* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০

কোভিড-১৯ এর বিরূপ প্রভাবের কারনে আমাদের জনজীবন আজ বিপর্যস্ত: শরীফুল হক; সহযোগি অধ্যাপক


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ কোভিড-১৯ এর বিরূপ প্রভাবের কারনে আমাদের জনজীবন আজ বিপর্যস্ত। পারিবারিকভাবে অনেকেরই অর্থনৈতিক/আর্থিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটির যখন নানা কারনে আয় রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে বা ব্যাপকভাবে সীমিত হয়ে গেছে তখন সে পরিবারটিকে কি ধরণের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তা ভাবলে মন ঠিক রাখা কঠিন। এর আগেও একটি পোষ্টে আমি বলেছিলাম মধ্যবিত্তদের অনেকেই এই বিপর্যয়ের কথা কাউকে বলতেও পারছে না; আবার সইতেও পারছে না।

আই আই ইউ সি-তে শিক্ষকতা করার কারনে অনেক বিষয় খুব কাছ থেকে দেখতে পাচ্ছি। একটি সেমিস্টার শেষ করে নতুন সেমিস্টারের রেজিস্ট্রেশনের সময় হলে বা নোটিশ দিলে দেখা গেল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত অবস্থা। অনেকেই কি করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবে তা নিয়ে শঙ্কিত। কারণ - অর্থনৈতিক মন্দা। অনেক ছেলে-মেয়েরা টিউশনি করে চলতো। টিউশনি বন্ধ হবার কারনে তাঁরাও বেশ অসুবিধার মধ্যে পড়েছে। আই আই ইউ সি শুরু থেকেই রিজনেবল ফী সেট করে রেখেছে যাতে করে সমাজের প্রায় সকল লেভেল থেকে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পায়। তাঁর উপর কোভিডের কারনে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে টিউশন ফী এর উপর ২০% ওয়েভার ঘোষণা করেছে। এর পরও দেখা যাচ্ছে অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করতে পারার ব্যাপারে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। অনেকে বিভিন্নভাবে অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে ফোন করছে। বিশ্ববিদ্যালয়েরও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এমতাবস্থায় তেমনকিছু করতে না পারার ব্যাথায় মন ভারাক্রান্ত। ভাবছি অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিভাগের পক্ষ থেকে একটি শিক্ষা তহবিল (EduFund) গঠনের উদ্যোগ নেব; সচ্ছল শুভাকাঙ্খীদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাব। তাঁদের সহযোগিতায় যদি কিছু ছাত্র ছাত্রীদের উপকার করতে পারি! আমি নিজে আগে আমার কন্ট্রিবিউশন দিয়ে শুরু করব। পাশে থাকবেন তো আপনারা?

করোনায় আইআইইউসি চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ওয়েভার দিয়েছে : ভাইস চ্যান্সেলর

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও গতিশীল রাখার জন্য সেখানে শিক্ষকগণই হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রকৃত প্রাণশক্তি। যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম ও প্রথা বিরোধী গুটিকয়েক শিক্সার্থীও অবুঝ থাকে। তাদেরকে বুঝানোর দায়িত্ব ঐ শিক্সকদের নিতে হবে--- এমনটাই বলেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)‘র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর কে. এম. গোলাম  মহিউদ্দিন।
রবিবার (১২জুলাই) আইআইইউসি আয়োজিত ’মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাকতে শিক্ষকদের করনীয়’ এক অনলাইন সভায় তিনি এসব কথা বরেন।

আইআইইউসি’র প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোহ্ম্মদ আলী আজাদী’র  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থীর শিক্ষজীবন যাতে বিঘ্নিত না হয়। সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে; বিশেষ করে শিক্ষকদের।শুধু তাই নয় এসব শিক্ষার্থীদের শিক্সাজীবন সচল রাখার ক্ষেত্রে কোন অন্যায়ের সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপোষ করা হবে না। 

মহামারী করোনা প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর কেেএম গোলাম মহিউদ্দিন বলেন, করোনাকালীন সব শিক্ষার্থীর আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে আইআইইউসি সর্বোচ্চ ওয়েভার দিয়েছে। মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলের উপর, সিবলিংকস, সেমিস্টারের ফলাফলের উপর , মুক্তিযোদ্ধা কোটা, অতিদরিদ্র কোটা, এই বিচশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স  শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার সময় দেয়া হয়েছে।

.এসময় অন্যান্যের মধ্যে এরা উপস্থিত ছিলেন আইআইইউস ‘র ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান,, সেন্টার পরিচালক, রেজিষ্ট্রার, প্রক্টর, প্রোগ্রাম সমন্বয়ক, শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ মোট ১৭০জন অংশগ্রহণ করেন।

রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

কে আ‌মি ? আব্দুল হান্নান চৌধুরী


কে আ‌মি,‌কি আমার প‌রিচয়?
‌সে কথা কভু আ‌মি ভা‌বিনি,
কত রঙ্গ র‌সে ভ‌রে‌ছে এ জীবন
‌পিছ‌নে ফি‌রে কভু তাকাই‌নি।
কখ‌নো ভা‌বি‌নি কোথা হ‌তে এ‌সে‌ছি
‌কোথায় হ‌বে আমার শেষ ঠিকানা?
কতটুকু পথ পা‌ড়ি দি‌তে হ‌বে আমায়
জা‌নিনা তার ক‌ো‌নো সীমানা।
অনন্তকা‌ল ধ‌রে থাক‌বেনা কেউ
ফু‌লে ফ‌লে ভরা এই ধরণীতে,
এ‌কে এ‌কে সব ফু‌রি‌য়ে যা‌বে
থাক‌বেনা কেউ কা‌রো সা‌থে।
মুসা‌ফির হ‌য়ে এ‌সে‌ছি মোরা
ক্ষ‌ণি‌কের ত‌রে এইখা‌নে,
মুসা‌ফির বে‌শে আবার চ‌লে যা‌বো
চিহ্ন র‌য়ে যা‌বে সবখা‌নে।
‌হে‌লে দু‌লে কা‌টি‌য়ে‌ছি এই জীবন
আপন খবর কভু রা‌খি‌নি,
‌দি‌নে দি‌নে বে‌ড়ে‌ছে পা‌পের বোঝা
‌নি‌জে‌কে নি‌জে কভু চি‌নি‌নি।
‌হে খোদা তু‌মি দাও‌গো মো‌রে
‌নি‌জে‌কে চেনার যত শক্ত‌ি,
‌শেষ ‌বিচা‌রে পাই যেন আ‌মি
‌‌তোমার দয়ায় চিরত‌রে মুক্তি।

বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০

আল্লাহর রসূল (সাঃ) একদল লোককে কিছু দান করলেন। সা‘দ (রাঃ) সেখানে বসেছিলেন।


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃআল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল লোককে কিছু দান করলেন। সা‘দ (রাঃ) সেখানে বসেছিলেন।

সা‘দ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে দিলেন অথচ এক ব্যক্তিকে কিছুই দিলেন না। অথচ বঞ্চিত সে ব্যক্তি আমার নিকট তাদের চেয়ে অধিক পছন্দের ছিল। তাই আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুক ব্যক্তিকে আপনি বাদ দিলেন কেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু’মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ না, মুসলিম।

তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। অতঃপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি, তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছে হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম, আপনি অমুককে দান করা থেকে বিরত থাকলেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ ‘না, মুসলিম।’ তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম।

তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আবার বললাম, আপনি অমুককে দান হতে বাদ রাখলেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ ‘না, মুসলিম।’ তখন আমি কিছুক্ষণ চুপ থাকলাম।

তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় সেই একই জবাব দিলেন।

তারপর বললেনঃ ‘সা’দ! আমি কখনো কখনো আমার প্রিয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়েও অন্য কোনো ব্যক্তিবিশেষকে দান করি। এমনটা আমি এই আশংকায় করি, এত সহজে পেয়ে গেলে এবং তার কাছে সব নেয়ামতের প্রাচুর্যতা চলে আসলে তার মধ্যে ঈমান নিয়ে সংশয় দেখা দিতে পারে, এমনকী সে ঈমান থেকে বেরিয়েও যেতে পারে। যার পরিণামে আল্লাহ তা‘আলা তাকে অধঃমুখে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করবেন।

(এ হাদীস ইউনুস, সালিহ, মা‘মার এবং যুহরী (রহঃ)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।)

(বুখারি: ১৪৭৮; মুসলিম ১/৬৮ হাঃ ১৫০)
★Q.[ইস্তিগফার কি]?
★Q.[ইস্তিগফার কিভাবে করতে হয়]?
★Q.[ ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা কি]?

★★(ইস্তিগফার কি):→

ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা।
রসূলুল্লাহ (‎ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহর ক্বসম!
আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও অধিক ইস্তিগফার করি
(আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই) এবং তাওবাহ করি।❞
(বুখারী ৫/২৩২৪)

★★(ইস্তিগফার কীভাবে করবো):→

ইস্তিগফার যে কোন শব্দেই করা যায়। এমনকি ❝ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন!❞ - বলে দুয়া করলেও হবে।

তবে রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে বাক্যে ইস্তিগফার করেছেন, সে বাক্যে ক্ষমা চাওয়া নিঃসন্দেহে অতি উত্তম! নিম্নে হাদীসে বর্নিত কিছু ইস্তিগফার দেয়া হলো! মুখস্থ করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ।

১| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ (আস্তাগফিরুল্লাহ)। শুধু ❝আস্তাগফিরুল্লাহ❞ বলা।

রসূল ‎(ﷺ) নামাজ শেষে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলতেন।
(মুসনাদে আহমদ- ২২৪০৮)

২| ﺃﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﺍﻟﻌَﻈِﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇﻟَﻪَ ﺇﻻَّ ﻫُﻮَ، ﺍﻟﺤَﻲُّ ﺍﻟﻘَﻴُّﻮﻡُ، ﻭَﺃﺗُﻮﺏُ ﺇﻟَﻴﻪِ

রাসূল ‎(ﷺ) বলেছেন, ❝যে ব্যক্তি এই দু‘আ পাঠ করবে সে জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে।❞
(আবু দাঊদ ১৫১৭)

৩| ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ

রসূলুল্লাহ (‎ﷺ) মাসজিদে অবস্থানকালে একই বৈঠকে একশো বার এ দু'আ পাঠ করেছেন এবং আমরা তা গণনা করেছি।
(আবু দাঊদ ১৫১৬)

৪| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻭ ﺃﺗﻮﺏ ﺇﻟﻴﻪ

আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ❝আমি রাসূল (ﷺ)-র চাইতে কাউকে অধিক এই ইস্তিগফার বলতে শুনি নি - ❝আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি❞!❞ (নাসায়ী কুবরা ১০২১৫)

৫| ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻩِ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ

রাসূলুল্লাহ (‎ﷺ) খুব বেশি বেশি এই দুয়া পড়তেন। এমনকি রাসূল ‎(ﷺ) ইন্তিকালের আগেও এই দুয়াটা অনেকবার করেছেন।
(সহীহ মুসলিম ৪৮৪)

তবে, সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইস্তিগফার হলো, ❝সাইয়িদুল ইস্তিগফার❞।

৬| ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ، ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ، ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ، ﺇِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ

যেটি সকালে পড়লে ওই দিন সন্ধ্যার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল হওয়ার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। (সহীহ বুখারী ৬৩০৬)

★★(ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা):→

১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।

২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।

৩। দ্বীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের।

৪। আল্লাহ ও বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।

৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়।

৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়।

৭। দ্বীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।

৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়।

৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

১০। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়।

১১। বেকারত্ব দূর হয়।

১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয়। তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন।

১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে।

১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে।

১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।

১৬। মন্দ কজ থেকে বেঁচে থাকা যায়।

১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন।

(নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২)

আল্লাহ্‌ আমাদেরকে নিয়মিত ইস্তিগফারের আমাল করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমীন।

Collected,,,,,

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০

মসজিদে নববী ঝাড়ু দিতেন;মহিলা সাহাবী উমম মাহজান

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ মসজিদে নববী ঝাড়ু দিতেন এক মহিলা । তিনি এসেছিলেন আবিসিনিয়া থেকে । আবিসিনিয়া হচ্ছে আজকের ইথিওপিয়া ।
আয়েশা (রা:) প্রতিদিনই তাকে দেখতে পেতেন । প্রতিদিনই তার পাশে বসতেন । আর শুনতে পেতেন ছড়ার মতন কয়েকটা লাইন সে নিয়মিত পড়ছে -
“স্কার্ফের সেই দিনটি ছিল আমার প্রভুর এক বিস্ময়কর নিদর্শন । সেদিন তিনি আমাকে বাঁচিয়েছিলেন অবিশ্বাসের অন্ধকার থেকে ।”
প্রতিদিন এই একি আবৃত্তি শুনতে পেয়ে আয়েশা (রা:) একদিন এর কারণ জানতে চাইলেন ।
“আমি ছিলাম একজন আবিসিনিয়ান ক্রীতদাসী, কুচকুচে কাল বর্ণের খুবই হালকা পাতলা গড়নের কৃষ্ণাঙ্গ একটা ছোট্ট মেয়ে । একটা বেদুইন আরব গোত্রে আমি ছিলাম এক আবদ্ধ দাসী । আমার কোন বন্ধু ছিল না । ছিল না কোন পারিবারিক বন্ধন । আমি শুধু মনিবের পরিবারের কাজ করতাম । আর তাদের সাথে সাথে ঘুরতাম এক জনপদ থেকে আরেক জনপদে । একদিন আমার মনিবের মেয়ে ঘর ছেড়ে বাইরে এলো । তার গলায় একটা স্কার্ফ ছিল । এটাকে বলে ‘উইশা’ । উইশা হচ্ছে লাল রংয়ের চামড়ার একটা শাল যেটা গলায় বা কোমড়ে পেঁচিয়ে পড়া যায় । ওটাতে স্বর্ণ মুদ্রা সহ আরও মূল্যবান পাথর খচিত । সে ঐ মূল্যবান স্কার্ফটা মাথার কাছে রেখে ঘুমিয়ে পড়ল । আর তখনি উপর থেকে লাল বর্ণ হওয়ায় মাংস পিন্ড ভেবে বড় একটা পাখি ছোঁ মেরে ওটা নিয়ে গেল ।
ঘুম ভাঙার পর প্রিয় স্কার্ফটা না পেয়ে সে চিৎকার করে কান্না জুড়ে দিল এবং তার বাবার কাছে বিচার দিল ঘুমন্ত অবস্হায় কেউ এটা চুরি করেছে । স্বভাবতই চাকরাণী হিসেবে সবার সন্দেহের চোখ আমার দিকে । আমি বললাম মাংস পিন্ড ভেবে একটা পাখি ছোঁ মেরে ওটা নিয়ে গেছে । তারা আমার কথা বিশ্বাস করল না । তাদের ধারণা ছিল আমি ওটা চুরি করে লুকিয়ে রেখেছি ।
আমার কোন কথাই তারা বিশ্বাস করলো না। মারতে আরম্ভ করলো । চাবুকের আঘাতে আমার ছোট্ট পুরোটা দেহ রক্তাক্ত হয়ে গেল । আমি একটা শীর্ণকায় ছোট্ট মেয়ে ব্যথায় চিৎকার করে কাঁদছি । কেউ একজন এগিয়ে এলো না আমার পাশে । শরীরের বিভিন্ন জায়গা চাবুকের আঘাতে কেটে রক্ত বেরিয়ে মরুভূমি বালির লাল হয়ে গেল । পুরোটা শরীর চাবুকের আঘাতে জখম । আমি তখন অসহ্য চিৎকারে আকাশের দিকে চেয়ে কাঁদছি । ঠিক তখনি পাখিটা নেমে এল । স্কার্ফটা ফেলে দিয়ে গেল আমার আর মনিবের মাঝখানে ।
চাবুক থেমে গেল । ভুল বুঝতে পেরে প্রচন্ড অনুশোচনায় মনিব আমায় দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে দিল ।
আমি তখন মুক্ত স্বাধীন । শুনতে পেলাম মদীনাতে একজন সত্যের দিকে মানুষকে ডাকছেন । এবং বেশীর ভাগ অনুসারী দরিদ্র, দূর্বল, ক্রীতদাস আর নির্যাতিত পিছিয়ে থাকা সব সাধারণ মানুষ ।
আমি ছুটলাম মদীনার পথে । অনেক লম্বা মরুভূমির পথ পেড়িয়ে পৌছলাম । চাবুকের আঘাত তখনও শুকায়নি । ছিন্ন বস্ত্র, শীর্ণ, ক্ষুধার্ত, কালো সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত এক খুব অসহায় ক্রীতদাসীকে চিনে নিতে কষ্ঠ হয়নি সে মহামানবের । আমি ঘোষণা দিলাম ‘লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহম্মাদুর রসুলুল্লাহ ।’
আর মসজিদে নববীর ভিতরেই নবীজী এই অসহায়ের থাকার ব্যবস্হা করে দিলেন ।”
এই মহিলা সাহাবীর নাম উমম মাহজান । তিনি মসজিদে নববী ঝাড়ু দিতেন ।
নবীজী সা: নিয়মিত তাঁর খোঁজ খবর রাখতেন । একদিন সারাদিনেও দেখা না পেয়ে নবীজী সা: জানতে চাইলে সাহাবারা জানালেন অসুস্হ হয়ে আগের রাতে মারা গেছেন । রাত বেশী হওয়ায় নবীজীকে ঘুম থেকে ডাকতে চায়নি কেউ । রাতেই দাফন দিলেন তাঁকে ।
এটা জেনে নবীজী সা: খুব কষ্ঠ পেলেন । তখনি তার কবরে গিয়ে বাকি সাহাবীদের নিয়ে আবার জানাযা পড়লেন ।
দ্বিতীয় জানাযা ইসলামে এটাই প্রথম , একজন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসের ।
“স্কার্ফের সেই দিনটি ছিল আমার প্রভুর এক বিস্ময়কর নিদর্শন । সেদিন তিনি আমাকে বাঁচিয়েছিলেন অবিশ্বাসের অন্ধকার থেকে ।”
[ সহীহ বুখারী ৪৩৯ এবং ৪৬০ ]

মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

জান্নাত পাওয়ার সহজ ৩টি আমল


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ১। প্রতিবরি অজু করার পর কালিমা মাহাদাত পড়া। এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোনটি দিয়ে তাকে প্রবেশ করতে বলা হবে।

 [নাসাঈ-১৪৮, তিরমিজি-৫৫, ইবনু মাজাহ- ৪৭০]

২। প্রতিবার ফরজ সালাতের পর একবার আয়াতুল করসি পড়া। নিয়মিত আমল করলে আমলকারী ও জান্নাতের মধ্যে পার্থক্য থাকে শুধুমাত্র মৃত্যু। অর্থ্যাৎ মৃত্যু হলেই জান্নাতি। 
  [নাসাঈ-৯৯২৮]

৩। মনোযোগী হয়ে আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে আযানের উত্তর দেয়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে আযানের উত্তর দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
 [মুসলিম-৩৮৫, আবু দাউদ-৫২৭, মিসকাত- ৬৫৮]




বুধবার, ২৭ মে, ২০২০

নবী করিম ﷺ - বলেছেন ১২ জন মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম !


★১. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭) . 

★২. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ ‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫) . 

★৩. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً ‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩০৫) . 
★৪. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪৩২) . 

★৫. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭) . 

★৬. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম। . (আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮) . 

★৭. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। . (সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯, দারাক্বুত্বনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬) . 

★৮. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ। . (ইবনে মাজাহ ৪২১৬ ,সহিহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১) . 

★৯. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪) . 

★১০. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺧِﻴَﺎﺭِﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨَﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻠَﺎﻗًﺎ ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯) . 

★১১. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻨْﺰِﻟَﺔً ﺭَﺟُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺘْﻦِ ﻓَﺮَﺳِﻪِ ﻳُﺨِﻴﻒُ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭَّ ﻭَﻳُﺨِﻴﻔُﻮﻧَﻪُ মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে। . (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪২৯১, সিলসিলা সহীহাহ ৩৩৩৩) . 

★১২. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ ﻟَﻤُﺆْﻣِﻦٌ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٌ ﺑِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻓﻲ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠﻪِ ঐ মু’মিন (সর্বশ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে। . (বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ৪৯৯৪-৪৯৯৫) 

আল্লাহপাক যেন আমাদেরকে এইরকম সর্বোত্তম মানুষ হবার তাওফীক দেন। আমীন......

সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

দ্বীনের ময়দানে যারা কাজ করবেন, বিশেষ করে যারা দাওয়াতের ফিল্ডে কাজ করবেন, তাদের এত অল্পে রিএ্যাক্ট করলে চলবে না

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ রাসুল (সা.) যখন প্রকাশ্যে ইসলামের ঘোষণা দিলেন, তখন সবার আগে মক্কার যে মানুষটি তার বিরোধিতা করেছিলেন তিনি ছিলেন আবু লাহাব। এই ঘটনার কিছু দিন পর রাসুল (সা.) তার সব নিকটাত্মীয়দেরকে নিয়ে একবার নৈশভোজের আয়োজন করলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষে নবিজি (সা.) যখন কথা শুরু করতে যাবেন, তখনই আবু লাহাব আবারো বাগড়া দিলেন। নবিজির (সা.) সমস্ত আয়োজন ভুন্ডুল করে দিলেন। নবিজিকে (সা.) কথাই বলতে দিলেন না।
পরপর দুটো উদ্যেগ আবু লাহাবের কারণে নস্যাৎ হয়ে যাওয়ার পর রাসুল (সা.) কিছুদিন চুপ থাকলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হলো, তিনি ক্ষতটা শুকানোর জন্য সময় নিচ্ছেন।
এমতাবস্থায় নবিজির (সা.) দু একজন আত্মীয় তাকে পরামর্শ দিলেন যাতে এ জাতীয় পরবর্তী বৈঠকে তিনি আবু লাহাবকে আর দাওয়াত না দেন। নবিজি (সা.) বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবলেন এবং তারপর পরবর্তী বৈঠকেও আবু লাহাবকে দাওয়াত দেয়ার পক্ষেই সিদ্ধান্ত নিলেন। আবু লাহাবের পক্ষ থেকে এতটা বাঁধা আসার পরও তাকে দাওয়াত দেয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ ছিল।
প্রথমত, আবু লাহাবের বাসা ছিল নবিজির (সা.) বাসার একেবারে পাশেই আর দ্বিতীয়ত আবু লাহাবকে এড়িয়ে গিয়ে অন্যন্য চাচাতো ভাই বা জ্ঞাতি ভাইদেরকে দাওয়াত দেয়ার তেমন কোনো সুযোগও ছিল না। বিষয়টি ভালোও দেখাতো না। তৃতীয়ত, নবিজি (সা.) আশংকা করছিলেন যে, আবু লাহাবকে বাদ দিয়ে এ ধরনের কোনো আয়োজনের খবর যদি তার কানে চলে যায়, তাহলে সে হয়তো আরো বেশি ঝামেলা করতে পারে। আর, চতুর্থত, সবচেয়ে বড়ো কথা, নবিজি (সা.) সবসময়ই মানুষের অন্তরের পরিবর্তনের বিষয়ে আশাবাদি ছিলেন, এমনকী ঘোর দুশমনের অন্তর পরিবর্তন নিয়েও তিনি আশাবাদি ছিলেন।। এ কারণেই, আবু লাহাব বার বার তাকে ন্যাক্কারজনকভাবে ফিরিয়ে দেয়ার পরও নবি মুহাম্মাদ (সা.) তার বিষয়ে হাল ছেড়ে দেননি। বরং তিনি শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত তাকে দ্বীনের পথে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন।
এই দৃষ্টান্তগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারি, দ্বীনের ময়দানে যারা কাজ করবেন, বিশেষ করে যারা দাওয়াতের ফিল্ডে কাজ করবেন, তাদের এত অল্পে রিএ্যাক্ট করলে চলবে না। 

Copy post Ali Ahmad Mabrur

রবিবার, ২৪ মে, ২০২০

ঈদ মুবারাক – তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ আমাদের অনেকে রামাদানের চাঁদ পাননি, অনেকে রামাদান পেলেও সিয়াম করতে পারেননি, আবার অনেকে সিয়াম করতে পারলেও শাওয়ালের চাঁদের সুসংবাদ পাননি। আমরা সেই সমস্ত সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত, যারা রামাদান শেষ করে শাওয়ালের চাঁদের সুসংবাদ পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।
আমাদের মাঝে জীবিতদের কেউই এরকম রামাদান এর আগে দেখিনি, যেখানে রামাদান এসেছে অথচ মসজিদগুলো ফাঁকা, জামাতে মানুষ নেই, তারাবিহ নেই, জুমুআ নেই, ইফতারে মসজিদে মানুষের আনাগোনা নেই, সুবহানআল্লাহ। তবে এমন রামাদানও হয়তো এর আগে কেউ পাইনি, যখন মসজিদগুলো ফাঁকা থাকলেও ঘরগুলোই মসজিদে পরিণত হয়ে গেছে, ব্যক্তিগত ইবাদতে মানুষ আগের চেয়ে বেশি মশগুল ও আন্তরিক হয়ে গেছে, মসজিদে আর একটিবার সিজদা দেবার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেছে।
আমরা সৌভাগ্যবান, যারা এই অভুতপূর্ব সময় সুস্থভাবে পার করতে পেরেছি, শাওয়ালের চাঁদের সুসংবাদ পেয়েছি। আল্লাহ তা'আলা যেন আমাদের সালাতগুলোকে কবুল করেন, তারাবিহগুলোকে কবুল করেন, কিয়ামুল লাইলগুলোকে কবুল করেন, সিয়ামগুলোকে কবুল করেন, যাকাতকে কবুল করেন, যাকাতুল ফিতরাকে কবুল করেন, প্রতিটা নেক আমলকে তাঁর দয়ার বিনিময়ে কবুল করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সুস্থ রাখেন আর যারা অসুস্থ আছেন তাদেরকে শিফা দান করেন আর যারা চলে গেছেন তাদের প্রতি রহম করেন।
মৃত্যুকে এত কাছ থেকে এর আগে আমরা দেখিনি। আল্লাহ যেন আমাদের অনুধাবন করার তাওফিক দান করেন, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনটা ফেলনা, কোনটা প্রয়োজনীয় এবং কোনটা বাহুল্য, কোনটা সত্য এবং কোনটা মিথ্যা। আল্লাহ যেন আমাদের সিরাতুল মুস্তাকিমে কায়েম রাখেন। আল্লাহ যেন আমাদের আগামী রামাদান ও শাওয়াল পর্যন্ত কবুল করেন।
তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
ঈদ মুবারাক।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...