকা আপনার খরচ হবে আমি নিজে এক্সপ্রেস এর জন্য আবেদন করেছি পেয়েছি 17 দিন পর আর আমার সাথে আমার আরেকজন বন্ধু আবেদন করেছে নরমাল উপায়ে তিনি 7 দিনের মধ্যে পেয়েছেন কারণ কি আমি নিচে বলছি।
# ই পাসপোর্ট আবেদন ফিলাপ করার শেষ হলে আপনাকে একটি এপোয়েন্টমেন্ট লেটার ইমেইলে দিবে সেটি অবশ্যই আপনাকে প্রিন্ট করতে হবে এবং সাথে করে নিয়ে যেতে হবে।
# আপনারই পাসপোর্ট এর আবেদন টি প্রিন্ট করার সময় অবশ্যই দেখবেন আবেদনটির নিচে যেন বারকোড স্পষ্টভাবে প্রিন্ট হয়ে আসে। আবেদনের প্রথম পেজের নিচে এই বারকোড দেখা যাবে।
# অনেকে গিভেন নেম এবং ফ্যামিলি নেম এর জায়গা খালি রাখেন । সে ক্ষেত্রে সেটি অপশনাল বলে অনেকে মনে করেন সেটি পূরণ না করলেও চলবে কিন্তু আপনি পূরণ না করে যদি আবেদনপত্র জমা দিতে যান তবে আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হবে না বাতিল বলে গণ্য হবে।
# আবেদনের সময় যে ইমেইল আইডিটা দিবেন এবং ফোন নাম্বারটি দিবেন সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইমেইলে আপনাকে বিভিন্ন তথ্য পাঠাবে সুতরাং ইমেইল আইডি সঠিক এবং সবসময় ব্যবহার করেন এরকম হতে হবে।
# আপনার পাসপোর্ট ঢাকায় রেডি হয়ে গেলে এবং চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দিলে তারা আপনাকে একটি মেইল দিবে যে আপনার পাসপোর্টটি চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মেইলটি পাওয়ার একদিন পরেই আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার ডেলিভারি স্লিপ কি জমা দিয়ে আপনি আপনার পাসপোর্ট নিয়ে আসতে পারবেন। ডেলিভারি স্লিপ জমা দেওয়ার সময় যদি জিজ্ঞেস করে আপনি কোন মেইল পেয়েছেন কিনা তখন বলবেন পেয়েছেন । তা না হলে আপনি যদি তাদের পাসপোর্ট রেডি এই মেইলটি র জন্য অপেক্ষা করেন তাহলে আমার মত 17 দিন অপেক্ষা করতে হবে তারপরেও তারা মেইল টা দিবেনা।
# জরুরী কিংবা সাধারণ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে আপনি এক সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবেন। সুতরাং নতুন জরুরি করার জন্য আপনার আলাদা করে টাকা দেওয়ার দরকার নেই সাধারণ পাসপোর্ট করলেও আপনি সাতদিন আর দিন বা দশ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন। এখন অবশ্য ই-পাসপোর্টে ভীর কম তাই হয়তো তাড়াতাড়ি তারা পাসপোর্ট দিয়ে দিচ্ছে।
# আগেই বলেছি আমি 17 দিন পরে পাসপোর্ট হাতে পেয়েছি যদিও আমি এক্সপ্রেস পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে 10 দিনের মধ্যে দেয়ার কথা কিন্তু আমি ডেলিভারি মেইল এর জন্য অপেক্ষা করেছিলাম যে কারণে আমি পাসপোর্ট নিতে যাইনি। আমার বুদ্ধিমান বন্ধুটি সাধারণের আবেদন করে যখনই চট্টগ্রামে পাসপোর্ট শিফট হয়েছে মেইলটি পাওয়ার পর তিনি নিজে গিয়েই ডেলিভারি স্লিপ জমা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে এসেছেন।তারপর একইভাবে আমি মেইল না পাওয়ার পরেও শুধুমাত্র ডেলিভারি স্লিপ জমা দিয়ে আবার পাসপোর্টটা নিয়ে আসি। আমি জানিনা চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ এ কেন তারা পাসপোর্ট আসার পরেও গ্রাহককে কোন ধরনের মেইল বা এসএমএস দেন না।সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয়গুলো আপনি পাসপোর্ট নিয়ে বাসায় আসার পর আপনি মেইল এবং এসএমএস পাবেন যে আপনার পাসপোর্টটি রেডি হয়েছে।
# আরেকটি বিষয় ই-পাসপোর্ট করার জন্য আপনার কোন ধরনের ছবি সংযুক্ত করতে হবে না।
# অ্যাপোয়েন্টমেন্ট এবং ছবি তোলার একই দিনে সুতরাং যে শার্ট টি পড়ে যাবেন সেটি যেন গাঢ় রংয়ের হয়। হালকা রঙের হলে সেটি ছবিতে ভালো দেখায় না। তারা আপনাকে শার্ট চেঞ্জ করে আসতে বলতে পারে।
# গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় মনে রাখবেন। ই পাসপোর্ট করতে স্মার্ট আইডি কার্ড দরকার । যদি আপনার স্মার্ট আইডি কার্ড না থাকে তবে পুরাতন আইডি কার্ডটি দিয়ে আপনি ই পাসপোর্ট করতে পারবেন না। তবে ই পাসপোর্ট করতে আপনার স্মার্ট আইডি কার্ডের নাম্বারটি থাকলে বা টেম্পোরারি স্মার্ট আইডি কার্ড থাকলে আপনি করতে পারবেন। তবে আমি অনেকের কাছে শুনেছি তারা পুরাতন আইডি কার্ড দিয়ে ই পাসপোর্ট করতে পারছেন সেক্ষেত্রে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনাদের যোগাযোগ করতে বলবো কিংবা ফেসবুকে অন্যান্য গ্রুপে একটু তথ্য সংগ্রহ করে দেখতে পারেন। যারা এখনো স্মার্ট আইডি কার্ড পাননি তারা আগের আইডি কার্ড দিয়েই পাসপোর্ট করতে পারবেন তবে আপনার স্মার্ট আইডি কার্ড ইস্যু হয়ে গেলে আপনি আগের আইডি কার্ড দিয়ে আর ই পাসপোর্ট করতে পারবেন না।
# পাসপোর্ট করতে গিয়ে কোন ধরনের ঝামেলার সম্মুখীন হলে আপনি সরাসরি 202 নাম্বার রুমে গিয়ে সাধন দাস নামে একজন অফিসার আছেন তার সাথে কথা বলবেন। আমি শুনেছি উনি সবাইকে খুবই হেল্প করেন।
# পাসপোর্ট করার আবেদন টি যেদিন সাবমিট করতে যাবেন সেদিন অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট আবেদনের এর তিন কপি প্রিন্ট করে নিয়ে যাবেন। যদি কোনো কারণে উনারা একটি কপি বাতিল করে দেয় তাহলে আপনি সাথে সাথে আরেকটি কপি দিয়ে আপনার কাজটি শেষ করতে পারবেন আমি আপনাদের সাজেস্ট করবো আপনার সব ধরনের ডকুমেন্ট 3 কপি করে নিয়ে যাবেন। ব্যাগের অবশ্যই গাম এবং স্ট্যাপলার রাখবেন।
আশা করছি সবার কাজে লাগবে আমার তথ্যগুলো । যদি আপনার কাজে লাগে অবশ্যই শেয়ার করবেন তাতে অন্যদেরও কাজে লাগবে। আমি নিজে দেখতে পাচ্ছি এমআরপি পাসপোর্ট করতে গিয়ে মানুষ জানতে পারছে যে ই-পাসপোর্ট করা যাচ্ছে। ই-পাসপোর্টে সহজে করা যাচ্ছে। শুধুমাত্র তথ্যের অভাবে চট্টগ্রামের মানুষ এমআরপি পাসপোর্ট করছে । তাই ভুলেও এমআরপি পাসপোর্ট না করে আপনি ই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করবেন। https://www.epassport.gov.bd/landing
আব্দুল হান্নান ভাই’র ওয়াল থেকে

জেনে নেই তেতুলের উপকারিতা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ "তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা তেতুল মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর" আধুনিক ডাক্তারদের মতে এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।।

জেনে নেই তেতুলের উপকারিতা:
১: হৃদরোগের জন্য উপকারী।
২: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্তনে রাখে।
৩: রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।
৪: শরীরের মেদ কমায়।
৫: হজমে সহায়তা করে।
৬: পেটের বায়ু, হাত পা জ্বলায় তেতুলের শরবত অনেক উপকারী।
৭: তেতুল গাছের বাকল লাগালে ক্ষত সারে।
৮: বুক ধড়ফর করা, মাথা ঘোরানো রোগে তেতুল উপকারী।
৯: আমাশয়,কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার করে।
১০: পাকা তেতুল কাশি সারায়।
১১: তেতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ উঠা সারায়।7
১২: মুখে ঘা হলে তেতুলের পানিতে কুলি করলে উপকার পাওয়া যায়।
১৩: মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।
১৪: ক্যান্সারের জন্য উপকারী।
১৫ তেতুলের সাথে রসুন খেলে রক্তের চর্বি কমে।
১৬: তেতুল খিদে বাড়ায় বমি বমি ভাব দূর করে।
১৭: তেতুলের পাতা ম্যালেরিয়া জ্বর সারায়।
১৮: শিশুদের পেটের কৃমি দূর করে।
১৯: বাত ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।
Collected

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০

প্রফেসর ড.আনোয়ারুল হক খতীবী (রহ.) আমাদের অনুপ্রেরণা

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের আরবী ও ইসলামী শিক্ষায় উজ্জ্বল নক্ষত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের প্রবীণ শিক্ষক প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক খতিবী (রহ) একজন সফল শিক্ষাবিদ এবং ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন। চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানার পশ্চিম কলাউজান গ্রামের প্রসিদ্ধ খতীব পরিবারে জন্ম তাঁর। তাঁর পিতার নাম মাওলানা মাহমুদুল হক খতিবী (রহ)।

তাঁর পিতা একজন দক্ষ আলেম ও সুবক্তা ছিলেন। মাতা নাম নাজমা খাতুন। আনওয়ারুল হক খতিবী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীর পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১৯৫৭ সালে চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদরাসায় ভর্তি হয়ে ১৯৬৫ সালে প্রথম বিভাগে আলিম, ১৯৬৭ সালে ১ম বিভাগে ৬ষ্ঠ স্থান অধিকার ফাজিল পাশ করেন। অতঃপর সরকারী আলিয়া মাদরাসা, ঢাকাতে ভর্তি হন এবং ১৯৬৯ সালে কামিল (হাদীস) পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৭১ সালে একই মাদরাসা থেকে ডিপ্লোমা -ইন-উর্দু (আদীবে কামিল) পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৭৩ সালে বি.এ অনার্স (আরবী) পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৭৪ সালে এমএ (আরবী) পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে কৃতিত্ব অর্জন করেন।
প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক খতিবী (রহ) ছাত্র জীবনে যেমনিভাবে সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেছেন তেমনিভাবে কর্মজীবনেও ব্যতিক্রম ছিলেন না। ১৯৭৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে আরবী ভাষা শিক্ষক পদে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।
১৯৭৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ও ফার্সী বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ক্রমাগতভাবে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ১৯৯২ সালে উক্ত বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব কৃতিত্ব সহিত নিবিড়ভাবে পালন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের এই সূর্যসন্তানের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে "Imam Ibn Taimiyyah's Concept of Ijtihad" শিরোনামে অভিসন্দর্ভ রচনা করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পি.এইচ.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে আরবী, বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় তাঁর বহু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি উর্দু ভাষায় কবিতাও রচনা করেন।
আনোয়ারুল হক খতিবী স্যারের জীবনাদর্শ বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণা যোগাবে নিঃসন্দেহ। তিনি পূর্বসুরী আকাবির মনীষীদের জীবন্ত নমুনা ছিলেন।
তিনি ছিলেন আলেম সমাজের মধ্যে অতুলনীয় ও প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব।দ্বীনের খেদমতে তার বহুমুখী অবদান ও ত্যাগ অবিস্বরণীয়।ইসলামের সঠিক ও মূলধারাকে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আজীবন প্রয়াস চালিয়েছেন। ইতিহাসে তিনি অস্লান ও বিরল ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।
তিনি এমন একজন মানুষ , যাঁর জ্ঞানের পরিধি সুবিস্তৃত ও সুবিশাল। শিক্ষক সমাজে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত ও শ্রদ্ধাভাজন একজন আদর্শ শিক্ষক। ছাত্র সমাজের কাছে একজন প্রাণপ্রিয় মান্যবর উস্তাদ। আমি ২০০৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর সাথে প্রফেসর ড. হাফেজ বদরুদ্দোজা স্যারের মাধ্যমে পরিচয় হই । বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে ড. আনওয়ারুল হক
খতিবী স্যার ছিলেন আমার জন্য একজন গাইড লাইন ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শক। আবার একজন অভিভাবক ছিলেনও বঠে। এই মহান শিক্ষকের প্রতি আমার দূর্বলতা, অকৃত্রিম ভালবাসা, হৃদয়ের টান ও আবেগ প্রবণতা একটু বেশী ছিল।
এই মহান ব্যক্তির স্নেহ ও ভালবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ক্লাস শেষে যখনই সুযোগ হত স্যারের রুমে চলে যেতাম। দু'জনের মধ্যে অনেক ইলমী আড্ডা হত।
আড্ডাতে অনেক সময় শ্রদ্ধেয় আব্বাকেও নিয়ে কথা হত। ছাত্রজীবনে আব্বু লজিং থাকা অবস্থায় নিজ হাতে মুরগী জবাই করার পর কপালে এক টুকরাও গোশত না জোটার গল্প সহ অসংখ্য স্মৃতিগুলি আমাকে বলত। এমন কি স্যারেরও। পরে অবশ্যই জানতে পারলাম এইসব আব্বু নিজেই স্যারকে বলেছেন।
আমার স্পষ্ট মনে আছে ১ম বর্ষে কোন একদিন "আদ-দাওয়াহ আল ইসলামিয়্যাহ" কোর্সের তাঁর ক্লাসে বাংলাদেশে দ্বীন ইসলাম প্রচারে অলীদের ভূমিকা বলতে গিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মুফতি পরিবার'র অবদান তুলে ধরেন। একই সাথে শ্রদ্ধেয় বাবার সম্পর্কেও।
প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক খতিবী স্যার সব সময় তাঁর হক আদায় করার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। একজন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনে তিনি অত্যন্ত সজাগ ছিলেন।
নিয়ম শৃঙ্খলার প্রতি তিনি ছিলেন খুবই সচেতন। স্যার যখন ক্লাস করতেন শিক্ষক হিসেবে তাঁর পাণ্ডিত্য প্রকাশ পেত।
যাঁরা তাঁর জ্ঞান ভাণ্ডার স্পর্শ করতে পেরেছেন, জীবনে তারা সফল হয়েছেন, আলোকিত হয়েছেন। আফসোস! আমরা বেশীদিন স্যারের সান্নিধ্য আসার সুযোগ লাভ করতে পারি নি। স্যার ২০১২ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর প্রভুর ডাকে না ফেরার দেশে চলে যান।
তাঁর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ পরিবার শুধু একজন শিক্ষককে নয় একজন অভিভাবককেও হারিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এই পরিবার আজও শোকাহত।তিনি এ দেশের মানুষের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন।আল্লাহ পাক তাঁকে আন্বিয়া, সোলাহা ও শুহাদার সাথে জান্নাতুল ফেরদাউসের আলা ইল্লিয়িনে মর্যাদাপূর্ণ স্থান নসীব করুন। আর আসুন আমরা এই মহান আলেমের অনুপম চারিত্রিক ও আদর্শ অনুসরণ করে দ্বীনের খেদমতে নিজেদের নিয়োজিত করি।
সংকলিত

কুলাউড়া উপজেলার শিশু নির্যাতনকারীর পরিচয় মিললো!

 বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ এতিম শিশু মোঃ আব্দুল আলী টলি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। কয়েকদিন ধরে তার শরীরে প্রচণ্ড জ্বর থাকায় গাড়ি চালাতে যেতে পারেনি। এদিকে টলি বন্ধ থাকায় টলির মালিক পারভেজ তার উপর ভীষণ ক্ষিপ্ত। একদিন সকালে পারভেজ ঔষধ কিনে দেওয়ার কথা বলে আলীকে তার বাড়ীতে নিয়ে আসে। তারপর আলীর চোখ বেঁধে পারভেজ শুরু করে শারীরিক নির্যাতন। সে শুধু একা নন! তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরো কয়েকজন যুবক। তারা কয়েক দফায় আলীর উপর চালায় নির্মম নির্যাতন।

অতিমাত্রায় শারিরীক নির্যাতনের কারণে আলীর শারীরিক অবস্থা যখন বেশ খারাপ হয়, তখন বেলা ২টার দিকে তারা ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্যের কাছে আলীকে রেখে চলে যায়। ইউপি সদস্য নোমান শিশুটির মৃত্যুর আশঙ্কায় তাকে অপর একজনকে দিয়ে তার বাড়ির পাশের রাস্তায় ফেলে দিয়ে আসেন। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১০নং হাজীপুর ইউনিয়নের পীরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আব্দুল আলী (১৩) এখন মোলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এই ঘটনায় কুলাউড়া থানায় মামলা হলে পুলিশ কুদ্দুস ও রিপন নামে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল আসামি পারভেজ পলাতক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটংয়ে ১১ দিন ধরে নিখোঁজ ২ শিশু

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড থেকে মোঃ আলি হাসান (ছোটন) (১২) ও মোঃ আবু তাহের (১১) নামে দুই শিশু সন্তান নিখোঁজ রয়েছে।

নিখেঝাঁজ দুই শিশু ৪নং ওয়ার্ড কাটা পাহাড় এলাকার পল্লী চিকিৎসক মোঃ আবু তালেবে ছেলে। জানা গেছে, তারা দুইজন পূর্ব টইটং মধুখালী জমিরিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও নুরানী হেফজ খানার ছাত্র। 

সোমবার (০৭ জুন) দুপুরে খেলতে যাওয়ার কথা বলে নিজ বাড়ি থেকে বের হয় আলি হাসান (ছোটন) ও ছোট ভাই আবু তাহের। তখন থেকে নিখোঁজ হয়ে আর বাড়ি ফিরে নাই তারা। আত্মীয় স্বজনসহ অনেক স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও আজ ১১ দিন ধরে তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের মা আলমাস খাতুন বলেন, ’সাত বছর আগে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে অজানা স্থানে চলে যায়। তখন থেকে গ্রামের ঘরে ঘরে গৃহকাজ করে শিশুদের লালন পালন করছি। অথচ ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, আজ সেই শিশু সন্তানরাও কোথায় জানি নিখোঁজ হয়ে গেছে। এখন আমি কি করবো কোথায় গিয়ে তাদের খোঁজ পাবো কিছু ভেবে পাচ্ছি না।’

তিনি আরো বলেন, ছেলে নিখোঁজের ব্যাপারে থানায় গিয়ে সাধারণ ডাইরী করবো। স্থানীয়দের ধারণা দুই শিশু এখনো দূরে কোথাও যায়নি। হয়তো অনেকদিন ছুটিতে থাকার পর মাদ্রাসায় যাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এদিকে নিখোঁজের  মা আলমাস খাতুন তার সন্তানের খোঁজে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। কোন সহৃদয় ব্যক্তি যদি তাদের কোন হদিস পেয়ে থাকেন ০১৮৭৫-৪০৬৫৫৬/ ০১৩০৬-৭১৯৯৮৭ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

করোনা কালীন অফিস সময় সূচীতে আবারও পরিবর্তন আনল আইআইইউসি

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম করোনা কালীন সময়ের জন্য অফিস সময় সূচীতে আবারও পরিবর্তন এনেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী মহমারী করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারী নির্দেশনায় ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখ দেশের অন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম’র অফিসসহ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ (ছুটি) ঘোষণা করা হয়। 

সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার সরকার কয়েক দফায় ছুটি বৃদ্ধি করে; ফলে আইআইইউসিও তার সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখে। পরবর্তীতে কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলের দিক বিবেচনা করে অনলাইনে ক্লাসসহ সকলপ্রকার সেবা কার্যক্রম চালু করে এই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গত  জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সপ্তাহে  ২ দিন রোস্টার করে সশরীরে অফিস কার্যক্রম চালু হয়। তখন অফিস সময় সূচী  সপ্তাহের রবিবার ও বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১:৪৫ মিনিট। রোস্টার করে স্বল্প সংখ্যক জনশক্তি নিয়ে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে অফিস কাযক্রম পরিচালনা করা।  কিছুদিন আগে ২দিনের স্থলে অফিস ৩দিন করা হয়েছিল। অফিস সময় আগের মত বহাল ছিল।  সঙ্গত কারণে তা আবার ২দিন করা হয়, তবে অফিস সময় সূচী সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা করা হয়। 

অপিসের এই নতুন সময় সূচী আগামী ১১ অক্টোবর রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এই বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর এডিশনাল রেজিষ্ট্রার মোঃ সোলায়মান মিয়া স্বাক্ষরিত এক অফিস নোটিসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। 


বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

ঢাকাসহ সারাদেশে ধর্ষণ বিরোধী বিক্ষোভ

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জসহ সারাদেশে বিভিন্ন সময় যৌন নিপীড়ণের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ করেছে বাম সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। বেগমগঞ্জের নারী নির্যাতনের মামলার আসামী সাজু  ঢাকার শাহবাগ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহাগকে বেগমগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গতকাল আরো ৪ জনকে  গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় ৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। রিমান্ডে নেয়া হয়েছে ২ জনকে। 

ধর্ষণসহ যৌন নিপীড়নের ঘটনা দেশ জুড়ে আলোচনায় এলেও, নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে নোয়াখালী বেগমগঞ্জের এক গৃহবধুর যৌননিপীড়নের ভিডিও সামাজিক যোগযোগ মাধেমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনাতে।


প্রতিবাদে সকাল থেকে  রাজধানীর শাহবাগের চৌরাস্তায় বাম নেতা-কর্মীদের সড়ক অবরোধ। দিনভর সড়ক অবরোধের সময় যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। সংহতি জানাতে আসেন পেশাজীবিরাও। 

একই সময় জাতীয় যাদু ঘরের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে আরো কয়েকটি বাম সংগঠন।

যৌননিপীড়নের প্রতিবাদ ও পাটকল খোলার দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করতে যেতে চাইলে শাহবাগ ও শেরাটন এলাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। 


বামগণতান্ত্রিক জোটের মিছিল আটকানোর বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যঃ পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, মিছিলকারীদের হাতে যে প্লাকার্ডএ লাঠি ছিলো তা মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ছুড়েমারে। অনেক জায়গায় তারা পুলিশের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেছে। একজন পুলিশকে আমরা হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এই পরিস্থিতিতে আমরা তাদের এখানে আটকিয়েছি, কিন্ত তাতে  অনেক হাতাহাতি হয়েছে।

বেগমগঞ্জের ঘটনায় ৯ জনকে অভিযুক্ত করে নারী-শিশু নির্যাতন ও পর্নগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ  আইনে ২টি মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত বাদল ঢাকা থেকে, দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ এবং রহমতুল্লাহ ও আব্দুর রহিমকে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে রহমতুল্লাহ ও রহিমকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

চট্টগ্রামে ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠন। চেরাগী পাহাড় চত্বরে সংহতি সমাবেশ হয়েছে। প্রেসক্লাব চত্বরে হয়েছে মানববন্ধন, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল। এসব সমাবেশ ও মিছিল থেকে ধর্ষক ও নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করা হয়। 

শাহবাগে পুলিশি হামলা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদের মঙ্গলবার সাড়াদেশে বিক্ষোভ ও আগামী ১৯ অক্টোবর সাড়াদেশে সড়ক, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচী দিয়েছে বামগণতান্ত্রিক জোট। 

এ ছাড়াও দেশের আলেম সমাজসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন ধর্ষনের প্রতিবাদের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর দুই হাতের কব্জি কেটে নিয়েছে ও কন্যাকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

 

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মোঃ আরিফ হোসেনঃ লক্ষ্মীপুরে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম (৩৩) ও কন্যা সাদিয়া (৮) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় মুমূর্ষ অবস্থায় মা-মেয়ে দুজনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বালাইশপুর গ্রামে নিজ ঘরে এ হামলার শিকার হন তারা। জাহিদ নামে এক প্রতিবেশি বখাটে এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। তবে হামলার কারণ তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি।
আহতরা হলেন একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী নবী উল্যার স্ত্রী ও মেয়ে। তাদের দুই হাত ও মাথায় দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতের ছিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে প্রবাসী নবী উল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী ময়িমের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনা স্থলে যায়। এসময় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মা ও মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এক পর্যায়ে মুমূর্ষ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাঃ আসিফ মাহমুদ জানান, দুই হাতের কব্জি কাটা ও মাথায় জখম নিয়ে মা ও মেয়েকে জরুরী বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিক ভাবে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আশঙ্কা মুক্ত না হওয়ায় মাকে পঙ্গু হাসপাতাল ও মেয়েকে নিওরো সাইন্স মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)জসিম উদ্দিন জানান ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে করেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০

ধর্ষণ মহামারির কবলে বাংলাদেশ; পরিত্রাণ কিসে?

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় পাতায় ধর্ষণের খবর। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে যদি প্রতিদিন ১০০ ধর্ষণের খবর প্রকাশিত হয় তবে এরপর অপ্রকাশিত থেকে থেকে আরও কয়েকশত।

এই অপ্রকাশিত খবরগুলো কেন প্রকাশ হয়না, এখানে এই প্রশ্নটা হতে পারে আর এর উত্তর খুবই সোজা তা হলো আত্মসম্মানের ভয়ে সমাজে একঘরা হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকাংশে এগুলো নিয়ে ঝামেলা করতে চায় না।
বাংলাদেশের মানুষগুলো সমাজের কাছে অনেকটা দায়বদ্ধ, সমাজের চোখে ছোট হওয়ার ভয়ে লোকলজ্জার ভয়ে এগুলো লুকিয়ে নিরবে বুক চাপড়ায়।
বুঝ হওয়ার পর থেকে দেখে আসছি পত্রিকার পাতায় ধর্ষণের সংবাদ সেই সাথে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে আসছে কিন্তু আজ পর্যন্ত একটিও ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে পাইনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের দেখেছি ধর্ষণের সেঞ্চুরি উদযাপন করতে, মিষ্টি বিতরণও করেছে।
ক্যান্টনমেন্টের মত জায়গায়ও ধর্ষিত হয়েছে তনু সেই সাথে হত্যা। ধর্ষণ থেকে রেহায় পায়নি ৬ মাসের শিশু বাচ্চা ও ৮০ বছরের বৃদ্ধা, বাসে,ট্রেনে,লঞ্চে ধর্ষন শুধু তাই নয় বিমানের মধ্যেও ধর্ষণের চেষ্টা।
ধর্ষণের নোংরা এই মহামরি থেকে রেহায় পায়নি জন্মদাতা কন্যা ও জন্মদাত্রী জননী, অাপন ভাই থেকে বোন, শিক্ষক থেকে ছাত্রী, ছাত্র থেকে শিক্ষিকা, পুলিশ থেকে বিচারপ্রার্থী নারী।
বাংলাদেশ এমন সংবাদও দেখেছে করোনায় আক্রান্ত নারীও চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষিত। ভোট না দেওয়ায় জনসম্মুখে ধর্ষণ। ত্রাণ নিতে ধর্ষণ। ছেলে-মেয়ের সামনে মাকে, ভাইয়ের সামনে বোনকে, স্বামীর সামনে স্ত্রীকে, মায়ের সামনে মেয়ে।
ধর্ষিত হওয়া মেয়েটাকে বিয়ে করতে চায় না কেউ, ধর্ষিত গৃহবধূকে নিয়ে স্বামী আর সংসার করতে চায় না, সমাজ তাদেরকে ঘরছাড়া করতে বাধ্য করে।
নারীবাদীরা সবসময় নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার অথচ ধর্ষণ বিষয়ে তারা মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে।
ধর্ষণ নিয়ে সমসাময়িক একটি সংক্ষিপ্ত জরিপ চালিয়ে দেখেছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সলিশ কেন্দ্র (আসক)।
তাদের হিসাব অনুযায়ী, কেন্দ্রের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিট বলছে
চলতি ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬০১ জন নারী ও শিশু।
ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৩৭ নারীকে। আর ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন নারী।
তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে চরম নৈতিক অবক্ষয়, পশ্চিমা ও ভারতীয় সংস্কৃতির বিরূপ প্রভাব, মাদকের বিস্তার, বিচারহীনতা, বিচার প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা ও বিচারের দীর্ঘসূত্রতা।
সমাজবিদরা বলছেন, ধর্ষকদের বিচার না হওয়ার কারণে সমাজে ধর্ষণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।
দেশব্যাপী অব্যাহত ধর্ষণ ও নারী সহিংসতার প্রতিবাদ এবং ধর্ষকদের দ্রুত বিচার আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে সর্বস্তরের মানুষ সেই সাথে পরিত্রাণও পেতে চায় এই মহামারী হতে।
এ মহামারী থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় সরকার-প্রশাসন ও বিচার বিভাগের সদিচ্ছা এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র। সেই সাথে ইসলাম নারীকে যেভাবে সম্মান দিয়েছে সেই সম্মান ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
"ভালো থাকো নারী ভালো থাকো বাংলাদেশ"।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...