* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০

পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর কোন বিপদ আসে না; এগুলো সবই বিশ্বজগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ সুরা হাদিদ পড়তে পারেন। মনে হবে যেন এখনকার সময়ের জন্যই আল্লাহ নাজিল করেছেন। কুরআনের সবচেয়ে বড়ো শক্তি হলো এই আসমানী কিতাবটি সবসময়ই অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক। আল্লাহ বলেছেন,
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি শক্তিধর; প্রজ্ঞাময়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব একমাত্র তাঁরই। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম। তিনিই প্রথম, তিনিই সর্বশেষ, তিনিই প্রকাশ্য এবং অদৃশ্য। তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত। (১-৩)
তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর এবং তিনি তোমাদেরকে যে সম্পদের মালিক করেছেন, তা থেকে ব্যয় কর। অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও ব্যয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে মহাপুরস্কার। (আয়াত ৬)
যারা মুমিন, তাদের জন্যে কি এখনো আল্লাহর স্মরণে ব্যস্ত হওয়ার এবং যে সত্য অবর্তীর্ণ হয়েছে, তার কারণে হৃদয়টি কোমল হওয়ার মতো সময় আসেনি? তারা যেন অতীতের কিতাবধারী ব্যক্তিদের মতো না হয়ে যায়। তাদের ওপর কিতাব নাজিল হওয়ার পর সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হয়ে যায়। এরপর অতঃপর তাদের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। ফলে তাদের অধিকাংশই পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল। (১৬)
আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে তারাই তাদের পালনকর্তার কাছে সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও জ্যোতি। অপরদিকে যারা কাফের ও আমার নিদর্শন অস্বীকারকারী তারাই জাহান্নামের অধিবাসী হবে। (১৯)
তোমরা জেনে রাখ, পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক, সাজ-সজ্জা, পারস্পরিক অহমিকা এবং ধন ও জনের প্রাচুর্য ব্যতীত আর কিছু নয়। এগুলোর উদাহরণ এমনই এক বৃষ্টির মতো, যার সবুজ ফসল কৃষকদেরকে চমৎকৃত করে, এরপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তুমি তাকে পীতবর্ণ দেখতে পাও, এরপর তা খড়কুটা হয়ে যায়। আর পরকালে আছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। পার্থিব জীবন প্রতারণার উপকরণ বৈ কিছু নয়।
পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর কোন বিপদ আসে না; এগুলো সবই বিশ্বজগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। এটা এজন্যে বলা হচ্ছে, যাতে তোমরা যা হারাও তার জন্য দুঃখিত না হও এবং তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তার জন্যও অধিক উল্লসিত না হও। আল্লাহ কোন উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (২২-২৩)
এখান থেকে আমরা যা শিখতে পারি...
১. আল্লাহর ক্ষমতার বিষয়ে পূর্ণ আস্থা রাখা। যুক্তি আর বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা শেষ হবে। একটা সময় গিয়ে বিজ্ঞান চুপ হবে। কিন্তু আল্লাহর অবস্থান ও বাণী কখনোই ম্লান হবে না।
২. ঈমান মজবুত করতে হবে। নিজেদের আয় থেকে আল্লাহর পথে ব্যয় বাড়াতে হবে।
৩. ইসলাম ও আল কুরআন সত্য। এটা মানলেও আমরা এগুলোর ভেতরে নেই। আমাদের অন্তরটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই সত্য জানার পরও আমরা পাপ করছি। এভাবে চলতে থাকলে তা ভয়ংকর পরিণতির দিকে আমাদেরকে নিয়ে যাবে।
৪. আল্লাহর নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করা যাবে না। এগুলোকে নিয়ে ফান করার সুযোগ নেই।
৫. যা আজ সুন্দর লাগছে, তাই আগামীকাল পঁচা খড়কুটোর মতো হয়ে যাবে। এই দুনিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবন আনন্দ আয়োজন প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।
৬. যা আমরা হারাবো, তা ভাগ্যে ছিলনা বলে মেনে নেওয়া এবং তার জন্য দু:খ না করা। আর যা পাবো তা নিয়ে অধিক উল্লাস না করা। কেননা আল্লাহ যে কোনো সময় তা কেড়ে নিতে পারেন।
৭. আল্লাহ কোনো ঔদ্ধত্য ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না। তাই এই দুইটি বিষয় থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকতে হবে।
(A lot blessing to Ali Ahmad Mabrur)

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০

পবিত্র ক্বাবা শরীফে তাওয়াফ বন্ধের ঘটনাসমূহ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ৮৬৫ সালে ইসমাইল ইবনে ইউসুফ নামের এক উন্মাদ হজ্জ্বে এসে হাজারের উপর মানুষকে হত্যা করেছিল। সেই সময়ে কাবা টেম্পোরারিলি বন্ধ হয়।

কাবায় তাওয়াফ বন্ধ হয় ৯৩০ সালে। কারমাতিয়া নামের এক্সট্রিমিস্ট শিয়া গ্রূপ ছিল, যারা ঘোষণা দিয়েছিল যে কাবার চারদিকে তাওয়াফ করা জাহেলী আরবদের প্রথা, তাই ওরা কাবা ধ্বংস করতে আসে। লড়াই হয়, এবং ওরা কাবার সামনের কালো পাথরটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ২২ বছর সেটা ওদের দখলে ছিল, এবং অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ওরা ওটাকে ঘিরেই পূজা শুরু করে দিল। পরে এটিকে উদ্ধার করা হয়, এবং তারপর থেকে আবারও কাবার সামনে প্রতিস্থাপন করা হয়।

আবারও কাবায় তাওয়াফ বন্ধ হয়েছিল ১২৫৮ সালে। মঙ্গলরা তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম। বাগদাদে দুই মিলিয়ন মানুষকে হত্যা করে ফোরাত নদীর পানির রঙ পাল্টে ফেলেছিল। ইসলামের খলিফাকে হত্যা করে তারা। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কারোর সাহস হয়নি বাড়ির বাইরে এক কদমও ফেলার। তাই ওমরাহ এবং হজ্ব সেই বছরের জন্য বাতিল করা হয়।

১৮১৪ সালে প্লেগ ছড়িয়ে পরে এবং আরব অঞ্চলেই আট হাজারের উপর মানুষ মারা যান। সেই সময়ে কাবার তাওয়াফ বন্ধ করা হয়।

১৮৩১ ইন্ডিয়া থেকে কিছু হাজি, ওমরাহকারী এক ছোঁয়াচে রোগ নিয়ে আসেন, যার ফলে কাবায় উপস্থিত এক তৃতীয়াংশ মানুষ সেই রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যান। আবারও কাবা বন্ধ করতে হয়।

১৮৯২ কলেরা ছড়িয়ে পরে। ১৯৭৯ সালে সন্ত্রাসী হামলা ঘটে। এইভাবে ১৯৮৭ সর্বশেষ ম্যানেনজিসাইটিস আউটব্রেক ঘটে, এবং কাবা বন্ধ করা হয়। এছাড়াও কাবা গৃহে অগ্নিকাণ্ডের ফলেও কাবা তাওয়াফ বন্ধ ছিল।

তারমানে দেখা যাচ্ছে, নানান কারণেই ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে কাবা তাওয়াফ বন্ধ করতে হয়েছে। তার মানে, ভবিষ্যতেও বহুবার বন্ধ করা হবে। প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন? যেই আল্লাহ এত সর্বশক্তিমান, তিনি কেন তাঁর ঘরকে প্রটেক্ট করেন না? আবাবিল পাখি পাঠাবার ঘটনাতো আমরা কুরআনেই পাই।

দেখুন, আপনার যদি এই ধারণা হয়ে থাকে, তাহলে আপনার ঈমানে সমস্যা আছে। মানে, ইসলাম সম্পর্কে আপনার পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই বলেই এমন চিন্তা আপনার মাথায় আসছে। ইসলামের মূল ভিত্তি হচ্ছে আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর শরিক কেউ নেই। এই বাক্য আমরা সবাই জানি, মানি, কিন্তু উপলব্ধি করছি না। এই বাক্যের মানে আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীর ও পৃথিবীর বাইরের সবকিছুই নশ্বর। আর কারোরই কোন ক্ষমতা নেই। না নবীর (সঃ), না কাবা গৃহের, না কোন আসমানী ফেরেশতার, না অন্য কারোর। সব ক্ষমতার মালিক আল্লাহ নিজে। এই ব্যাপারটি আপনাকে বুঝতেই হবে। কারন এটি না বোঝার কারণেই যেদিন আমাদের নবী (সঃ) মারা গেলেন, সেদিন মদিনার মুনাফেকরা বলতে শুরু করেছিল এ কেমন নবী যে মারা যায়? ওদের বিশ্বাস ছিল যেহেতু আল্লাহ একজনকে নবী নির্বাচন করেছেন, তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন, জরামুক্ত থাকবেন, অসুস্থ হবেন না, ক্ষুধা তৃষ্ণা ইত্যাদি কিছুই পাবে না ইত্যাদি। আমাদের ধর্ম এটি শিক্ষা দেয় না। আমাদের নবী একজন মানুষ ছিলেন, যাকে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁর বাণী প্রচার(তবলিগ) করতে। আল্লাহর ইচ্ছা এবং সাহায্য ছাড়া তাঁর ও কোন ক্ষমতা ছিল না কাউকে মুসলিম বানাবার। যে কারনে পৃথিবীতে তাঁর সবচেয়ে আপন মানুষ, প্রিয় ব্যক্তিত্ব আবু তালিব মুসলিম হননি। রাসূলকেও যুদ্ধের সময়ে লড়তে হয়েছে, খন্দকের যুদ্ধে পরিখা খনন করতে হয়েছে, ক্ষুধার যন্ত্রণায় পেটে পাথর বাঁধতে হয়েছে। এসবের পেছনে কী কারন ছিল? যাতে লোকে তাঁর পূজা শুরু করে না দেয়। যদি দেখা যেত লোকজন ক্ষুধায় মরছে, এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) হাওয়া থেকেই পোলাও কোর্মা রোস্ট নামিয়ে দিচ্ছেন, তাহলে লোকে তাঁর পূজা শুরু করে দিত। হ্যা, মোজেজা ঘটেছে, কিন্তু সেগুলোও আল্লাহর নির্দেশেই, আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী। সর্বক্ষেত্রে ঘটেনি।

তেমনি কাবার ব্যাপারটিও তাই। আমাদের বুঝতে হবে কাবার কোন নিজস্ব শক্তি নেই, ক্ষমতা নেই। ওটা স্রেফ একটি ঘর। সব ক্ষমতা আল্লাহর, যিনি নির্দেশ দিয়েছেন বলেই আমরা ওখানে ওকে ঘিরে চক্রাকারে হাঁটি। লোকজন এইটাই মানতে পারেনা। ওরা কাবার গিলাফ ছিঁড়ে বাড়ি নিয়ে গিয়ে পানিতে ধুয়ে খায়। মানত করে, দোয়া করে, মাটিতে পড়ে গেলে তুলে মাথায় ঠ্যাকায়। এমন অনেক কিছুই ঘটে যা অতি ভক্তির ফলে শির্কের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। কাজেই, আমাদের বুঝতে হবে কাবা গৃহের কোন ক্ষমতা নেই। মূল ক্ষমতা তাঁর মালিকের।

আমাদের দেশে প্রায়ই এমন ছবি শেয়ার হতে দেখবেন যে সুনামিতে গোটা দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু মসজিদের কোনই ক্ষতি হয়নি। চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মানুষ মরে গেছে, কিন্তু মসজিদের দেয়ালে কলেমা লেখার কিছু হয়নি বলে লোকে সুবহানাল্লাহ বলতে বলতে মুখে ফ্যানা তুলে ফেলছে। এরা যে কাবা ঘরের তাওয়াফ বন্ধ দেখলে হার্ট এটাক করবে, সেটাইতো স্বাভাবিক।

জেনে রাখুন, ইসলামের দৃষ্টিতে, আল্লাহর সৃষ্ট একজন মানুষের প্রাণের মূল্য, কাবা গৃহের হাজারটা ইটের মূল্যের চেয়ে বহুগুন বেশি।

শেষ করি নবীজির (সঃ) মৃত্যুর সময়ে আবু বকরের দেয়া দুই লাইনের দেয়া ভাষণ দিয়ে, যেখানে তিনি বলেন, "যারা মুহাম্মদের (সঃ) পূজা করতো, তাঁরা জেনে নিক তিনি মারা গেছেন। এবং যারা আল্লাহর ইবাদত করে, তাঁরা জেনে নিক আল্লাহ অবিনশ্বর, চিরঞ্জীব।"

মুসলিম হলে অবশ্যই জেনে রাখবেন, সবই আল্লাহর হুকুমে হচ্ছে, সবকিছুর নিয়ন্ত্রনে তিনি আছেন, এবং সবই আমাদের শিক্ষার জন্যই হচ্ছে। কাজেই নিজের ঈমান তাজা করুন। ভুয়া আজগুবি কথাবার্তা শোনার অভ্যাস ত্যাগ করুন। মুসলিম হলে ইসলামকে সঠিকভাবে অনুধাবন করার চেষ্টা করুন।

বাকি আল্লাহ ভরসা।
মূল পোস্ট লিখক কে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন আমীন।

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০

নবীজী (সঃ) এর ধর্য্য এবং ইহুদীর ইসলাম গ্রহণ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ এক ইহুদী হুজুর নবী কারীম (ﷺ) এঁর দরবারে প্রবেশ করলযখন তিনি সাহাবাগনকে চারপাশে নিয়ে বসেছিলেন। সে সাহাবাগনের সারি ভেদ করে নবীজীরﷺ সামনে দিয়ে দাঁড়াল। গিয়ে নবীজীরﷺ কে খুব রূক্ষ ভাষায় বলল, "হে মুহাম্মদ! আমার যে পাওনা তোমার কাছে আছে তা পরিশোধ কর। তোমরা বনু হাশিম ঋন আদায়ের ক্ষেত্রে খুব সময় নাও।"
নবীজীﷺ এই ইয়াহুদীর কাছ থেকে কয়েক আওসাক খেজুর ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু তখনও সেই খেজুর ফিরিয়ে দেয়ার সময় আসেনি। নির্ধারিত সময়ের আগেই সে উপস্থিত হয়ে গেছে ঋন ফিরে পেতে। তার এই বেয়াদবিমূলক আচরন দেখে হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) তলোয়ার বের করে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অনুমতি দিন আমি এই বেয়াদবের গর্দান উড়িয়ে দিই!"

নবীজীﷺ বললেন, "হে ওমর! তুমি ওকে উত্তম পন্থায় ঋন আদায়ের নসিহত দাও, আর আমাকে উত্তমভাবে ঋন আদায় করার নসিহত দাও। হে ওমর! তুমি যাও বায়তুল মালের আমার অংশ থেকে এই ইহুদীকে তার পাওনা খেজুর আদায় করে দাও। আর তুমি তাকে কিছু বেশি দেবে।

তখন বায়তুল মালের দায়িত্বে ছিলেন মূলত: হজরত বিলাল রা:, কিন্তু নবীজীﷺ ওমর রা: কেই নির্দেশ দিলেন, যাও তুমি নিজ হাতে বায়তুল মালের আমার অংশ থেকে ঋন আদায় কর। কারন তুমি এই ইহুদী পাওনাদারের সাথে দুর্ব্যবহার করেছ।
ওমর রা: ঐ ইহুদীকে নিয়ে বায়তুল মালে প্রবেশ করলেন নবীজীর ﷺ ঋন পরিশোধের জন্য। ঋন পরিশোধের পর কিছু অতিরিক্ত খেজুরও তাকে দিলেন।

ঐ ইহুদী বললেন, "এই অতিরিক্ত খেজুর কেন?"
ওমর রা: জবাব দিলেন, "আমি আপনার সাথে মনে হয় রুক্ষ ব্যবহার করেছি সেজন্য।"
ঐ ইহুদী বললেন, "হে ওমর আপনি আমাকে চিনেছেন?"
ওমর রা: বললেন, না।
ঐ ইহুদী বললেন, "আমি জায়েদ ইবনু সা'নাহ।"
ওমর রা: বললেন, "আপনি কি সেই বিখ্যাত ইহুদী পন্ডিত?"
ঐ ইহুদী বললেন, "হ্যাঁ আমিই সেই ইহুদী পন্ডিত। আমি তাওরাত কিতাবে শেষ নবীর যত গুণ আছে সব মিলিয়ে দেখেছি, আর সেসব গুণই মুহাম্মদের ﷺ মধ্যে বিদ্যমান। শুধুমাত্র একটি বিষয় পরীক্ষা করে দেখতে পারিনি। আজ তাও পেয়ে গেলাম। আমি তাওরাতে পেয়েছিলাম, "শেষ নবীর ধৈর্য্য ক্রোধের উপরে জয়লাভ করবে।" আমি সময়ের আগেই ঋন নিতে এসেছি, আবার মুহাম্মদের ﷺ সাথে খারাপ ব্যবহারও করেছি। কিন্তু তিনি এতটুকুও রাগ করেননি। বরং আরো বদান্যতা দেখিয়েছেন বেশি দিয়ে। হে ওমর! আমি পাওনা খেজুর নিতে আসিনি। বরং শেষ নবীর ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতে এসেছিলাম। ঐ পাওনা খেজুর আমি আল্লাহর রাস্তায় গরীব সাহাবীদের জন্য সদকাহ করে দিলাম। চলুন আমাকে নবিজীরﷺ কাছে নিয়ে চলুন।" এই বলে তিনি নবীজীরﷺ কাছে এসে কালিমা শাহাদাৎ পড়ে মুসলমান হয়ে গেলেন।
পরবর্তীতে তিনি একজন উত্তম সাহাবী হিসেবে জীবন কাটান এবং তাবুকের যুদ্ধে শহীদ হন।
(সহিহ ইবনে হিব্বান, ১/৫২১, ইমাম তাবরানী ফি মুজামিল কাবির
৫/২২২, মুসতাদরাকুল হাকিম, ৩/৬০৪)
( মুসলিমদের স্বর্ণালি ইতিহাস)

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

প্রতিবিম্ব: সাঈদ চৌধুরী

আমি একটা ছোট্ট বাগানে দাঁড়িয়ে ছিলাম
পাশে আমার ছায়াও সমান্তরালে দৃশ্যমান
বস্তু জগতের বিপরীতে যেন আরেক জগৎ
যাকে বলা যায় ‘আইডেনটিক্যাল টুইন’
যেন আয়নায় প্রতিফলিত নিজেরই প্রতিবিম্ব
কে যেন এসে বললো, তুমি কি দেখোনি
সূরা নাবা’য় জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টির কথা আছে
সূরা নমলে আছে “আল্লাহ ছাড়া কেউ মহাবিশ্বে
অদৃশ্য বিষয় সমূহের পূর্ণ জ্ঞান রাখে না”
সুগন্ধযুক্ত শিশির জল মুঠোয় দিয়ে বললো
তোমাকে বিশ্বের ছায়া দেখাচ্ছি, দেখো...
অদ্ভুত জায়গাটি দেখতে এতো সুন্দর
একটি সূর্য রশ্মির প্রতিবিম্ব দেখাচ্ছিলো
গোধুলি বেলায় মালদহি আমের মতো
ভালোবাসার নান্দনিক ছোঁয়া ও অনুপম মাধুর্যে
আমার হাতগুলি সে শক্ত করে চেপে ধরেছিলো
স্বপ্নের উদ্যানের মধ্যে ফর্সা এবং পুষ্পযুক্ত
বিস্ময়কর উজ্জ্বলতায় বিস্তৃত ও প্রশস্ত
হঠাৎ করেই ধূসর পাথরের দেয়াল ঘেষে
স্বর্গীয় হাওয়ার ঝাঁকুনি অনুভূত হলো
একটা দুর্দান্ত আওয়াজে সম্বিত ফিরে পেলাম
আমি কী তাহলে কোন স্বপ্ন দেখলাম!

মা‌য়ের ভাষা: আব্দুল হান্নান চ‌ৌধুরী



বাংলা আমার মা‌য়ের ভাষা
‌ভো‌রের পা‌খির গান,
‌ফাগুন হাওয়ায় গা‌ছের ডা‌লে
কুহু কোকি‌লের তান।
বাংলা আমার শিশুর মু‌খে
আধ‌ো আ‌ধো বোল,
‌রোজ সকা‌লে কান্না ভেজা
মা‌য়ের কো‌লে দোল।
বাংলা আমার গা‌ছে গা‌ছে
কৃঞ্চচূড়ার দোল,
হৃদয় মা‌ঝে আ‌জো বা‌জে
বায়ান্ন‌ে‌র ঢাক ঢ‌োল।
বাংলা আমার সেরা ভাষা
জগত জু‌ড়ে যার সুনাম,
রক্ত‌ে কেনা অর্জন কভু
‌দেবনা হ‌তে ম্লান।
বাংলা ভাষার জন্য যারা
‌দি‌য়ে গেল প্রাণ,
আল্লাহ তা‌দের কবুল করুক
করুন জান্নাত দান।

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

যে সকল সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের জন্য ফেরেস্তারা দোয়া করেন।


১. অজু অবস্থায় ঘুমানো ব্যক্তিগণের জন্য।
২. নামাজের অপেক্ষায় মসজিদে অবস্থানকারীগণের জন্য
৩. প্রথম কাতারের নামাজীবৃন্দের জন্য
৪. কাতারের ডান পার্শ্বের মসল্লিবৃন্দের জন্য
৫. নামাজের কাততারে পরস্পরে মিলিতভাবে দাঁড়ানো ব্যক্তিগণের জন্য
৬. ইমাম সূরা ফতিহা শেষ করার সময় জামাতে উপস্থিত মুসল্লিগণের জন্য
৭. নামাযান্তে নামাযের স্থানে বসে থাকা ব্যক্তিগণের জন্য
৮. জামাতের সাথে ফজর ও আসর নামায আদায়কারীগণের জন্য
৯. কুরআন খতমকারীগণের জন্য
১০. নবী (সাঃ)-র ওপর  দরূদ পাঠকারীগণের জন্য
১১. এমন অনুপস্থিত মুসলমান যাদের জন্য দোয়া করা হয়
১২. অনুপস্থিত ভাইয়ের জন্য দোয়াকারীগণের জন্য
১৩. কল্যাণের পথে ব্যয়কারীগণের জন্য
১৪. রোজার সাহরী ভক্ষণকারীগণের জন্য
১৫. এমন রোজাদার ব্যাযক্দেতিদের জন্য, যাদের সাম্মুখে পানাহার করা হয়
১৬. রোগী পরিদর্শনে গমনকারী ব্যক্তিগণের জন্য
১৭. যারা রোগীর নিকট উত্তম কথা বলেন, তাদের জন্য
১৮. যারা মৃত ব্যক্তির নিকট উত্তম কথা বলেন, তাদের জন্য
১৯. যারা লোকদেরকে উত্তম কথা শিক্ষা দেন, তাদের জন্য
২০. ঈমান আনয়নকারী, তওবাকারী ও আল্লাহর পথের অনুসারী এবং তাদের সৎকর্মশীল আত্মীয়গণের জন্য

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আই আই ইউ সি: যে প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষালাভ করে হাজার হাজার গ্রাজ্যুয়েট সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রেস্টিজিয়াস অর্গানাইজেশনে কর্মরত রয়েছেন।

বহু মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন, ও অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার ফসল আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বা আই আই ইউ সি। বাংলাদেশের বিশেষকরে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের মানুষের ব্যাপারে সুখ্যাতি রয়েছে যে তাঁরা অধিক ধর্মপরায়ন। একটি কথা বলে রাখা ভাল যে, ধর্মপরায়নতা কোন রাজনৈতিক ওরিয়েন্টেশনের উপর নির্ভরশীল নয়। যে কেউ যে কোন যায়গা থেকে ধর্মচর্চা করতে পারেন।
১৯৯২ ইং সালের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন মতে ১৯৯৫ ইং সালে 'আই ইউ সি' প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তিতে নাম পরিবর্তন করে 'আই আই ইউ সি' হয়। সেই থেকে চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের প্রাণের প্রতিষ্ঠান এই আই আই ইউ সি। প্রচলিত সেক্যুলার ধারার শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতা শেখার তেমন সুযোগ রাখা হয়নি। আর সার্বিকভাবে মানসম্পন্ন গ্রাজ্যুয়েট তৈরিতে আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন একের পর এক ব্যর্থ হচ্ছিল; কলুষিত রাজনীতির ভয়াল থাবায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় দীনতা তৈরি হচ্ছিল; আর আমাদের সচেতন কোমলমতি ছেলেমেয়েরা যখন বিদেশে লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে পারি জমাচ্ছিল - ব্রেইন ড্রেন হচ্ছিল তখনি আই আই ইউ সি নৈতিকতা ও মান সম্পন্ন গ্রাজ্যুয়েট তৈরির মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছিল।
এই মিশন দেশে বিদেশে দারুণভাবে সমাদৃত হয় ও গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। তাইতো তৎকালীন সৌদি পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পীকার শাঈখ ড. আব্দুল্লাহ ওমর নাসিফ, বিখ্যাত স্কলার ড. আব্দুল্লাহ মুসলেহ সহ আরও অনেকে আই ইউ সি ট্রাস্টের সাথে শুধু যুক্ত হওয়াই নয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালনেও সম্মতি প্রদান করেন। আই আই ইউ সিকে আন্তর্জাতিক রুপ দেয়ার নিমিত্বে মালয়েশিয়ার নামকরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আই আই ইউ এম এর শিক্ষা ও পরিচালনা পদ্ধতিকে মডেল হিসেবে নেয়া হয়।
শহরের কোলাহল, হ্যাভি ট্রাফিক আর অপর্যাপ্ত একোমোডেশন এর কারনে শহরের বাইরে শান্ত-সবুজ পাহাড় ও সমুদ্র ঘেরা অপুর্ব, মনোহর প্রাকৃতিক পরিবেশে চট্টগ্রামের কুমিরায় আই আই ইউ সি এর স্থায়ী ক্যাম্পাসের পরিকল্পনা নেয়া হয়। বিশাল এক মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে, ইউনিভার্সিটি সিটি করার পরিকল্পনা ছিল আই আই ইউ সি'র। যায়গা কেনা হয়েছে প্রায় ৪৫ একর। এর মধ্যে কাতার সরকারের সহযোগিতায় গড়ে উঠে কমপ্লিটলি অটোমেটেড সেন্ট্রাল লাইব্রেরী। কুয়েতের ধর্ম ও ওয়াকফ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে গড়ে উঠে সেন্ট্রাল মসজিদ ও সেন্ট্রাল অডিটোরিয়াম। সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও অন্যান্য দেশের বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি বিল্ডিং ও হোস্টেল স্পন্সর করে এই স্থায়ী ক্যাম্পাসে।
অত্যন্ত সুনামের সাথে আই আই ইউ সি তাঁর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সরকারের প্রায় সকল রিকোয়ারম্যান্টের সাথে এর কমপ্লাইয়েন্স রয়েছে। সরকার মনোনীত উপাচার্য, উপ উপাচার্য, ও ট্রেজারার রয়েছে এখানে। বাংলাদেশে ১০৫ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯ম, ও সরকারী-বেসরকারী সব মিলিয়ে ১৫৩ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭তম অবস্থানে রয়েছে আই আই ইউ সি। সারা বিশ্বের ২৯২৫৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আই আই ইউ সি'র অবস্থান ৪৫৫১ তম। আর এশিয়ার ১৪৩৬৭ এর মধ্যে আই আই ইউ সি'র অবস্থান ১৬১৩ তম। স্কোপাস ইন্ডেক্সড গবেষণা পাবলিকেশনেও বাংলাদেশে আই আই ইউ সি'র বেশ মজবুত অবস্থান রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষালাভ করে হাজার হাজার গ্রাজ্যুয়েট সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রেস্টিজিয়াস অর্গানাইজেশনে কর্মরত রয়েছেন।
এমতাবস্থায় আই আই ইউ সিকে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সর্বমহলের দায়িত্ব বলে মনে করি। আল্লাহ সহায় হওন। 
Shariful Haque(Associate Professor)

শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

তান্ডব লীলা : আব্দুল হান্নান চৌধুরী

শিঙ্গার ফুৎকা‌রে শুরু হ‌বে কেয়ামত
প্রচন্ড প্রকম্প‌ি‌ত হ‌বে সারা পৃ‌থিবী,
পৃ‌থিবীর গর্ভ‌ে যা কিছু ছিল তার
এ‌কে এ‌কে প্রসব কর‌বে সে স‌বি।
পৃ‌থিবীর তান্ডব লীলা দে‌খে সে‌দিন
চিৎকার ক‌রে বল‌বে সবাই "এ‌কি হ‌লো",
দিক বি‌দিক ছুট‌বে মানুষ দ‌লে দ‌লে
চা‌রি‌দি‌কে আস‌বে নে‌মে আঁধার কা‌লো।
বোবা হ‌য়ে সবাই থাকব‌ে সে‌দিন
হারা‌বে কথা বলার ক্ষমতা,
‌খোদার আ‌দে‌শে জ‌মিন সেদিন
বল‌বে তার সকল ই‌তি কথা।
দুই দ‌লে সে‌দিন ভাগ হ‌য়ে যাবে
জান্না‌তি আর জাহান্না‌মি,
পা‌লি‌য়ে যে‌তে পার‌বেনা কেউ
বল‌বে সবাই ইয়া নফ‌সি।
আমলনামা পেশ করা হ‌বে
এ‌কে এ‌কে সক‌লের হা‌তে,
অনু প‌রিমাণও বাদ যা‌বেনা
ভা‌লো মন্দ যা কিছু আ‌ছে।
‌নি‌জের চো‌খে সব দেখ‌তে পা‌বে
ভা‌লো আমল তার ছিল যা,
খারাপ আমলও দেখ‌তে পা‌বে সে
‌কোনো কিছু তার বাদ যা‌বেনা।
(সূরা যিলযাল অবলম্ব‌নে র‌চিত)
প্রকাশঃ২৮ ডি‌সেম্বর ২০১৯

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯

স্বাধীনতা তুমি কেমন আছো? আবদুল হান্নান চৌধুরী

স্বাধীনতা তুমি কেমন আছো?
কতদিন দেখিনি তোমায়,
তোমার কথা বড় মনে পড়ে আজ
বিরহে বুক যে ফেটে যায়।

কোন শিকলে বন্দি তুমি আজ
পাইনাকো তোমার কোন সাড়া,
তোমার আশায় পথ চেয়ে চেয়ে
কত দিন রাত হয়েছে সারা।

একাত্তরে ভালোবেসে তোমায়
এনেছিলাম ঘরে তুলে,
আজ তুমি বড় বিপদে আছো
কি করে যাবো তোমায় ভুলে।

তিুমি ছাড়া আজ অসহায় মোরা
ঘুরি তব দ্বার হতে দ্বারে,
অশান্তির দাবানলে পুড়ছি আজো
ব্যাথা বড় আজ হাড়ে হাড়ে।

সুখের তরী বেয়ে এসেছিলে তুমি
সবুজ বাংলার এই কোলে,
সবকিছু বিফলে যাবে বন্ধু
তুমি কাছে ফিরে না এলে।
প্রকাশঃ ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

খোকার স্কুলে যাওয়া - আবদুল হান্নান চৌধুরী


খোকন সোনা উঠো‌ ব‌লে সেই
‌
ভোর থে‌কে কত চেঁচা মেঁ‌চি,
এ‌দিক ফে‌রে ও‌দিক ফে‌রে
ঘুম থে‌কে সোনা উঠ‌বে না‌কি।
অব‌শে‌ষে অলসে‌মি ঝে‌ড়ে
উ‌ঠে আ‌সে ‌সে মা‌য়ের কা‌ছে,
সকাল থে‌কে কত বায়না তার
‌মিঠা‌তে হ‌বে যা কিছু আ‌ছে।
এটা খা‌বেনা ওটা খা‌বেনা
সকা‌লের নাস্তায় কত আব্দার,
আব্দার তার মিঠা‌তে হ‌বে
‌ছে‌ড়ে আসা তা বড় দায় ভার।
কাপড় পর জুতা পর
এই নি‌য়ে গোটা ঘর সারা,
এ‌দিক সে‌দিক ঘু‌রে ফি‌রে
অব‌শে‌ষে দেয় সে ধরা।
সর্দি জ্বরকে বরণ ক‌রে তবু
নি‌তে হ‌বে স্কু‌লে তা‌কে,
সন্তান কি বুঝবে কভু
বড় হ‌য়ে তার সেই মা‌কে।
তবুও কষ্ট ক‌রে যায় ‌সে মা
সন্তা‌নের একটু সু‌খের আশায়,
মাথার ঘাম পা‌য়ে ফে‌লে সে
সারা‌দিন নি‌জে‌কে খাটায়।
প্রকাশঃ১০ ডি‌সেম্বর ২০১৯

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...