* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০

খলিফা হারুনুর-রশিদ


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ সিরিয়ার একটি শহরের নাম রাকা। সেখান থেকে খলিফা হারুনুর-রশিদের নিকট চিঠি আসলো। চিঠিতে লেখা ছিল: শহরের বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ,বিচার কাজ স্থগিত হয়ে আছে । খলিফা যেন দ্রুত ব্যবস্থা করেন । খলিফা চিঠির জবাব পাঠালেন । আগামী সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক আসবেন । এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক এসে যোগ দিলেন ।
বিচার কাজ শুরু হয়েছে । স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধা মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন । তার অপরাধ ছিল তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে কিছু রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পরেন ।
বিচারক: আপনি চুরি করেছেন?
– জ্বি ।
– আপনি কি জানেন চুরি করা কতো বড় অপরাধ ও পাপ ?
– জ্বি ।
– জেনেও কেন চুরি করলেন ?
– কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবত অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দু’নাতিও না খেয়ে ছিল । ওদের ক্ষুদারত চেহারা ও কান্না সহ্য করতে পারিনি তাই চুরি করেছি। আমার আর এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না হুজুর ।
বিচারক এবার পুরো দরবারে চোখবুলালেন। বললেন কাল যেন নগর, খাদ্য,শরিয়া, পুলিশ প্রধান ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিগন সবাই উপস্থিত থাকেন ।তখন এর রায় দেওয়া হবে ।
পরদিন সকালে সবাই হাজির হলেন । বিচারক ও যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে রায় ঘোষণা করলেন-“ বৃদ্ধা মহিলার চুরির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫০টি চাবুক, ৫০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা আর অনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া করা হলো। তবে অকপটে সত্য বলার কারণে হাত কাটা মাফ করা হলো। বিচারক প্রহরীকে চাবুক আনার নির্দেশ দিয়ে নিচে নেমে ঐ বৃদ্ধা মহিলার পাশাপাশি দাঁড়ালেন ।
বিচারক বললেন যে নগরে একজন ক্ষুধার্তবৃদ্ধ মহিলা না খেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণায় চুরি করতে বাধ্য হয় সেখানে তো সবচেয়ে বড় অপরাধী সে দেশের খলিফা। আর আমি এসেছি খলিফার প্রতিনিধি হয়ে । আমি যেহেতু তাঁর অধীনে চাকরি করি তাই ৫০টি চাবুকের ২০টি আমার হাতে মারা হউক । আর এটাই হলো বিচারকের আদেশ । আদেশ যেন পালন করা হয় এবং বিচারক হিসাবে আমার উপর চাবুক মারতে যেন কোনো রকম করুণা বা দয়া দেখানো না হয়।
বিচারক হাত বাড়িয়ে দিলেন । দুই হাতে পর পর ২০টি চাবুক মারা হলো। চাবুকের আঘাতের ফলে হাত থেকে রক্ত গড়িয়ে পরছে । ঐ অবস্থায় বিচারক পকেট থেকে একটি রুমাল বের করলেন । কেউ একজন বিচারকের হাত বাঁধার জন্য এগিয়ে গেলে বিচারক নিষেধ করেন। এরপর বিচারক বললেন “ যে শহরে নগর প্রধান, খাদ্য গুদাম প্রধান ও অন্যান্য সমাজ হিতৈষীরা একজন অভাব গ্রস্হ মহিলার ভরন-পোষণ করতে পারেন না। সেই নগরে তারা ও অপরাধী। তাই বাকি ৩০টি চাবুক সমান ভাবে তাদেরকে মারা হোক ।“
এরপর বিচারক নিজ পকেট থেকে বের করা রুমালের উপর ৫০টি রৌপ্য মুদ্রা রাখলেন । তারপর বিচারপতি উপস্থিত সবাইকে বললেন “যে সমাজ একজন বৃদ্ধমহিলাকে চোর বানায়, যে সমাজে এতিম শিশুরা উপবাস থাকে সে সমাজের সবাই অপরাধী । তাই উপস্থিত সবাইকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানা করা হলো।“
এবার মোট ৫০০দিনার রৌপ্য মুদ্রাথেকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানাবাবদ রেখে বাকি ৪০০টি রৌপ্য মুদ্রা থেকে ২০টি চুরি যাওয়া দোকানের মালিককে দেওয়া হলো। বাকি ৩৮০টি রৌপ্য মুদ্রা বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে বললেন “ এগুলো আপনার ভরণপোষণের জন্য । আর আগামী মাসে আপনি খলিফা হারুনুর রশিদের দরবারে আসবেন । খলিফা হারুনুর রশিদ আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী । “
একমাস পরে বৃদ্ধা খলীফার দরবারে গিয়ে দেখেন ; খলীফার আসনে বসা লোকটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে । মহিলা ভয়ে ভয়ে খলীফার আসনের দিকে এগিয়ে যান। কাছে গিয়েবুঝতে পারেন লোকটি সেদিনের সেই বিচারক। খলীফা চেয়ার থেকে নেমেএসে বললেন —আপনাকে ও আপনার এতিম দু’নাতিকে উপোস রাখার জন্য সেদিন বিচারক হিসেবে ক্ষমা চেয়েছিলাম । আজ দরবারে ডেকে এনেছি প্রজা অধিকারসমুন্নত করতে না পারা অধম এই খলীফাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য ।আপনি দয়াকরে আমাকে ক্ষমা করুন ।

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০

মহামারী ছিল একটা আযাব, আল্লাহ যার ওপর ইচ্ছা পাঠাতেন

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ আয়শা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ) কে একবার মহামারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি উত্তর করেন- মহামারী ছিল একটা আযাব, আল্লাহ যার ওপর ইচ্ছা পাঠাতেন। তারপর আল্লাহ তায়ালা মহামারীকে মুমিনদের জন্য রহমত বানিয়ে দিছেনে। কোন বান্দা যদি মহামারী আক্রান্ত এলাকায় থাকে এবং সেখানে অবস্থান করে, তাহলে সেই অঞ্চল থেকে সে বেরুবে না। ধর্য্য ধারণ করবে এবং সওয়াবের প্রত্যাশায় থাকবে; এবং এই বিশ্বাস রাখবে- আল্লাহ তায়ালা যদি তার তাকদিরে লিখে না থাকেন, তাহলে মহামারী তাকে আক্রান্ত করতে পারবে না। আর যদি আক্রান্ত হয়েই যায়, তাহলে তার জন্য রয়েছে একজন শহিদের সমপরিমাণ প্রতিদান। 

[সহীহ বুখারি, ৬৬১৯, ৫৭৩৪]

প্রার্থনার গান : মল্লিক মাহমুদ

দুহাত তুলে একটি দোয়া
করি রহমান,
তোমার রহম নদী যেন
থাকে বহমান।
মনের বাগে সজীব রেখো
তোমার প্রেমের ফুল,
প্রভু তুমি মাফ করে দাও
আমার সকল ভুল।
মাগফিরাতের ছায়ায় আমায়
রেখো দিনমান।।
নয়ন জুড়ে বিমল ভোরের
লালিমা দাও মেখে,
আলোর পথে চলি যেন
তোমায় ডেকে ডেকে।...
অন্তরেরই সব কালিমা
দাও করে দাও দূর,
আমার সকল আমল তুমি
নাও করে মঞ্জুর।
নাজাতেরই কোমল পরশ
আমায় করো দান।।

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০

এবার আশার খবর শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেরেই চলেছে। আর েএই দুঃসংবাদের মাঝে আশার সংবাদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কোভিড-১৯ এর ৪টি ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস এডানম গ্যাব্রিয়াসাস বলেন, নরওয়ে এবং স্পেনে করোনা আক্রান্তদের ওপর শিগগিরই  ওষধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে। এরপর আরো ৪৫টি দেশে চালাবে। আগ্রহ দেখিয়েছে আরো অনেক দেশ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, একা কোন দেশের পক্ষেই  কোভিড-১৯ মোকাবেলা করা সম্ভব না। এর জন্য সব দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এ সব কথা বলেন সংস্থাটির মহাপরিচালক।

বিশ্ব জুড়ে করোনায় আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের ১ জনই স্বাস্থ্যকর্মী। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করার সময় স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের  ৬ জন এবং মৃত প্রতি ১০ জনের ৭ জনই ইউরোপে।

সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৭ হাজারেরও বেশি। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ লাখ ১ হাজার ৪৭৮ জন।

পূর্বকোণের সৌজন্যে

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দেশবাসীকে হোম-কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে হাতগুটিয়ে বসে থাকার সময় নেই: ড.ইফতেখারুজ্জামান।

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ রোনাভাইরাস মোকাবেলায় দেশবাসীকে হোম-কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে হাতগুটিয়ে বসে থাকার সময় নেই বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি উদ্ভূত মহাসংকট মোকাবেলায় স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন, জিডিপির অন্তত ১০ শতাংশের সমপরিমাণ বিশেষ তহবিল গঠন এবং এই কৌশল বাস্তবায়ন ও তহবিল ব্যবহারে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, কোভিড-১৯’র ঝুঁকি ও এর বহুমুখী প্রভাব কোনো তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য সমস্যা নয়, বরং এই জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় এখনই স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাসহ একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে টিআইবি। একইসাথে অভূতপূর্ব এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সকল প্রকার আর্থিক লেনদেনসহ প্রতিটি পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।
জাতির উদ্দেশ্যে ২৫ মার্চ ২০২০ প্রদত্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করে সম্মিলিতভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার যে ডাক দিয়েছেন, তার প্রতি একাত্মতা জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘হোম-কোয়ারেন্টিনে দেশবাসীকে পাঠিয়ে নিতান্তই অপ্রতুল ও বিক্ষিপ্ত কিছু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে হাতগুটিয়ে বসে থাকার সময় নেই। এখনই সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে একটি সমন্বিত স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা সম্বলিত জাতীয় কৌশল চূড়ান্ত করতে হবে এবং একইসাথে তার বাস্তবায়নের জন্য জিডিপির অন্তত ১০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থের যোগানের পাশাপাশি বহুমুখী উদ্যোগ চালিয়ে যেতে হবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ চিহ্নিত করা ও চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে ও তাদের অমূল্য অবদানের উপযুক্ত সম্মান দিতে হবে।’
রপ্তানি সংশ্লিষ্টখাতের শ্রমিক ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য যে উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন তাকে সাধুবাদ জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলছেন, ‘কীভাবে এর বাস্তবায়ন হবে, বরাদ্দকৃত অর্থ কোন প্রক্রিয়ায় শ্রমিকদের হাতে যাবে এবং এক্ষেত্রে কীভাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে, তার সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এখনই নির্ধারণ করতে হবে। এই সহায়তার আওতা দেশের হতদরিদ্রদের জন্য সমভাবে সম্প্রসারিত করতে হবে। একইভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন, স্বল্প বেতনের কর্মজীবী মানুষ, দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, গৃহকর্মী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, যাদের অনেকেই ইতোমধ্যে বেকার হয়ে পড়েছেন বা হবেন তাদেরকেও এর আওতায় আনতে হবে।’
নির্বাহী পরিচালক বলেন, সংকট চলাকালীন সময়ে খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ-লাইন প্রাধান্যের সাথে সচল রাখতে হবে, তা না হলে কোভিড-১৯ এর পাশাপাশি কোয়ারেন্টিনই মানুষের ক্ষুধা ও মৃত্যুর কারণ হবে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে নিয়োজিত পুলিশের একাংশের বিভ্রান্ত ও অশোভন বলপ্রয়োগ সংকট ঘনীভূত করছে, যা বন্ধ করতে হবে।
এ ধরনের দুর্যোগে সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের পাশাপাশি ক্ষমতা বাড়বে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই ক্ষমতার উৎসও জনগণ। সীমা লঙ্ঘন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করা আত্মঘাতী হয়, সরকারকে তা বিবেচনায় রাখতে হবে বলে মনে করে টিআইবি।
নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘নাগরিকের মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে জীবন-জীবিকার অধিকারের পাশাপাশি বাক-স্বাধীনতা এবং তথ্য ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের সকল সম্ভাবনা প্রতিহত করা সরকারের দায়িত্ব।’ অর্থনীতির চাকা পুনরায় দ্রুত সচল করার জন্য জিডিপির অন্তত ১০ শতাংশ সমপরিমাণের বিশেষ তহবিল গঠন করার আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি। প্রয়োজনে মেগা-প্রজেক্টগুলোর অর্থায়ন আনুপাতিক হারে কমিয়ে এনে এই খাতে অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের বরাদ্দের পাশাপাশি দেশের ধনিকশ্রেণিকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। জনগণের করের টাকায় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের একাংশ বিভিন্ন সময়ে বহুমুখী সুবিধা আদায় করে সম্পদের বিকাশ করেছেন। আজ এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা বিশ্বাস করতে চাই তারা জনস্বার্থে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। ‘পাঁচ হাজার কোটি টাকার যে তহবিল প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন তার পুরোটাই যোগানোর দায়িত্ব কী এদেশের মহা-ধনীজন অনায়াসে নিতে পারেন না?’ বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে লিপ্ত বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানি, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশ, যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক স্থিতিশীলতায় আগ্রহী, অংশীদার এবং অনেকে লাভবান, তাদেরকেও নিজেদের স্বার্থে এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্রিয়ভাবে অবদান রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।
ড. জামান বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এ বিশাল সংকট মোকাবেলায় সফল হতে হলে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। তথ্যের স্বচ্ছ ও অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান সচেষ্ট হবেন বলে আমরা আশা করি। বিশেষ করে কোন খাতে কত বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে, অর্থায়নের উৎস এবং কীভাবে ও কতটা কার্যকরভাবে তা ব্যয় করা হচ্ছে, সে তথ্য নিয়মিত প্রকাশ ও হালনাগাদ করতে হবে। এই সংকটকে পুঁজি করে যেন কোনো ধরনের দুর্নীতি না হয় এবং কেউ যেন অন্যায্য মুনাফা করতে না পারেন, সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত তথ্যের ব্যাপারে আস্থাহীনতার সুযোগে গুজব ছড়াচ্ছে, যা জনমনে আতঙ্ক আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংক্রমণ, প্রাণহানি, চিকিৎসা প্রদান ও সুস্থ হওয়ার সংখ্যাসহ প্রতিরোধ ও প্রতিকারমূলক সকল কার্যক্রমের তথ্য কোনো প্রকার রাখঢাক না করে প্রকাশ করাটা জরুরি। তাতে জনগণ অধিকতর সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা বাড়বে।’
সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০

ঢাকায় করোনাক্রান্ত মৃতের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী হৃদয়বিদারক লেখা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশে করোনাক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে একজন ছিলেন রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগ এলাকার বাসিন্দা। মৃত্যুর আগে তাকে চিকিৎসা প্রদানকারী এক ডাক্তার বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এ অবস্থায় তিনি একটি হৃদয়বিদারক লেখা প্রকাশ করেছেন।
গত ৯ দিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। তিনি বুধবার তুলে ধরেন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় মনের অভিব্যক্তি।
তার লেখাটি পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হল-
হোম কোয়ারেন্টিনে আমি। বুধবার নবম দিন চলছে। রুম বন্ধ। আমি চার দিকে তাকিয়ে নানা কিছু শুধু ভাবি।
খুব সকালে ঘুম ভাঙল। ঘড়িতে দেখি, ভোর পাঁচটা বেজে দশ মিনিট। খুব অস্থির লাগছিল। শান্ত হতে অজু করে ফজরের নামাজ পড়তে দাঁড়ালাম।
গত ১৬ মার্চ আমার প্রাইভেট চেম্বার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে এক বয়স্ক রোগীকে দেখি এবং আন্দাজ করি এটি কভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া। এরপর ওষুধপত্র দিয়ে পরামর্শ দেই, দ্রুত আইইডিসিআরে যোগাযোগ করার জন্য।
১৮ মার্চ সকালে গায়ে সামান্য জ্বর অনুভব করি। তড়িঘড়ি করে বাসায় প্রবেশ করি। সহকর্মীরাও বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল।
বাসায় ফিরে স্ত্রীর ছল্ ছল্ চোখ আর উদ্বেগ ভরা প্রশ্নের উত্তরে অভয় দেই, এই আইসোলেশন রোগ নয়, রোগী না হবার জন্য আগাম সতর্কতা।
বইপাগল আমি আজ সময় কাটাচ্ছি বহুদিনের জমে থাকা, না পড়া বইয়ে ডুবে আর নেটে বিভিন্ন দেশের করোনা মহামারীর খবর পড়ে।
১৯ মার্চ জানতে পারি, আমার ওই রোগীটি কভিড-১৯ পজেটিভ এবং তিনি ভেন্টিলেটরে!
আমার সন্দেহপ্রবণ মনটিকে ধন্যবাদ দেই, আগাম সতর্ক করার জন্য। দুঃখজনক সত্য হলো, টোলারবাগের সেই রোগীটি পরবর্তীতে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান বলে জানতে পারি।
মানুষ অসুস্থ হলে চায় প্রিয়জনের স্নেহ, স্পর্শ। আর আজ কি না দূরে যাও তুমি, আরো দূরে; যদি হতে চাও মনের কাছাকাছি…! অদৃশ্য এই শত্রু মানবে না কোনো বাধা বারবার হাত ধোয়া আর আইসোলেশনের শৃঙ্খলা ছাড়া।
হায় পজেটিভ! ভাবছি, সারা জীবন পজেটিভ থিংকিং আর পজেটিভ রাজনীতির কথা বলি আমরা। কিন্তু চিকিৎসা শাস্ত্রে পজেটিভ মানে খারাপ কিছুর অস্তিত্ব প্রকাশ পাওয়া। বাক্য প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে একই শব্দের ভিন্নমুখী দ্বোতনা। এ যেন সার্জনের হাতের ছুরি ঘাতকের অস্ত্র হয়ে যাওয়া!
‘হে প্রভু, হে মহান রাব্বুল আলামীন, তুমি রক্ষা করো আমাদের। চোখের পানিতে অন্তরের এ আকুতি শুধু আমার নয়; সারা দেশের সারা পৃথিবীর মানুষের। ইতালিতে সত্তরোর্ধ কভিড-১৯ আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৩৫ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশ হয়েছে। হায় ইতালি! আধুনিক ইতালির স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে আমার দেশের কি অবস্থা হবে?
এখন গাইডলাইন মেনে দুই বেলা শরীরের তাপমাত্রা মাপি। স্বেচ্ছা বন্দিত্বের নবম দিনে অপেক্ষা করি আরো পাঁচ দিন পরের স্বাধীনতার জন্য। অপেক্ষা করি স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানকে আলিঙ্গনের উষ্ণতার জন্য।
সুস্থ থাকলে হয়তোবা আবারও হব কর্মচঞ্চল। কিন্তু আমাদের অপ্রতুল স্বাস্থ্য ক্ষমতা কতটুকু রক্ষা হবে করোনা মহামারী প্রতিরোধের জন্য?
হে প্রভু, হে মহান প্রভু, রক্ষা করো এই দেশ। রক্ষা করো সোনার বাংলাকে।
collected : Ehteshamul Hoq Jihad

তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই আপন অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে!

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মৃুসাদ্দাদ (র.) . . . আব্দুল্লাহ (ইবনে ওমর রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। যেমন - জনগণের শাসক তাদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিসয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন পুুরুস তার পরিবারের পরিজনের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী স্বামীর ঘরের এবং তার সন্তানের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। আর গোলাম আপন মনিবের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারী। কাজেই সে বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। শোন! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই আপন অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে।

কিছু আন্দোলন ঘরে বসেই করতে হয়: ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ মার্চ থেকে বাড়িয়ে আগামী ঈদুল ফিতর পর্যন্ত করার কথা ভাবছে সরকার।
একই সঙ্গে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও ঈদের পরে নেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রণালয়ের (শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) সভা ডাকা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

জানা যায়, সোমবার আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিন ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ছুটি আরও বাড়তে পারে। এ ছাড়া আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে রমজান শুরু হবে। রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকতে পারে এমন শঙ্কায় বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করার পদ্ধতি খোঁজা শুরু করেছে শিক্ষার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। বন্ধের এ সময়কালের সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ছুটি সমন্বয় করা হবে।

আমার ফ্যামিলি যেন থাকে দুধেভাতে বাকিরা মরিয়া যাক করোনার ঘাতে!

"আমার ফ্যামিলি যেন থাকে দুধেভাতে
বাকিরা মরিয়া যাক করোনার ঘাতে"*
দুই দিনে কিনিয়াছি চারমণ চাল
আশি কেজি আটা আর কুড়ি কেজি ডাল!
আরও কিছু ডাল কিনে করিব মজুদ
ষাট কেজি কিনিয়াছি প্যাকেটের দুধ!
তেল এত কিনিয়াছি – সব ঢালি যদি
নিমেষেই হয়ে যাবে কুশিয়ারা নদী।

লবণের বস্তাটা সস্তাই ছিল
ভাবা যায় পেয়ে গেছি ত্রিশ টাকা কিলো?
কিনিয়াছি চা-র পাতা, ঘৃত আর চিনি
মসলার গুঁড়াগুলি ঘুরে ঘুরে কিনি।
পেঁয়াজ-রসুন-আদা বস্তা ভরিয়া
কিনিয়াছি, দুর্দিন স্মরণ করিয়া।
বিস্কুট-চানাচুর-সেমাই আর ম্যাগি
কিনে কিনে ভরিয়াছি চিন-চার ব্যাগই!
আপাতত কিনিয়াছি চারশত ডিম
সামনের দিনে যদি খাই হিমশিম!

মাছ কিনে রাখিয়াছি ডিপ ফ্রিজে ভরে
খাওয়া যাবে দশজনে ছয়মাস ধরে।
সাধ ছিল পুরা গরু কিনে রাখি ফ্রিজে
পারি নাই সেটা ভেবে দুঃখিত নিজে!
মুদি শেষ এরপর ফার্মেসি যাব
সিভিট কিনব আমি যতগুলো পাব।
হ্যান্ড স্যানিটাইজার একশোটা আমি
অর্ডার দিয়া দিছি হোক যত দামি।

গ্যাসের ওষুধ আর অ্যামোডিস, নাপা
দশ বক্স কিনে নেব – এটা নয় চাপা!
কন্ডোম? হিসাবটা মিলাইয়া নিন
ছয়মাসে বাদ যাবে চব্বিশ দিন!
করোনায় মরি আর যাহাতেই মরি
ভাতের অভাবে আমি মরিব না, স্যরি!
আমার ফ্যামিলি যেন থাকে দুধেভাতে
বাকিরা মরিয়া যাক করোনার ঘাতে!

উৎসর্গঃ সকল মজুদমারানিকে।
___ব্রত রায়ের লেখা!

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০

করোনায় করুণা! - ড. ফরিদ এ সোবহানী

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মিশরের এক সাবেক সাংসদ করোনাকে ঘৃণা না করতে বলেছেন! তার দৃষ্টিতে করোনা মানবজাতির জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। বিষয়টি চিন্তার জগতে নাড়া দেয়ার মত। আমার ভাবনাগুলো ছন্দে ছন্দে প্রকাশের চেষ্টা করেছি। আমার বিশ্বাস এ কবিতাটিতে চিন্তার খোরাক রয়েছে। মহান রব আমাদের সকল ভালো প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমীন।
করোনায় করুণা!
- ড. ফরিদ এ সোবহানী
করোনা তোমায় করুণা রয়েছে
অদৃশ্য শক্তির মত
তোমার আগমন হুশ ফিরিয়েছে
চিন্তাশীলদের যত।
শয়তানের খপ্পরে পড়ে মোরা
গড়েছি পাপের পাহাড়
তোমার আগমনে ভীত সন্ত্রস্ত তাই
প্রভু যেন কাহ্হার!
কাবা বন্ধ মসজিদ বন্ধ
বন্ধ কী দরজা তওবার!
তোমার আগমন শেখাবে নিশ্চয়ই
ক্ষমা মাগিবার।
জাহান্নামের কিনারায় বসে
চলছে জুলুম পাপাচার
আঘাত হানো আশীর্বাদে
সত্যকে চিনবার।
বিজ্ঞানের অসহায়ত্ব দেখেছি
জেনেছি কোয়ারেন্টিন
তোমার আগমনে নিরুপায় সবাই
আমেরিকা ইতালি চীন।
ক্ষমতা দেখেছি দাপট দেখেছি
সারা বিশ্ব জুড়ে
তোমার আতঙ্কে সবাই এখন
'ইয়া-নাফসি ইয়া-নাফসি' করে।
তুমি দেখিয়েছো শৃঙ্খলা
শিখিয়েছো শিষ্ঠাচার
হাঁচি কাশি নয় শুধু
সংশোধিতে মানবতা অনাচার।
কোরআন শরিফ সেরা গ্রন্থ
পড়িনি নিয়মিত
তোমার আগমনে বিশ্ব মুসলিম
কাঁদছে অবিরত।
গভীর রজনীতে খুঁজে ফিরি এখন
সারা জাহানের প্রভু
চোখে আঙুল দিয়ে প্রভুত্ব দেখিয়েছো
চিন্তা করিনি কভু। ‌
তোমার আগমন ভাবিয়ে তুলেছে
কিসের বাড়ি গাড়ি
নারী পুরুষের কোথায় আকর্ষণ
লাশ যে সারি সারি!
অন্যায় অবিচার চলছে সদা
কে করে তা বর্জন!
অশ্লীলতার চরমে মোরা
তাইতো গজবী গর্জন।
জানিনা কত ভালো মানুষ
শিকার করোনায়
ক্ষমা করো তাদের করোনার স্রষ্টা
তোমার করুণায়।
জানি তুমি কার ইশারায়
নিচ্ছো তাজা প্রাণ
অচিরেই তোমার বিদায় হবে করোনা
আল্লাহ মেহেরবান।।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...