* দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা*

ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র * সকল প্রকার একাউন্ট খুলতে * * টাকা জমা করতে * টাকা উঠাতে * * বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স এর টাকা বোনাসসহ উঠাতে * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে আসুন। * * দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র শনিবারসহ ৬ দিন খোলা* * প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01711-458151* 01700-925241*

সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০

বাংলা মা‌য়ের আর্তনাদ আব্দুল হান্নান চ‌ৌধুরী

পঞ্চাশ‌টি বছর আজ হ‌য়ে গেল‌ো

তোরা মুক্ত ক‌রে‌ছি‌লি আমা‌কে,
‌লক্ষ ত্যা‌গের বি‌নিম‌য়ে তোরা
ছি‌নি‌য়ে আন‌লি এই স্বাধীনতা‌কে।
‌দি‌নে দি‌নে তোরা বড় হ‌য়ে‌ছিস
কত কি এখন তো‌দের,
আমায় তোরা ভু‌লে গে‌লি আজ
নাই কিছু আর স্বা‌ধের।
খু‌নের নেশায় মত্ত হ‌য়ে তোরা
ভাই‌কে ভাই ‌কর‌ছিস খুন,
‌দি‌নে দি‌নে তা বে‌ড়েই চ‌লে‌ছে
নাই মোর আজ চো‌খে ঘুম।
শাড়ীর আঁচলটা ‌চে‌য়ে দেখ ঐ
‌লাল খু‌নে হ‌য়ে‌ছে রঞ্জ‌ি‌ত,
রক্ত‌ে‌র গন্ধ আজ ছ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌ছে
পাপ হ‌য়ে‌ছে অ‌নেক সঞ্চি‌ত।
‌ভিন‌দে‌শীদের খাম‌ছি‌ খে‌য়ে খে‌য়ে
শরীর আমার আজ ক্ষত বিক্ষত,
‌দি‌ন দি‌ন আমায় নিস্ব ক‌রে‌ছে
চল‌ছে তা আ‌জো অ‌বিরত।
মজলু‌মের চো‌খের লোনা পা‌নি‌তে
চুলগু‌লো আমার হয়‌ে‌ছে সিক্ত,
‌মাথার খোপা আজ খ‌সে প‌ড়ে‌ে‌ছে
হ‌য়ে‌ছি আ‌মি আজ কত রিক্ত!
‌দীপ্ত শপথ ক‌রে‌ছি‌লি সে‌দিন
মা‌টি ও মা‌য়ের ত‌রে,
‌সেই শপথ ভু‌লে গে‌লি তোরা
‌নিত্য দুঃখ আজ আমার ঘ‌রে।

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

দু'টি দেহে একটি প্রাণ : এম,জে,ইসলামী

কতো আদর যতনে

গড়েছি তোমারে,
নিপুণ ভালোবাসার
বাঁন্দিয়া দ্বোরে।
পৃথিবী চলে যাক
বিনাশ হওক সবি,
তুমি মননে রবে
হয়ে দৃপ্ত রবি।
তুমি কলিজাসম
ভালোবাসা নিদারুণ,
এই বঁন্দন ছিঁড়ে কবুও
না হয় যেন করুণ!
পৃথিবী রবেনা ভাই
রবেনা চাঁদ সূরুয,
রবে ভালোবাসার নীড়
অম্লান চির সবুজ।
হে প্রভু রাহীম রাহমান
তোমার বহমান রহমত,
আমাদের উপর বর্ষাও
চিরদিন অবিরত্।
হে প্রভু বয়ে দাও
রহমতের বাতাস,
ভাই আমার প্রবাসে
আমি নিজবাস।
দুইটি দেহে মোদের
একটিই তো প্রাণ,
বিরহে হাহাকার হৃদয়
জানতো তুমি রাহমান!
চিরদিন সুখে রাখো
ভাইকে আমার,
এই আবেদন প্রভু
কদমে তোমার।
তুমি র'ব তুমি সব
তুমি বিচারক,
সবকিছুর মালিক তুমি
তুমি ধারক ও বাহক।
তুমি রাহমান প্রভু
অসীম অপার,
কল্যাণময় করো জীবন
প্রার্থনা আমার।।

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০

জালিম শাসক জনগণের কৃতকর্মেই ফসল: জনগণ জালিম শাসক নির্বাচিত করে

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ এই দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষই যার যার গল্পে সে একজন মহানায়ক। একজন দূর্নীতিবাজ জালিম তাঁর গল্পে সে একজন জনদরদী মহান নেতা। একজন দুশ্চরিত্র পুরুষ তাঁর গল্পে সে একজন মহান পুরুষ। একজন বাজারি পতিতাও তাঁর গল্পে সে একজন পুতপবিত্র মহিয়সী নারী। কিংবা দুর্ধর্ষ একজন খুনিও তাঁর নিজের গল্পে সে একজন সাহসী বীর। এই দুনিয়ার রঙ্গ মঞ্চে আমরা সবাই যার যার গল্পে একেকজন সুপার হিরো। আমাদের গল্পে আমারা কেউই খলনায়ক নই। ইনফ্যাক্ট, একজন খলনায়কও তার নিজের গল্পে সে একজন নিষ্পাপ মহান ব্যক্তি।


আমাদের গল্পে আমাদের কখনোই ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। আর সেজন্যই আমরা যা করি তা বারবার করতে পারি এবং সে কাজের জন্য আমরা গর্ববোধও করি।

মানুষ কখনই নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করাতে পছন্দ করে না। মানুষ যদি নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে নিজের বিচার করতো তাহলে সে যা করে তা সে করতে পারতো না। একবার অন্যায় করলেই সে তাঁর কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হতো এবং সে আর সেই কাজটি দ্বিতীয়বার করতো না।

মানুষ নিজের কৃতকর্মের জন্য তখনই লজ্জিত হয় যখন সে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিজেকে বিচার করতে পারে।

মানুষ অন্যের দোষত্রুটি নিয়ে যতটা সময় ব্যয় করে সেই সময়টুকু যদি সে নিজের জন্য ব্যয় করতো তাহলে সে একজন ওলি আওলিয়া হয়ে যেতো। আমরা সারা জীবন ওলি আওলিয়াদের খোঁজ করি। আমরা যদি আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজের ভুলত্রুটিগুলো আইডেন্টিফাই করতে পারতাম তাহলে ওলি আওলিয়াদের খোঁজে এখানে সেখানে দৌড়াতে হতো না। আমরা যদি অন্যের পিছনে তাঁদের দোষদ্রুটিগুলো নিয়ে গবেষণা না করে নিজের নিয়তির কথা চিন্তা করতাম এবং পরকালে নিজের পরিনতির কথা একটু স্মরণ করতাম তাহলে নিজেরাই একেকজন ওলি আওলিয়া হয়ে যেতাম।

আমরা যদি সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে পারতাম তাহলে মিথ্যার পিছনে ছুটে সময় নষ্ট করতাম না, জালিম-খুনি-দূর্নীতিবাজদেরকে মাথায় তুলে নৃত্য করতাম না।

একজন জালিম-দূর্নীতিবাজ শাসক কিংবা ব্যক্তিকে সমর্থনের জন্য আমাদেরকে কতটা খেসারত দিতে হবে তা যদি বিন্দু পরিমানে বুঝার চেষ্টা করতাম তাহলে আমরা সেই জালিম-দূর্নীতিবাজ থেকে যোজন যোজন দূরে থাকতাম।

একজন মানুষ তখনই হারামের সাথে সখ্যতা গড়তে পারে যখন সে সৃষ্টিকর্তার দেয়া শাস্তির কথা ভুলে যায়, আর যখন একটি জাতির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের নিকট হারাম কাজ, হারাম বস্তু, হারাম খাবার স্বাভাবিক হয়ে যায় তখন সে জাতির উপর আল্লাহর গজব বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।

আমরা যখন বছরের পর বছর জুলুমের শিকার হই, জালিম শাসকের দ্বারা নির্যাতীত হই তখন অসহায়ের মতো শুধু উর্ধ্ব গগণের দিকে তাকিয়ে দৈব সাহায্যের প্রত্যাশায় থাকি। অথচ আমরা ভুলে যাই আমাদের উপর নির্যাতনের অন্যতম কারণই হলাম আমরা। আমাদের কৃতকর্মের শাস্তিস্বরূপ সৃষ্টিকর্তাই আমাদের জন্য জালিম শাসক নিয়োজিত করেন।

আমরা নিজেরাই জানি না কখন যে আমরা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুমের রাস্তা তৈরী করে ফেলি। আমাদের উপর নির্যাতনের জন্য আমরাই জালিম শাসকদের নির্বাচিত করি। তারপর যখন সেই নির্বাচিত শাসকই আমাদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করতে থাকে তখন কিংকর্তব্যবিমূডঢ় হয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। শুধু তাই নয় নিজেরদের কৃতকর্মের কথা টোটালি ভুলে গিয়ে রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য উর্ধ্বকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তো কোনো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করেন না যদি না তাঁরা নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য স্বচেষ্ট হয়।

বাংলাদেশও সে নিয়মের ব্যতিক্রম নয়। নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিজেদেরকেই যুদ্ধে নামতে হবে। তবে যুদ্ধে যাবার আগে নিজেদেরকে যোগ্য যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসতে হবে। তা না হলে যুদ্ধ শুরুর আগেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। বারবার জালিম দূর্নীতিবাজদের দ্বারা নির্মমভাবে নির্যাতিত হতে হবে।
কালেক্টেড

বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

পিএইচডি ডিগ্রী লাব করায় মুহাম্মদ আজহার উদ্দিনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ দক্ষিণ কোরিয়ার KYUNG HEE UNIVERSITY Computer Engineering এ Phd ডিগ্রী অর্জন করায় মুহাম্মদ আজহার উদ্দিনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন।

চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলী পন্ডিত বাড়ির নিবাসী আক্তার উদ্দিন চৌধুরী’র একমাত্র ছেলে মুহাম্মদ আজহার উদ্দিন দক্ষিণ কোরিয়ার KYUNG HEE UNIVERSITY Computer Engineering এ Phd ডিগ্রী অর্জন করায় স্থানীয় পন্ডিত বাড়ি সমাজ কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়েছে। 

পন্ডিত বাড়ি সমাজ কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন জনাব মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০

কব‌রের আড্ডা: ‌ আব্দুল হান্নান চৌধুরী

 

বাসরটা‌কে ফু‌লে ফু‌লে সাজা‌বে ব‌লে

কত আ‌য়োজন, কত কল্পনা দিন রাত,
কখ‌নো কি ভে‌বেছ‌ো,কব‌রের জীব‌নে
‌কেমন হ‌বে ‌তোমার সে‌ই প্রথম রাত।
মৃত্যু এক‌দিন এ‌সে দি‌বে দুয়া‌রে হানা
বাঁচ‌বেনা এর থে‌কে কেহ,
জীবন প্রদীপ নি‌ভে যা‌বে চিরত‌রে
নীরব নিথর প‌ড়ে র‌বে এই দেহ।
কবর পাড়ের এ‌কে এ‌কে সবাই
নি‌বে চিরত‌রে বিদায়,
একা প‌ড়ে র‌বে তু‌মি কব‌রে
‌কো‌নো সঙ্গ‌ি পা‌বেনা সেথায়।
ফে‌রেশতা এ‌সে বল‌বে তোমায়
‌লিখ তোমার পাপ পূণের হিসাব,
বল‌বে তু‌মি, নাই খাতা কলম কা‌লি
‌কিভা‌বে লি‌খি এতসব হিসাব।
‌ফে‌রেশতা বল‌বে, কাফ‌নের কাপড় ছি‌ড়ে
বানাও তে‌ামার হিসা‌বের খাতা,
আঙ্গুল‌ বানি‌য়ে কলম, থুথু‌র কা‌লি‌তে
‌লিখে যাও তোমার জীব‌নের হালখাতা।
এ‌কে এ‌কে লি‌খে যা‌বে তু‌মি
পাপ পূণের ‌হিসাব যতটা ,
নি‌জের হা‌তে লি‌খে যা‌বে সব
বাদ যা‌বেনা তার ছি‌টে ফোটা।
ফেরেশতা ব‌লবে সিল মা‌রো ত‌বে
‌তোমার লিখা আমল নামায়,
ন‌খের আঁচ‌ড়ে ক‌রো তা তু‌মি
এটাই তোমার একমাত্র উপায়।
‌নি‌জের আম‌লের নি‌জে স্বাক্ষী হ‌য়ে
স্বাক্ষর কর‌বে তু‌মি আমল নামায়,
লি‌খিত আমল নামা গলায় ঝু‌লি‌য়ে
‌ফে‌রেশতা নে‌বে ত‌বে চির বিদায়।
মুনকার ন‌কির ফে‌রেশতা এ‌সে
বস‌বে তোমার শিয়‌রে,
‌তিন‌টি প্রশ্ন জিজ্ঞা‌সিত হ‌বে
উত্তর দি‌তে হ‌বে সব বরাব‌রে।
‌দু‌নিয়ার জীব‌নে ক‌রেছ‌ো যা নেক আমল
কব‌রে হ‌বে তা তোমার জ্ঞা‌তি,
‌কিয়ামত পর্যন্ত থাক‌বে সে সা‌থে
‌হয়ে তোমার মহান সা‌থী।
‌নেককার বান্দা সব একসা‌থে হ‌য়ে
আডড্ডা জমা‌বে সবাই কব‌রে,
‌কেয়ামত পর্যন্ত থাক‌বে সবাই সেথায়
‌চির সুখ জান্না‌তের অ‌পেক্ষা ক‌রে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০

পরীক্ষাকে সামনে রেখে অভিভাবকদের দেয়া হয়েছে বেতন এবং পরীক্ষার ফি জমা দেয়ার তাগাদা।

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ স্কুল বন্ধ করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে। এরই মধ্যে কিছু স্কুলে চলছে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার তোড়জোড়। তাও আবার অনলাইনে।

পরীক্ষাকে সামনে রেখে অভিভাবকদের দেয়া হয়েছে বেতন এবং পরীক্ষার ফি জমা দেয়ার তাগাদা।
ছবিগুলো চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানে অবস্থিত সেন্ট মেরীস স্কুলের।
বেতন এবং পরীক্ষার ফি জমা দিতে স্কুলের নিদিষ্ট দিন বুধবার সকালে জড়ো হন কেজি ও প্রথম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা।
করোনাকালে শ শ অভিভাবকের বেতন জমার সময় মানা হয়নি সামাজিক দুরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যবিধি। হুড়োহুড়ির মধ্যে প্রায় চারঘণ্টা ধরে চলে যজ্ঞ।
একটিমাত্র কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে জমা নেয়া হয় ফি। তারপর ক্লাস টিটারকে বেতন বই জমা দেয়া এবং পরীক্ষার খাতা কেনা সর্বত্রই ভিড়। যা প্রচলিত বাজার থেকেও অধিক।
প্রশ্ন হলো, এ ভুল কার। স্কুল কর্তৃপক্ষ নাকি অভিভাবকদের? কে নেবে এর দায়?
উৎসঃ ফেইসবুক

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

ইব্রাহী‌ম (আঃ) এর স্বপ্ন ও কুরবানী: আব্দুল হান্নান চৌধুরী

 

ইব্রাহী‌ম এর স্মৃতি বিজ‌ড়িত প‌বিত্র এই ঈদুল আযহা

ত্যা‌গের ম‌হিমা‌য় উদ্ভা‌সিত গোটা মুস‌লিম উম্মাহ,
পশুর গলায় ছু‌রি দি‌য়ে কর‌বে ম‌নের পশুত্ব কুরবানী
রক্ত‌ে‌র বন্যায় ভে‌সে যা‌বে জীব‌নের যত পাপ গ্লা‌নি।
হজ্জ্ব‌ে‌র প্র‌তি‌ হুকু‌মে র‌য়ে‌ছে ইব্রাহী‌ম এর স্মৃ‌তি গাঁথা
মুস‌লিম‌ উম্মাহর অন্ত‌রে র‌য়ে‌ছে তার সম্মান পাতা,
লক্ষ মুস‌লিম জ‌ড়ো হ‌য়ে কাঁ‌দে আরাফা‌ত ময়দা‌নে
নিষ্পাপ হ‌য়ে ফির‌বে তারা ছ‌ড়ি‌য়ে যা‌বে সবখা‌নে।
শত পরীক্ষায় জর্জরিত ছিল‌ো ইব্রাহী‌ম এর জীবন
‌আল্লাহর প্র‌তি দৃঢ় বিশ্বাস তা‌কে করল‌ো উত্তোরণ,
শত বাঁধা ড‌িঙ্গ‌ি‌য়ে তি‌নি দি‌য়ে‌ছেন দ্বী‌নের দাওয়াত
‌দি‌য়ে গে‌লেন মুস‌লি‌মের তর‌ে মূল্যবান সওগাত।
নমরু‌দের খোদায়ীর বিরু‌দ্ধে প্রশ্ন ছু‌ড়লেন তি‌নি
অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হ‌লেন ঈমান তার কভু ট‌লে‌নি,
‌খোদার ইশারায় ইব্রাহী‌ম এর ত‌রে অগ্নি হ‌লো শীতল
সত্য ত‌বে বিজয় হ‌লো,মিথ্যা হ‌লো চিরত‌রে বিফল।
কো‌নো সন্তান ছিলনা কভু ইব্রাহী‌ম এর ছোট্ট ঘ‌রে
প্রভুর কা‌ছে দোয়া মা‌গে শুধু এক‌টি সন্তা‌নের ত‌রে,
অব‌শে‌ষে শেষ বয়‌সে প্রভু দিলেন তা‌কে সু সন্তান
আদ‌রের ধন ছিল সে যে ,ছিল সে পরা‌নের পরান।
প্রভু তা‌কে স্বপ্ন দেখা‌লেন কর‌তে সন্তান কুরবানী
‌চিন্তায় ছি‌লেন পরীক্ষায় কখন ফেল ক‌রে না জা‌নি,
‌বিবৃত কর‌লেন পুত্র ইসমাইল‌কে তার স্বপ্নের কা‌হিনী
পুত্র বল‌লেন,এ কা‌জে আমায় ধৈ‌র্যশীল পা‌বে তু‌মি।
অব‌শে‌ষে কুরবানী দি‌লেন আপন সন্তান‌কে ইব্রাহীম
‌খোদা তা‌তে খু‌শি হ‌য়ে দি‌লেন তা‌কে সম্মান অসীম,
যত‌দিন থাক‌বে এই পৃ‌থিবী, থাক‌বে হজ্জ্ব কুরবান
মুস‌লিম উম্মাহ স্মরণ কর‌বে তার এই প্র‌তিদান।
প্রকাশঃ ৭ আগষ্ট ২০২০

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী রেজাউলের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সকলের প্রতি আহবান

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী রেজাউলের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ মানবতা সেবী সকলের প্রতি আহবান 
সে আজ বড়ই অসহায় ও বিপদগ্রস্ত। ২০২০সালের ফেব্রূয়ারী মাসে সে চাকুরী হারায়। একই বছরের এপ্রিল মাসে সে কঠিন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়। চাকুরী না থাকায় আয়-রোজগার বন্ধ। ফলে সে কদিকে খাদ্য, ওষধ-পথ্য সংকটে ভুগছে।  অপর দিকে দেশে তার পরিবার-পরিজনের নিকট কোন টাকা-পয়সা পাঠাতে পারছে না। দেশেও রয়েছে তার অনেক ঋণ। পাওনাদার তার অসুস্থতা ও চাকুরী হারানোর সংবাদ পেয়ে ঋণ পরিশেধের জন্য ঘন ঘন চাপ দিচ্ছে। তাই সে এখন মানসিকভাবেও সমস্যাগ্রস্ত। চিকিৎসার জন্য রেজাউল কুয়েতে কোন সরকারী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা পাচ্ছে না। সেখানে গেলে তার কফিল (স্থানীয় মালিক) কে সাথে নিয়ে যেতে বলে। কফিল তার পাসপোর্ট রেখে তাকে বের করে দিয়েছে। কফিলতো তার সাথে যাবেও না বরং তার পাসপোর্ট আনতে গেলে তাকে নতুন মালিক নিয়ে যেতে বলে। অসুস্থতার কারণে সে নতুন চাকুরী, চিকিৎসা, পাসপোর্ট উদ্ধার কোনটাই করতে পাছে না। এ অবস্থা নিয়ে সে কয়েকবার এম্বাসীসহ গেলেও সব জায়গায় তাকে অবহেলা করা হয়েছে। তার অসুস্থতার কারণে তাকে সহযোগিতা না করে, এক প্রকার তাড়িয়ে দিয়েছে। এমতাবস্থায় কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশী এই রেমিটেন্স যোদ্ধাকে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সাহায্য ও সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ মানবতার সেবায় নিয়োজিত সকল সংস্থা, ব্যক্তিবর্গ -গোষ্ঠীর প্রতি সবিনয় আবেদন জানিয়েছে রেজাউল করিম। বিশেষ করে এই মুহুর্তে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য, যথাযথ চিকিৎসা আর সেই সাথে প্রয়োজন তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা। রেজাউলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মোবাইল নাম্বার: 0096599562317 প্রদান করা হলো যাতে ইমু সংযুক্ত আছে।  

রেজাউল করিম বাংলাদেশের নাগরিক প্রথমবার ২০০৬ সালে টাকা সংগ্রহ করে কুয়েতে যান। এর পর কয়েকবার দেশে আসেন। সে বিবাহিত তার স্ত্রী ও এক মেয়ে সন্তান আছে। শেষবার সে ২০১৭ সালে কুয়েত প্রবাসী হয়েছে। সে ঋরগ্রস্ত। সে তার এবং তার মেয়ের ভবিৎষ্যত নিয়ে সংকিত। কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসী মানব দরদী ভাইগণ প্রদত্ত ইমু নাম্বারে যোগাযোগ করে প্রত্যক্ষ কোন সহায়তা করতে পারেন।

এই প্রতিবেদককে সে ফেইসবুকে ফ্রেইন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে। প্রতিবেদক তার প্রোফাইলে পরিচিত একটি হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করার চিত্র দেখে তাকে ফেইসবুকে ফ্রেইন্ডভূক্ত করে। পরে সে মেসেঞ্জারে প্রতিবেদককে কল করলে তার সাথে প্রতিবেদকে কথা হয়। কথা হয় কয়েকদিন। আলাপচারিতায় তার উল্লেখিত তথ্য জানতে পারেন। রেজাউলের সাথে কথা বলে এই প্রতিবেদকের ধারণা জন্মেছে যে তার দেয়া উপরোক্ত তথ্য সঠিক।   

গানের কবিতা : এখানে জীবনের মেরামত করা হয় - চৌধুরী গোলাম মাওলা

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ (1985 সাল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে তাৎক্ষণিকভাবে গেয়েছিলাম এই গানটির মুখ ও অস্থায়ী অংশ। সেদিন তা অনুষ্ঠানের আবহ সঙ্গীত হিসাবে পরিবেশন করেছিলাম। আজ দিলাম তার পূর্ণরূপ। আলহামদুলিল্লাহ।)

এখানে হাসপাতাল
এখানে জীবনের মেরামত করা হয়
এখানে হাসপাতাল..
জীবন ঘষে বাঁচাতে জীবন
অবিরাম রুদ্ধ প্রয়াস
কারো সূর্য যায় অস্ত
কারো বা আসে নতুন সকাল
এখানে হাসপাতাল ।।
এখানে ধনি আসে
এখানে গরিব আসে
কেউ হাসে আর কেউবা
চোখের জলে ভাসে
কাতর ধ্বনি কান্না হাহাকার
হাসি বেদনা সবই একাকার
দিবারাত্রির একই দৃশ্য
থামবে কি কোনো কাল ?
এখানে হাসপাতাল ...
এই যে হাসপাতাল নীরবে
দাঁড়িয়ে রয়
আকাশ পানে চেয়ে চেয়ে শুধু
তার করুনার ভরসায়
এখানে জীবনের মেরামত করা হয়
এখানে হাসপাতাল ...
নামি ডাক্তার দামি ঔষধ
বিরল কত যে পথ্য !
চলে দৌড়ঝাঁপ যা কিছু সাধ্য
যমে ও মানুষে রশি টানাটানি
কী অনিশ্চিত যুদ্ধ !
হাসির ফোয়ারা ফুটবে
কারো-বা চোখে মুখে
ব্যথার অশ্রু বইবে
কারো ভেজা নিঃশ্বাসে
কোথাও জমবে প্রেম হাসি মেলা
কারোবা সাঙ্গ জীবনের খেলা
এমনই একদিন মৃত্যুতে ক্ষয়
কে রাখে সেই খেয়াল ?
এখানে হাসপাতাল ...
এই যে হাসপাতাল নীরবে
দাঁড়িয়ে রয়
জীবন ও মৃত্যুর তিনিই মালিক
আল্লাহু দয়াময়
এখানে জীবনের মেরামত করা হয়।
এখানে হাসপাতাল ...

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

না‌জের চৌধুরী ইন্তেকালে আবদুল হান্নান চ্যেধুরীর শোক প্রকাশ

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ উত্তর কাট্টলী পন্ড‌ি‌ত বাড়ী নিবাসী মরহুম মোস‌লেম উদ্দীন চৌধুরীর ২য় পুত্র আবদুল হান্নান ছৌধুরীর চাচাত ভাই মোঃ না‌জের চৌধুরী গত রাত ১টার সময় নিজ বাস ভব‌নে ইন্ত‌ে‌কাল ক‌রে‌ছেন।ইন্না‌ লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাই‌হি রা‌জিউন।
আজ(২৭ জুলাই) দুপুর ২টার সময় বাইতুল মোকাদ্দাস জা‌মে মস‌জি‌দে মরহু‌মের নামা‌জে জানাজা অনুষ্ঠ‌িত হবে। চাচাতো ভাই’র ইন্তেকালে আবদুল হান্নান চ্যেধুরী গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন। তিনি শোক বার্তায় মরহুম নাজের চৌধুরীর রূহের মাগফিরাত কামনা করে বলেছেন, মহান আল্লাহ তা‌কে জান্নাতবাসী করুন।আ‌মিন। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
এ ছাড়াও জাহেদুল ইসলাম চ্যেধুরী মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন্ আরো যারা শোক প্রকাশ করেছেন, আবু হানিফা মোহাম্মদ নোমান, বেলাল উদ্দিন, মুহাম্মদ সাজেদ আহমেদ, মোহাম্মদ শাহ্ জাহান, এডভোকেট আরিফুর রহমান, এসকান্দার মির্জা, আকতারুল ইসলাম আপ্পি, টি. হাসান শাওন, এ.কে. রাফি, শেখ মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা.

  বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ  প্রতিবছর ঈদ আসে আমাদের জীবনে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। তাই এ দিন সকল কালিমা আর কলুষতাক...